শিরোনাম ::
লালমনিরহাটে বিজিবি-বিএসএফ কমান্ডার পর্যায়ে বৈঠক স্ত্রীসহ অস্কারজয়ী অভিনেতা জিন হ্যাকম্যানের মরদেহ উদ্ধার পেকুয়ায় ভূপৃষ্ঠের উপরে নান্দনিক স্টেডিয়ামের উদ্বোধন রমজান উপলক্ষে ১২৯৫ বন্দিকে মুক্তির নির্দেশ আমিরাত প্রেসিডেন্টের ডেভিল হান্টে কসবার সাবেক মেয়র জুয়েল গ্রেপ্তার গোপনে স্যার আমাকে প্রভা আপুর ভিডিও দেখিয়েছে : মিষ্টি জান্নাত মায়ের কবরে চিরনিদ্রায় শায়িত সিনেমার মেঘমল্লার কাল জাতীয় নাগরিক পার্টির আত্মপ্রকাশে ৩ লাখ মানুষের সমাগমের প্রত্যাশা প্রতিবন্ধী স্কুলের স্বীকৃতি-এমপিওভুক্তির দাবিতে শিক্ষকদের অবস্থান হেনার মেয়ের আবদার ফেলতে পারেননি বকুল!
শুক্রবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৫, ০৩:৩১ অপরাহ্ন
নোটিশ::
কক্সবাজার পোস্ট ডটকমে আপনাকে স্বাগতম..  

নিজস্ব মুদ্রায় লেনদেনে বাংলাদেশ-ভারত – DesheBideshe

প্রতিবেদকের নাম:
আপডেট: বৃহস্পতিবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৩


ঢাকা, ২৭ এপ্রিল – রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে ডলার সংকটে পরে অনেক দেশ। এমন অবস্থায় ডলারের ওপর চাপ কমাতে টাকা ও রুপিতে লেনদেন করতে সম্মত হয়েছে বাংলাদেশ ও ভারত।

এজন্য অ্যাকাউন্ট খোলা হবে সোনালী ব্যাংক, ইস্টার্ন ব্যাংক, স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া ও আইসিআইসিআই ব্যাংকে।

সোনালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আফজাল করিম বলছেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমতি পেলে টাকা কিংবা রুপিতে ভারতের সাথে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য সম্ভব হবে। এতে ডলারের ওপর চাপ কমে আসবে।

তিনি বলেন, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যে আমাদের ডলারের ওপর যে চাপ আছে সেটি কিছুটা হলেও হ্রাস পাবে। দুই দেশের মধ্যে আমদানি-রপ্তানিতে আমরা ডলার ছাড়াও অন্য মুদ্রা ব্যবহার করতে পারছি, এটি একটি বড় সুবিধা।

তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র বলছেন, বিশ্ব পরিস্থিতি বিবেচনায় অনেক দেশই বিকল্প মুদ্রায় লেনদেন করছে। খরচ কমাতে দিল্লির প্রস্তাব বিবেচনায় এ বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র মেজবাউল হক বলেন, বিভিন্ন পর্যায়ে কয়েকবার মুদ্রাকে রূপান্তর করতে হয়। এই ধরনের পরিবর্তনকে কমানোর জন্য সরাসরি টাকা-রুপি লেনদেনের বিষয়টি চিন্তা করা হয়েছে। ভারতের যে প্রস্তাব, সেটা আমরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখেছি। এতে আমাদের জন্য খরচ হয়তো অনেক কমানো সম্ভব হবে।

দুই দেশের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন অর্থনীতিবিদরা। তবে, এই প্রক্রিয়ায় ব্যবসায়ীদের সম্পৃক্ত করাই বড় চ্যালেঞ্জ হবে বলে মনে করেন তারা।

পিআরআই’র নির্বাহী পরিচালক এবং অর্থনীতিবিদ আহসান এইচ মনসুর বলেন, আমদানি-রপ্তানি দুই ক্ষেত্রেই লেনদেন রুপিতে হলে সমস্যা নেই। তবে অন্য দেশ থেকে কাঁচামাল আমদানি করে ভারতে রপ্তানি করলে কিন্তু লেনদেনের খরচ বাড়বে।

বাংলাদেশ থেকে ভারতে রপ্তানির পরিমাণ প্রায় ২ বিলিয়ন ডলার। বিপরীতে আমদানির পরিমান ১৩ বিলিয়নেরও বেশি।

সূত্র: বাংলাদেশ জার্নাল
এম ইউ/২৭ এপ্রিল ২০২৩


আরো খবর: