শিরোনাম ::
সোমবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৪, ০৯:৩০ পূর্বাহ্ন
নোটিশ::
কক্সবাজার পোস্ট ডটকমে আপনাকে স্বাগতম..  

সংরক্ষিত নারী আসনে এনজিও সেক্টরের প্রতিনিধি হিসেবে আলোচনায় শীর্ষে জেসমিন প্রেমা

নিজস্ব প্রতিবেদক :
আপডেট: মঙ্গলবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

দ্বাদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে এনজিও সেক্টরের প্রতিনিধি হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন জেসমিন প্রেমা। ৩০ বছর ধরে নারী,শিশু, স্বাস্থ্য, শিক্ষাসহ গুরুত্বপূর্ণ সেক্টরে ভুমিকা রেখে চলেছেন।

জেসমিন প্রেমা সমাজ কল্যাণ ও উন্নয়ন সংস্থা (স্কাস) এর প্রতিষ্টাতা চেয়ারম্যান হওয়ার পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সম্মানের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন।
সমাজ কল্যাণ ও উন্নয়ন সংস্থা (স্কাস) এর মাধ্যমে মহিলাদের জন্য সচেতনতা তৈরি, নারীর প্রতি সহিংসতা রোধকরণ, IGA প্রশিক্ষণ প্রদান, লিঙ্গ ভিত্তিক সহিংসতা, বাল্যবিবাহ, ব্যক্তির স্বাস্থ্যবিধি, বহুবিবাহ ইত্যাদি বিষয়ে সচেতনতা, আইনি সহায়তা, পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থার সাথে সংযোগ, প্রজনন স্বাস্থ্য শিক্ষা, এসআরএইচআর পরিষেবা, লিঙ্গ সচেতনতা সেশন, নতুন দম্পতির প্রশিক্ষণ, শিক্ষা এবং দক্ষতার মাধ্যমে কিশোরী মেয়েদের সক্ষমতা উন্নয়ন এবং ক্ষমতায়ন, নারীর অধিকার, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পুষ্টি, নারীর অধিকার, লিঙ্গ-ভিত্তিক সহিংসতা, প্রজনন স্বাস্থ্য ইত্যাদি বিষয়ে সচেতনতামূলক কার্যক্রম, প্রসূতি মহিলাদের স্বাস্থ্য নিশ্চিতকরণ, ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা ও পরিচ্ছন্নতা, এবং নারীর ক্ষমতায়ন, এইচআইভি, এইডস প্রতিরোধ বিষয়ে ভিজিডি নারীদের সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ প্রদান, ছাগল ও গরু পালন, মৎস্য চাষ, সবজি বাগান, নববিবাহিতা মহিলা, কিশোরী মেয়ে এবং অন্যান্য মহিলারা মা ও নবজাতকের শিশু স্বাস্থ্য এবং শিশু ও ছোট শিশুদের খাওয়ানো সম্পর্কে সচেতন, কমিউনিটিতে MHPSS/GBV/SRH কার্যকলাপ শনাক্ত করতে কমিউনিটি গ্রুপ মূল্যায়ন পরিচালনা, GBV, MHPSS এবং SRH এবং রেফারেল পাথওয়েতে সম্মিলিত সচেতনতা বৃদ্ধি, GBV থেকে বেঁচে যাওয়া এবং মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের MHPSS কাউন্সেলিং প্রদান, চট্টগ্রাম কারাগারে নারী বন্দীদের জীবিকা প্রশিক্ষণ প্রদানসহ নানানবিধ কাজ করে চলেছেন।

পাশাপাশি শিক্ষা কেন্দ্র স্থাপন, ঝড়ে পরা শিক্ষার্থীদের সনাক্ত করন, সচেতনতা তৈরি করন, শহুরে কর্মজীবী শিশুদের কাছে শিক্ষা পৌঁছানো, প্রজনন স্বাস্থ্য শিক্ষা জীবন দক্ষতা এবং দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ প্রদান, কনডম প্রচার ও বিতরণ, মাছ চাষ, – প্রাথমিক স্বাস্থ্য সেবা, প্রজনন স্বাস্থ্য শিক্ষা, নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশন নিশ্চিত করুন, ওষুধ সরবরাহ, প্রসূতি মহিলাদের স্বাস্থ্য নিশ্চিত, জরুরী ত্রাণ বিতরণ, চিকিৎসা সহায়তা, বস্ত্র বিতরণ, টিন, বাঁশ এবং অন্যান্য পুনর্বাসন সামগ্রী বিতরণ করছেন।

তিনি মানবসেবায় কাজ করেছেন ঢাকা সিটি কর্পোরেশন, নরসিংদী, গাজীপুর, মুন্সীগঞ্জ ও নারায়ণগঞ্জ, চট্টগ্রাম জেলা, ঢাকা সিটি কর্পোরেশন, ফেনী জেলার সকল উপজেলা, কুমিল্লা আড়াইহাজার, চট্টগ্রাম জেলার সাতকানিয়া, হাটহাজারী ও ফটিকছড়ি উপজেলা, কক্সবাজার, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন, কক্সবাজার জেলার সকল উপজেলা ও রোহিঙ্গা ক্যাম্পে।

সংরক্ষিত আসনে মনোনয়ন প্রসঙ্গে জেসমিন প্রেমা বলেন, ৯৩ সাল থেকে বিভিন্ন ভোলান্টিয়ার সংস্থার সাথে কাজ করি। স্কাসের মাধ্যমে এই সরকারের এবং দলের হয়ে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক জায়গায় সেমিনারে আন্তর্জাতিক মানুষদের কাছে দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছি। আমি সমাজ কল্যাণ ও উন্নয়ন সংস্থা স্কাস এর মাধ্যমে পঁয়তাল্লিশ লাখ মানুষকে সেবা দিয়েছি। এই সেবাটা ছিলো বিভিন্ন ক্ষেত্রে নারী এবং শিশুদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সুবিধাবঞ্চিত নারী এবং শিশুর জন্য।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা, মানবতার মা উখিয়াতে রোহিঙ্গাদেরকে ২০১৭ সালে আশ্রয় দেয়। বাংলাদেশে মিয়ানমার থেকে যখন তারা বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়, প্রধানমন্ত্রী তাদেরকে বুকে তুলে নেয়। তারপর থেকে কক্সবাজারে আমি কাজ করছি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনর স্বপ্নের প্রকল্প আশ্রয়ণ প্রকল্প ভাসানচরে রোহিঙ্গাদেরকে অস্থায়ীভাবে রাখার ব্যবস্থা করার জন্য যখন চেষ্টা করছিলেন তখন আন্তর্জাতিক সংস্থা, বিভিন্ন এনজিও, আইএনজিওরা এটার বিরুদ্ধে ছিল। সেই সময় একমাত্র নারী প্রধান সংস্থা হিসেবে ভাসানচরে গিয়েছি। ভাসানচরে সরকারের সহযোগী সংস্থা হিসেবে তাদের পুনর্বাসনসহ নানান সুযোগ সুবিধা প্রদান করেছি।

তিনি বলেন, স্মার্ট বাংলাদেশ বাস্তবায়নের জন্য কোয়ালিটি কাজ দরকার, দলের মধ্যে সে কোয়ালিটির মানুষ ও কর্মী দরকার। যারা দল সরকার ও দেশের জন্য নিঃস্বার্থ ভাবে কাজ করে যাবে। যদি দল আমাকে মূল্যায়ন করে তাহলে আরো ব্যাপকভাবে কাজ করার সুযোগ পাবো। আমি দেশবাসী ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নিকট দোয়া চাই। ভালো কাজের মূল্যায়ন প্রধানমন্ত্রী সবসময় করেছেন ভবিষ্যতেও করবেন। দেশ ও দশের কল্যাণে নিজের জীবনকে উৎসর্গ করেছি, ভবিষ্যতেও তার ব্যত্যয় হবে না। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশে উন্নয়নের মাধ্যমে বিশ্ববাসীকে দেখিয়ে দিয়েছেন তিনি বঙ্গবন্ধু কন্যা। আমরা তার স্বপ্ন বাস্তবায়নে কাজ করে যাবো।


আরো খবর: