বুধবার, ২৪ জুলাই ২০২৪, ০৬:১০ পূর্বাহ্ন
নোটিশ::
কক্সবাজার পোস্ট ডটকমে আপনাকে স্বাগতম..  

বিধায়ক পুত্রের বাড়ি থেকে উদ্ধার কাড়ি কাড়ি টাকা

প্রতিবেদকের নাম:
আপডেট: শনিবার, ৪ মার্চ, ২০২৩
বিধায়ক পুত্রের বাড়ি থেকে উদ্ধার কাড়ি কাড়ি টাকা


কলকাতা, ০৩ মার্চ – কর্ণাটকের এক বিজেপি বিধায়কের পুত্র প্রশান্ত মাদলের বাড়িতে পাওয়া গেছে ৮ কোটি রুপির বেশি পরিমাণে নগদ অর্থ। তিনি একজন আমলা এবং ঘুষ নিতে গিয়ে তিনি ধরা পড়েছেন বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম এনডিটিভি।

লোকায়ুক্তের দুর্নীতি দমন শাখা অভিযান চালিয়ে এই বিপুল পরিমাণ অর্থ জব্দ করা হয়েছে।

বিজেপি শাসিত রাজ্যের ন্যায়পালের নাম মাদল বিরুপাক্ষপ্পা। বৃহস্পতিবার তার ছেলে প্রশান্ত মাদল ঘুষ নিতে গিয়ে ধরা পড়ার পরে তার বাড়ি থেকে ৬ কোটি রুপি এবং তার অফিস থেকে ১ কোটি ৭৫ লাখ রুপি উদ্ধার করা হয়।

সূত্রের মতে, বিধায়ককে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না এবং তিনি প্রাক-গ্রেপ্তার জামিনের জন্য আবেদন করেছেন। গভীর রাত পর্যন্ত তার বাড়িতে তল্লাশি চলে।

দাভানাগেরে জেলার চান্নাগিরির বিধায়ক মাদল বিরুপাক্ষপ্পা ছিলেন রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন কর্ণাটক সোপস অ্যান্ড ডিটারজেন্টস লিমিটেডের (কেএসডিএল) চেয়ারম্যান। কোম্পানিটি বিখ্যাত মহীশূর স্যান্ডেল সাবান তৈরি করে। এই কেলেঙ্কারির জেরে আজ সকালে তিনি পদত্যাগ করেন। তার ছেলে বেঙ্গালুরু জল সরবরাহ ও পয়ঃনিষ্কাশন বোর্ডের প্রধান হিসাবরক্ষক।

কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী বাসভরাজ বোমাইকে একটি চিঠিতে বিরুপাক্ষপ্পা বলেছেন, ‘আমার পরিবারের বিরুদ্ধে কিছু ষড়যন্ত্র চলছে। আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকায় আমি নৈতিক দায়বদ্ধতার অধীনে পদত্যাগ করছি।’

বৃহস্পতিবার, কর্ণাটক লোকায়ুক্ত অফিসাররা কেএসডিএল অফিসে বিরুপাক্ষপ্পার ছেলেকে ৪০ লাখ রুপি ঘুষ নেওয়ার সময় হাতেনাতে ধরে এবং তাকে গ্রেপ্তার করে। অফিসে কমপক্ষে তিন ব্যাগ নগদ অর্থ পাওয়া গেছে এবং সেগুলো জব্দ করা হয়েছে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

কর্ণাটক লোকায়ুক্ত বলেছেন, ‘গতকাল লোকায়ুক্তের দুর্নীতি দমন শাখা বিজেপি বিধায়ক মাদল বিরুপাক্ষপ্পার ছেলে প্রশান্ত মাদলকে ৪০ লক্ষ রুপি ঘুষ নেওয়ার সময় ধরেছে। তার অফিস থেকে ১ কোটি ৭০ লাখ রুপির বেশি নগদ উদ্ধার করা হয়েছে।’

ন্যায়পাল বলেছেন, তারা ২০০৮-ব্যাচের কর্ণাটক প্রশাসনিক পরিষেবা কর্মকর্তা প্রশান্ত মাদল সম্পর্কে একটি অভিযোগ পেয়েছিলেন, যিনি সাবান এবং অন্যান্য ডিটারজেন্ট তৈরির কাঁচামালের চুক্তির জন্য এক ঠিকাদারের কাছ থেকে ৮১ লাখ রুপি দাবি করেছিলেন।

লোকায়ুক্ত বিএস পাতিল বলেছেন, পরে এ বিষয়ে মামলা দায়ের করা হয়। তার ভিত্তিতে আমরা ফাঁদ বিছিয়েছি। ঘুষ নিয়ে আসা তিনজনসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। (বিজেপি বিধায়কের ভূমিকা খুঁজতে) তদন্ত করা হচ্ছে। সরকারের পক্ষ থেকে কোনো চাপ নেই।’

মুখ্যমন্ত্রী বোমাই বলেছেন, ন্যায়পাল স্বাধীন তদন্ত করবেন। বিরোধী কংগ্রেসকেও আক্রমণ করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং দলের প্রধান জেপি নাড্ডার রাজ্যে ঘন ঘন সফর এবং মহৎ ঘোষণার নেতৃত্বে কর্ণাটক বিজেপির আরেকটি মেয়াদে জয়ী হওয়ার প্রচেষ্টা রাজ্য সরকারের দুর্নীতির অভিযোগের দ্বারা প্রতিহত হয়েছে।

সূত্র: ঢাকাটাইমস
আইএ/ ০৩ মার্চ ২০২৩





আরো খবর: