শিরোনাম ::
চকরিয়া কলেজ মাঠে ফাইতং ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান জালাল উদ্দিন কোম্পানির জানাজা রামুতে রান্নাঘরে রাতের খাবার খাওয়ার সময় পাহাড় ধ্বসে একই পরিবারের ৪ জনের মৃত্যু আগামী নির্বাচনে কক্সবাজারে নৌকায় ভোট চাইলেন প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজারে ২৯ প্রকল্পের উদ্বোধন ও ৪ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী সংঘাত নয়, আমরা সমঝোতায় বিশ্বাসী -প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে স্বাগত জানিয়ে কক্সবাজারে স্মরণকালের বৃহত্তম মিছিল- শোডাউনে এমপি জাফর চকরিয়ায় ডাকাতির প্রস্ততিকালে ২ ডাকাত গ্রেফতার, দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার জীবনের শেষমুহুর্তে হলেও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করতে চান চকরিয়ার মুজিবপ্রেমি জাফর কক্সবাজারে নৌকার আদলে জনসভার মঞ্চ, থাকছে ৫ স্তরের নিরাপত্তা জনসভার এক দিন আগেই কক্সবাজারে আ.লীগের নেতাকর্মীরা
বৃহস্পতিবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২২, ০৪:৫১ পূর্বাহ্ন
নোটিশ::
কক্সবাজার পোস্ট ডটকমে আপনাকে স্বাগতম..

বান্দরবানের দুর্গম অঞ্চলে ঝরে পড়া শিশুদের জন্য উদ্বোধন শিশু প্রতিভা বিকাশ কেন্দ্রের

প্রতিবেদকের নাম:
আপডেট: শনিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২২

রিমন পালিত: বান্দরবান প্রতিনিধি::

পার্বত্য বান্দরবানের দুর্গম অঞ্চলে ৭০ স্কুলের মাধ্যমে শিক্ষা থেকে ঝরে পড়া শিশুদের জন্য উদ্বোধন করা হয়েছে শিশু প্রতিভা বিকাশ কেন্দ্র ।

আজ ২৪ সেপ্টেম্বর শনিবার সকালে বান্দরবানের খানসামা পাড়ায় জেলা শিক্ষা উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর আয়োজনে শিশু প্রতিভা বিকাশ কেন্দ্রের সহযোগিতায় এ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করা হয়।

শিশু প্রতিভা বিকাশ কেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক আব্দুল্লাহ আল নোমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে সমাজের ঝরে পড়া দুর্গম পার্বত্য অঞ্চলের শিশুদের জন্য শিশু প্রতিভা বিকাশ কেন্দ্রের উদ্বোধন করেন উপ আনুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর মহা পরিচালক এনডিসি মোঃ নুরুজ্জামান শরীফ ।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর মুর্শিদা বেগম, মোহাম্মদ রুকুন উদ্দীন সরকার, রিপন লস্কর, মোঃ মনজুর আহমেদ ।

এই সময় আরো অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন প্রকাশ বন কেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক আমানুল হাসান তাইমুর সহ আরো অনেকে।

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে অতিথিরা বলেন প্রথম যাত্রায় ৭০ টি স্কুলের মাধ্যমে বান্দরবানের দুর্গম এলাকায় অবহেলিত ও ঝরে পড়া শিশুদের জন্য এই প্রতিভা বিকাশ কেন্দ্রের উদ্বোধন করা হয়েছে । পাহাড়ের দুর্গম এলাকায় যে সমস্ত শিশুরা পড়াশোনা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে তারা যাতে প্রতিদিন নির্দিষ্ট একটি সময়ে তাদের কাজকর্ম শেষে দুই ঘন্টা পড়াশোনা করে অন্তত নিজেকে কিছুদূর এগিয়ে যেতে পারে সেজন্য এ কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। পরবর্তীতে কেক কাটার মাধ্যমে এ অনুষ্ঠানের সমাপ্তি করা হয়।


আরো খবর: