শুক্রবার, ২১ জুন ২০২৪, ০৫:৫৪ অপরাহ্ন
নোটিশ::
কক্সবাজার পোস্ট ডটকমে আপনাকে স্বাগতম..  

রাফায় ভয়াবহ হামলার পরও ‘ইসরায়েল নীতি’ পরিবর্তন করবে না যুক্তরাষ্ট্র

প্রতিবেদকের নাম:
আপডেট: শুক্রবার, ৩১ মে, ২০২৪
রাফায় ভয়াবহ হামলার পরও ‘ইসরায়েল নীতি’ পরিবর্তন করবে না যুক্তরাষ্ট্র


ওয়াশিংটন, ২৯ মে – গাজার রাফায় প্রাণঘাতী হামলার পরও ইসরায়েলের প্রতি মার্কিন নীতি বা সামরিক সহায়তায় কোনো পরিবর্তন হবে না বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মঙ্গলবার (২৭ মে) হোয়াইট হাউজে সাংবাদিকদের এ কথা বলেছেন মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের মুখপাত্র জন কিরবি।

তিনি বলেন, রাফাহতে বড় ধরনের কোনো স্থল অভিযান হয়নি যা মার্কিন রেড লাইন অতিক্রম করে। এর আগে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন সতর্ক করে বলেছিলেন, রাফাহ শহরে ইসরায়েল যে কোনো বড় ধরনের হামলা দেশটিতে মার্কিন অস্ত্র সরবরাহ বন্ধ করে দিতে পারে। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এই খবর জানিয়েছে।

সপ্তাহান্তে রাফাহতে হওয়া এই ঘটনাগুলোকে ‘মৃত্যু ও ধ্বংস’ হিসেবে বিবেচনা করা যায় কিনা এবং এর ফলে মার্কিন অস্ত্র সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়া হবে কিনা কিরবির কাছে তা জানতে চাইলে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ইসরায়েলিরা বলেছে এটি একটি দুঃখজনক ভুল ছিল।

এসময় কিরবি বলেন, আমরা এটাও বলেছি যে রাফাহতে আমরা একটি বড় ধরনের স্থল অভিযান দেখতে চাই না যেটি ইসরায়েলিদের জন্য ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি এবং সম্ভাব্য বিপুল সংখ্যক মৃত্যু ছাড়াই হামাসকে ধ্বংস করা কঠিন করে তুলবে। আমরা এখনও সেরকম কিছু দেখিনি।

ইসরায়েলের এ ধরনের হামলা বাইডেনকে একটি কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি করতে পারে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে কিরবি বলেন, এর পরিবর্তে ইসরায়েল যেভাবে অভিযান পরিচালনা করছে তাতে দেশটির আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় থেকে আরও বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ার একটি বাস্তব আশঙ্কা রয়েছে। কিরবি বলেছিলেন, সুতরাং স্পষ্টতই এটি উদ্বেগের বিষয়। কেননা, এটি ইসরায়েলের সর্বোত্তম স্বার্থ রক্ষা করবে না। এবং আমরাও চাই না বিশ্ব মঞ্চে ইসরায়েল ক্রমবর্ধমানভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ুক।

রাফাহতে হওয়া সাম্প্রতিক মৃত্যুর নিয়ে মার্কিন প্রশাসনের মঙ্গলবারের প্রতিক্রিয়ার সমালোচনা করেছেন মানবাধিকার এবং আরব আমেরিকান গোষ্ঠীগুলো। আমেরিকান-ইসলামিক সম্পর্ক বিষয়ক কাউন্সিলের নির্বাহী পরিচালক নিহাদ আওয়াদ বলেছেন, দুঃখজনকভাবে রাফাহতে নেতানিয়াহুর যুদ্ধাপরাধকে সমর্থন করার জন্য আরো বোমা পাঠানোর ওপর জোর দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট বাইডেন। ফলে ইসরায়েলি গণহত্যার পাশাপাশি এটি এখন আমেরিকান গণহত্যাও।

গাজার মাটিতে ঘটে যাওয়া এসব ঘটনা বর্ণনা করতে ‘গণহত্যা’ শব্দটি ব্যবহার করার নিন্দা করেছেন ইসরায়েলি এবং মার্কিন কর্মকর্তারা।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলছে, ইসরায়েলের আক্রমণে গাজায় এখন পর্যন্ত ৩৬ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।

ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের মতে, ৭ অক্টোবর ইসরায়েলি ভূখণ্ডে হামাসের হামলায় প্রায় এক হাজার ২০০ ইসরায়েলি নিহত হন। তখন ২৫০ জনেরও বেশি মানুষকে জিম্মি করে গাজায় নিয়ে যান সশস্ত্র যোদ্ধারা।

সূত্র: ডেইলি-বাংলাদেশ
আইএ/ ২৯ মে ২০২৪





আরো খবর: