শিরোনাম ::
জার্মানিতে বাড়িতে বিস্ফোরণ, আগুন পুড়ে মৃত্যু ৩ টেকনাফে র‍্যাবের অভিযানে কোটি টাকার আইসসহ আটক-১ সংস্কারের অভাবে মরণ ফাঁদে পরিণত উখিয়ার রুমখাঁপালং-হাতিরঘোনা স্কুল সড়ক উখিয়ায় ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী চশমা মার্কার সমর্থনে প্রচারণা উখিয়ায় হ্যান্ডগ্রেনেড ও বিপুল পরিমাণ অস্ত্রসহ চার রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী গ্রেফতার মেরিন ড্রাইভে রেন্ট বাইক দুর্ঘটনায় সদ্য বিবাহিত পর্যটকসহ নিহত ২ কবর দেওয়ার চারদিন পর বৃদ্ধকে জীবিত উদ্ধার তারুণ্যের বার্তা নিয়ে মানুষের দ্বারে দ্বারে প্রার্থী ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী সাংবাদিক রাসেল আজ থেকে মাঠে নামছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ইসরায়েলকে গাজায় আগ্রাসনের ‘অজুহাত’ করে দিয়েছে হামাস
সোমবার, ২০ মে ২০২৪, ০২:৫৮ পূর্বাহ্ন
নোটিশ::
কক্সবাজার পোস্ট ডটকমে আপনাকে স্বাগতম..  

যুদ্ধে যেতে আপত্তি, ইসরায়েলি তরুণের কারাদণ্ড

প্রতিবেদকের নাম:
আপডেট: শনিবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০২৩
যুদ্ধে যেতে আপত্তি, ইসরায়েলি তরুণের কারাদণ্ড


জেরুজালেম, ৩০ ডিসেম্বর – ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ইসরায়েল-হামাসের যুদ্ধ নিয়ে আপত্তি থাকায় ইসরায়েলি সেনাবাহিনী আইডিএফে যোগ দিতে না চাওয়ায় দেশটির এক তরুণকে এক মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

সাজাপ্রাপ্ত ওই যুবকের নাম তাল মিতনিক। ১৮ বছর বয়সী এই তরুণ রাজধানী তেল আবিবের বাসিন্দা। তাকে বর্তমানে একটি সামরিক কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

৭ অক্টোবর থেকে গাজায় হামলা চালিয়েছে আসছে ইসরায়েল। ইসারয়েলি হামলা শুরুর পর সেনাবাহিনীতে যোগদানে আপত্তি তোলায় কারাদণ্ডপ্রাপ্ত প্রথম ব্যক্তি তাল মিতনিক।

ইসরায়েলি সংসবাদমাধ্যম জেরুজালেম পোস্টের খবরে বলা হয়েছে, ইসরায়েলি নাগরিকদের জীবনের একটি সময় বাধ্যতামূলক আইডিএফে কাজ করতে হয়। আর সরকারের এই নীতির বিপক্ষে কাজ করে মেসারভট নেটওয়ার্ক। সেনাবাহিনীতে যোগদান নিয়ে নিজের আপত্তির কথা জানাতে মেসারভটের বেশ কয়েক জন তরুণ কর্মীকে সঙ্গে নিয়ে তেল হাশোমার সেনা নিয়োগকেন্দ্রে যান তাল মিতনিক। সেখানে গেলে বিচার শেষে তাল তাকে ৩০ দিনের কারাদণ্ড দিয়ে সামরিক কারাগারে পাঠানো হয়।

এক বিবৃতিতে ইসরায়েলি তরুণ তাল মিতনিক বলেছেন, সহিংসতার মাধ্যমে সুরক্ষা আসবে, তা মানতে আমি রাজি নয়। আমি প্রতিশোধের যুদ্ধে অংশ নিতে রাজি হয়নি। আমি এমন এক পরিবারে বড় হয়েছি যেখানে জীবনকে পবিত্র হিসেবে দেখা হয়। যেখানে আলোচনাকে মূল্য দেওয়া হয়। যেখানে সহিংস ব্যবস্থার আগে সব সময় বিতর্ক ও বোঝাপড়ার বিষয়টি সামনে আসে।

তিনি আরও বলেন, আমাদের একটা সত্য অবশ্যই স্বীকার করতে হবে। সেটা হলো গাজায় কয়েক সপ্তাহের স্থল অভিযান শেষে সমঝোতা ও চুক্তির মাধ্যমেই বন্দিদের মুক্তি নিশ্চিত হয়েছে। অন্যদিকে সামরিক পদক্ষেপে তাদের মৃত্যু হয়েছে। এমনকি সাদা পতাকা উড়িয়ে হিব্রু ভাষায় সাহায্যের আবেদন করলেও বন্দিদের গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। এমন ঘটনা আরও কত ঘটেছে যেগুলোর কোনো তদন্ত পর্যন্ত হয়নি। কারণ তারা ভুলবশত সীমানার ওই পাড়ে জন্মগ্রহণ করেছে।

সূত্র: কালবেলা
আইএ/ ৩০ ডিসেম্বর ২০২৩





আরো খবর: