বুধবার, ১৭ জুলাই ২০২৪, ০৫:১৬ অপরাহ্ন
নোটিশ::
কক্সবাজার পোস্ট ডটকমে আপনাকে স্বাগতম..  

মহাকাশে পাঠানো রকেটটি ধ্বংস করে দিল জাপান

প্রতিবেদকের নাম:
আপডেট: মঙ্গলবার, ৭ মার্চ, ২০২৩


পূর্ব এশিয়ার দেশ জাপান জানিয়েছে, মঙ্গলবার (৬ মার্চ) মহাকাশে পাঠানো একটি মিডিয়াম-লিফট রকেট ধ্বংস করে দিয়েছে তারা। রকেটটির দ্বিতীয় ইঞ্জিনটি চালু হতে ব্যর্থ হওয়ার পর এটি মহাকাশেই ধ্বংস করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় দেশটি।

মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্কের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা স্পেসএক্সের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার যে চেষ্টা জাপান করছে, এই রকেট ধ্বংস করার মাধ্যমে সেক্ষেত্রে বড় ধরনের ধাক্কা খেল টোকিও।

গত মাসে জাপান এরোস্পেস এক্সপ্লোরেশন এজেন্সি (জাক্সা) তাংশিমা মহাকাশ বন্দর থেকে ১৮৭ ফুট লম্বা এইচ৩ রকেটটি উৎক্ষেপণ করা হয়। জাক্সা জানিয়েছে, ইঞ্জিনে ত্রুটির কারণে তারা এটি ধ্বংস করার সিগন্যাল পাঠায়।

এইচ৩ রকেটটি এএলওএস-৩ নামের একটি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা স্থল পর্যবেক্ষক স্যাটেলাইট বহন করছিল। ওই স্যাটেলাইটটিতে পরীক্ষামূলক ইনফ্রারেড সেন্সর ছিল। যা উত্তর কোরিয়ার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ পর্যবেক্ষণ করার জন্য তৈরি করা হয়েছিল।

এ ঘটনার পর বুধবার এইচ৩ রকেটটির নির্মাতা মিতসুবিশি হেভি ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের (এমএইচআই) শেয়ারের মূল্য ১ দশমিক ৮ শতাংশ কমে গেছে।

নতুন সিম্পলার, কম মূল্যের ইঞ্জিনের রকেটটি তৈরিতে থ্রিডি প্রিন্টারে তৈরি যন্ত্রাংশ ব্যবহার করা হয়েছিল। সরকারি ও বেসরকারি স্যাটেলাইট মহাকাশে নেয়ার জন্য এই রকেটটি ডিজাইন করা হয়েছিল। এছাড়া আন্তর্জাতিক মহাকাশ কেন্দ্রে পণ্য সরবরাহও ছিল এটি তৈরির উদ্দেশ্য।

রকেটটির নির্মাতা এমএইচআই জানিয়েছিল, তাদের এইচ২ রকেট উৎক্ষেপণ করতে যে পরিমাণ অর্থ প্রয়োজন, সেই অর্থের প্রায় অর্ধেক খরচে এইচ৩ রকেট উৎক্ষেপণ করা সম্ভব হবে। এরমাধ্যমে মহাকাশ গবেষণায় স্পেসএক্সের পুনরায় ব্যবহারযোগ্য ফ্যালকন ৯ রকেটের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা যাবে এবং আরও বেশি বিনিয়োগ পাওয়া সম্ভব হবে।

গত সেপ্টেম্বরে সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিস এক প্রতিবেদনে জানিয়েছিল, মহাকাশে স্যাটেলাইট পাঠাতে স্পেসএক্সের ফ্যালকন ৯ রকেটে প্রতি কিলোগ্রামে খরচ পড়ে ২ হাজার ৬০০ ডলার। সেখানে এইচ২ রকেটে একই কাজ করতে লাগে ১০ হাজার ৫০০ ডলার।

আইএ/ ০৭ মার্চ ২০২৩


আরো খবর: