শিরোনাম ::
চকরিয়ায় তুলে নিয়ে যুবকের হাত শরীর থেকে কেটে বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছে প্রতিপক্ষের সন্ত্রাসী চকরিয়ায় পুলিশের অভিযানে বিভিন্ন মামলার ৪ পলাতক আসামি গ্রেফতার পেকুয়ায় থানার ভেতরে মুক্তিযোদ্ধার ছেলেকে পিটিয়ে জখম, আটক ১ চকরিয়ায় থানা পুলিশের অভিযানে সাজাপ্রাপ্তসহ ১৪ আসামি গ্রেফতার সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুর মিছিল বন্ধে কক্সবাজার -চট্টগ্রাম মহাসড়ক ৬ লেনে উন্নীত করতে হবে উখিয়ায় কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও সম্মাননা ক্রেষ্ট বিতরণ মালয়েশিয়ায় গ্যাস পাইপলাইনে বিস্ফোরণ, অগ্নিদগ্ধ বেড়ে ১৪৫ ঈদে হতদরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানো উচিত বাংলাদেশে উগ্রপন্থা নিয়ে নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদন বিভ্রান্তিকর ভারতে আতশবাজি কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ, ১৮ জনের মৃত্যু
রবিবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৫, ১১:২৯ পূর্বাহ্ন
নোটিশ::
কক্সবাজার পোস্ট ডটকমে আপনাকে স্বাগতম..  

অনলাইন জুয়ায় জড়িত থাকার অভিযোগে কক্সবাজার থেকে আটক ৯

প্রতিবেদকের নাম:
আপডেট: রবিবার, ১৪ নভেম্বর, ২০২১

রাশিয়া থেকে পরিচালিত একটি বেটিং ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনলাইন জুয়ায় জড়িত থাকার অভিযোগে কক্সবাজার থেকে ৯ ব্যাক্তিকে আটক করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

আজ রোববার দুপুরে সিআইডির অতিরিক্ত ডিআইজি কামরুল আহসান এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান। আটককৃতরা হলেন স্বপন মাহমুদ, নাজমুল হক, আসলাম উদ্দিন, মুরশিদ লিপু, শিশির মোল্লা, মো. সাদিক, মাসুদ রানা, মাহফুজুর রহমান ও তাঁর স্ত্রী মনিরা আক্তার। তাঁদের বয়স ৩৫ থেকে ২০ বছরের মধ্যে।

সিআইডি জানায়, আটকৃতরা দেশজুড়ে ছড়িয়ে থাকার একটি চক্রের অংশ। কক্সবাজারসহ বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে ওই ওয়েবসাইটের এজেন্ট রয়েছে। তাদের মাধ্যমে ওই অ্যাপসে যে কেউ লগিং অ্যাকাউন্ট খোলার পর তাদের একটি ওয়ালেট দেওয়া হয়। তারপর সেই ওয়ালেটে টাকা রিচার্জ করে বেটিং সাইটে দেওয়া মোবাইল ব্যাংকিংয়ের নম্বরে টাকা পাঠানোর পর এই ই-ওয়ালেটে টাকা যুক্ত হয়। ন্যূনতম ১ হাজার টাকা এই ই-ওয়ালেটে প্রবেশ করাতে হয়।

মোবাইল ব্যাংকিংয়ে কর্মরত অসাধু ব্যক্তিদের মাধ্যমে বিজনেস সিম সংগ্রহ ও ভাড়া করে এই অবৈধ লেনদেন হচ্ছে বলে জানায় সিআইডি।

সংবাদ সম্মেলনে সিআইডির পক্ষ থেকে আরো বলা বলা হয়, চুয়াডাঙ্গা জেলায় ৫০ জন মোবাইল ব্যাংকিং এজেন্টের তথ্য পাওয়া গেছে, যে নম্বরগুলো থেকে অনলাইন জুয়ার টাকা লেনদেন হচ্ছে। এই নম্বরগুলোর মধ্যে অন্তত ১৫টিতে দিনে ১০ লাখের ওপরে টাকা লেনদেন করছে জুয়াড়ি চক্র। পরে এই টাকা হুন্ডি বা অবৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলে পাচার হচ্ছে বলে ধারণা সিআইডির।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে কামরুল আহসান বলেন, ‘একটি জেলায় ৫০ জন এজেন্টের তথ্য পাওয়া গেছে। সারা দেশের চিত্র এখনো আমরা পাইনি। এ নিয়ে কাজ চলছে। দিনে একটি বেটিং সাইটে এক থেকে দেড় লাখ ব্যক্তি জুয়ায় অংশ নেন।’


আরো খবর: