শিরোনাম ::
মালয়েশিয়ায় গ্যাস পাইপলাইনে বিস্ফোরণ, অগ্নিদগ্ধ বেড়ে ১৪৫ ঈদে হতদরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানো উচিত বাংলাদেশে উগ্রপন্থা নিয়ে নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদন বিভ্রান্তিকর ভারতে আতশবাজি কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ, ১৮ জনের মৃত্যু মিয়ানমারে পৌঁছেছে বাংলাদেশের ৫৫ সদস্যের উদ্ধার ও চিকিৎসা দল ৯০ বছর বয়সে মারা গেলেন ‘শোগান’ তারকা রিচার্ড চেম্বারলেইন নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বৈদ্যুতের খুঁটির সঙ্গে বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ গাজা পরিস্থিতিতে জড়িত ‘সব পক্ষ’কে যুদ্ধবিষয়ক আইন মানতে হবে ৬৬ বছর বয়সে স্বাভাবিকভাবে দশম সন্তানের মা হলেন জার্মান নারী মুক্তির প্রথম দিনই পাইরেসির কবলে শাকিবের ‘বরবাদ’
বৃহস্পতিবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৫, ০৩:০২ অপরাহ্ন
নোটিশ::
কক্সবাজার পোস্ট ডটকমে আপনাকে স্বাগতম..  

ইয়াবা বিক্রি করতে এসে ধরা খেলেন টেকনাফের মা-ছেলে

প্রতিবেদকের নাম:
আপডেট: মঙ্গলবার, ১৫ আগস্ট, ২০২৩

বরিশালের গৌরনদী উপজেলার ভুরঘাটা এলাকা থেকে ইয়াবা ও ইয়াবার গুঁড়াসহ স্থানীয় এক ইউপি মেম্বার ও তার দুই সহযোগীকে (মা ও ছেলে) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে ইয়াবা বিক্রির ২০ হাজার টাকা ও তিনটি মোবাইল উদ্ধার করা হয়েছে।

সোমবার বেলা সোয়া ১১টায় সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান জেলা পুলিশ সুপার ওয়াহিদুল ইসলাম।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন, গৌরনদী উপজেলার খাঞ্জাপুর ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার সোহেল সরদার (৩২), কক্সবাজারের টেকনাফ থানার জাফরের বাড়ি ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড পূর্ব লেদা (লামার পাড়া) গ্ৰামের আব্দুল মান্নানের সাবেক স্ত্রী হালিমা বেগম (৪০) ও তার ছেলে মোহাম্মদ ফোরকান (২২)।

পুলিশ জানায়, রোববার বিকেলে গৌরনদী এলাকার ভুরঘাটা বাসস্ট্যান্ডে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা বিক্রির খবর পেয়ে অভিযান চালিয়ে পুলিশ। এ সময় স্থানীয় ইউপি মেম্বার সোহেলসহ তিনজনকে হাতেনাতে আটক করা হয়। পরে তাদের কাছ থেকে একটি প্যাকেটের মধ্যে ৪৭টি নীল রঙের প্যাকেটে আট হাজার ৯২৬ ইয়াবা, ৩০ গ্রাম ইয়াবার গুঁড়া ও নগদ ২০ হাজার টাকাসহ তিনটি মোবাইল জব্দ করা হয়।

হালিমা তার ছেলে ফোরকানকে নিয়ে ইয়াবা বিক্রির উদ্দেশ্যে কক্সবাজার থেকে ঢাকা হয়ে সোহেলের কাছে আসেন। এর আগেও তারা ইয়াবার একাধিক চালান গৌরনদীতে বিক্রি করে গেছেন বলে জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন।

পুলিশ সুপার ওয়াহিদুল ইসলাম বলেন, ইউপি মেম্বার সোহেলের বিরুদ্ধে দুটি মাদক মামলা রয়েছে। সেই মামলায় তিনি জেলও খেটেছেন। মাদক ব্যবসায়ী হালিমার নামে বিভিন্ন থানায় চারটি মামলা রয়েছে। তারা প্রত্যেকেই পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ শেষে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হবে।


আরো খবর: