সোমবার, ১৫ জুলাই ২০২৪, ০৬:০৬ পূর্বাহ্ন
নোটিশ::
কক্সবাজার পোস্ট ডটকমে আপনাকে স্বাগতম..  

নৌকা হলো উন্নয়নের প্রতীক – DesheBideshe

প্রতিবেদকের নাম:
আপডেট: মঙ্গলবার, ১৯ ডিসেম্বর, ২০২৩
নৌকা হলো উন্নয়নের প্রতীক - DesheBideshe


ঢাকা, ১৮ ডিসেম্বর – দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দলীয় প্রতীক নৌকা বরাদ্দ পাওয়ার পর মানিকগঞ্জ-২ আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য মমতাজ বেগম বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমার ওপর আস্থা ও বিশ্বাস রেখে তৃতীয়বারের মতো আমাকে নৌকা প্রতীক দিয়েছেন। আজকে আমি প্রতীক বরাদ্দ পেলাম, আমার মার্কা নৌকা। আমি বিশ্বাস করি এই নৌকা মার্কা সকলের পরিচিত মার্কা। নৌকা হলো উন্নয়নের মার্কা।

সোমবার (১৮ ডিসেম্বর) দুপুরে দলীয় প্রতীক নৌকা মার্কা বরাদ্দ পাওয়ার পর সাংবাদিকদের দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

মমতাজ বলেন, আগামী ৭ জানুয়ারি অবাদ, সুষ্ঠু ও সুন্দর ভোট হবে। নির্বাচনে সকলের অংশগ্রহণের মাধ্যমে জনগণ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবে এবং তারা নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে আমাকে জয়যুক্ত করবে। আমরা যে উন্নয়নের কাজটা শুরু করেছি, কিছু অসমাপ্ত উন্নয়নমূলক কাজ শেষ করার জন্য আমার নির্বাচনী এলাকার ভোটাররা নৌকায় ভোট দিয়ে আবারও আমাকে এমপি বানিয়ে সংসদে পাঠাবেন এবং শেখ হাসিনাকেও আবার দেশের প্রধানমন্ত্রী বানাবেন বলে আমি বিশ্বাস করি।

নিজ দলের একাধিক স্বতন্ত্র প্রার্থীসহ অনেকগুলো প্রার্থীর মধ্যে ভোটের মাঠে লড়াই হবে কিনা? এমন প্রশ্নের উত্তরে মমতাজ বলেন, আমি খুবই খুশি আমার নির্বাচনী আসনে অনেকগুলো প্রার্থী আছে এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীর সংখ্যা বেশি। স্বতন্ত্র প্রার্থীরাও দলের মনোনয়ন চেয়েছিলেন, তবে তারা মনোনয়ন না পেয়ে নৌকার সঙ্গে বিদ্রোহ করে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন। তারা দলের বড় বড় পদধারী নেতাও। আমি মনে করি বিদ্রোহী, স্বতন্ত্র বা ডামি প্রার্থী যাই বলি না কেন কোনো দিকে মানুষ যাবে না। সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের মানুষ উন্নয়নের মার্কা নৌকাকেই বেছে নেবে। নৌকায় ভোট দিয়ে জনগণ আমাকে এমপি হিসেবে আবারও নির্বাচিত করবে বলে আশা করি।

ভোটের মাঠে প্রভাব বিস্তার করা বা টাকা ছড়াছাড়ির বিষয়ে তিনি বলেন, মাঠে অনেক রকমের কথাই আছে, প্রচারণা আছে। আমি মনে করি এই বিষয়টি আমাদের নির্বাচন কমিশনের অধীনে, তারাই এটা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখবে। আর যদি কেউ কালো টাকার ছাড়ছাড়ি করে তাহলে নির্বাচন কমিশন অবশ্যই আইনগত ব্যবস্থা নেবে।

আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিষয়ে মমতাজ বেগম বলেন, আমার আসনে অন্য প্রার্থীদেরও আচরণবিধি লঙ্ঘন আছে। আর আমাকে যে নোটিশটি করা হয়েছে- আমি এত বড় একটা দলের প্রার্থী এবং উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, সেহেতু আমার বাসায় অনেক লোকজন ও নেতা-কর্মীর আসা-যাওয়া করে থাকে, তাই এই অভিযোগটি করা হয়েছে। বিষয়টি তেমন গুরুতর নয়। আমার আইনজীবী সেটার (শোকজ) জাবাব দিয়েছেন।

দুপুরে জেলা প্রাশাসকের কার্যালয়ে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য প্রার্থীদের প্রতিক বরাদ্দ দেন জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা রেহেনা আকতার। এ সময় জেলার তিনটি সংসদীয় আসনের ২০ জন প্রার্থীকে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়। এর মধ্যে মানিকগঞ্জ-২ আসনে নৌকা প্রতীক পেয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মমতাজ বেগম। এছাড়াও মানিকগঞ্জ-৩ আসনের প্রার্থী ও স্বাস্থমন্ত্রী জাহিদ মালেক নৌকা প্রতীক পেয়েছেন।

আইএ/ ১৮ ডিসেম্বর ২০২৩





আরো খবর: