শিরোনাম :
জেলে পরিবারে চলছে নিরব দুর্ভিক্ষ কুতুবদিয়া থানার নতুন ওসি হিসেবে যোগদান করলেন ওমর হায়দার কক্সবাজারে বৃহস্পতিবার ৫৯ জনের করোনা শনাক্ত কক্সবাজারে রোহিঙ্গাদের পাসপোর্ট দেয়ায় ৩ পুলিশ পরিদর্শকসহ ১৭ জনের নামে মামলা সৌদিতে কারগাড়ির চাপায় চকরিয়ার যুবক নিহত, বাড়িতে শোকের মাতম চকরিয়ায় যাত্রীবেশী দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে টমটম চালক খুন জেলা আওয়ামী লীগের সঙ্গে ভুল বুঝাবুঝির অবশান, শেষে চকরিয়ায় এমপি জাফর ও লিটুকে গণসংবর্ধনা চকরিয়ায় বনের উপর নির্ভশীল ভিসিএফ সদস্যদের মধ্যে ক্ষুদ্র মূলধনের ২২ লক্ষ টাকা অনুদান বিতরণ টেকনাফে মাদক কারবারীর বাড়ি থেকে ইয়াবাসহ রোহিঙ্গা আটক চকরিয়ায় ২ হাজার ৪শ ইয়াবাসহ পাচারকারী ৩ নারী আটক
শুক্রবার, ১৮ জুন ২০২১, ০৯:০৬ পূর্বাহ্ন
ঘোষণা:
কক্সবাজার পোস্টে আপনাকে স্বাগতম, আমাদের সাথে থাকুন,কক্সবাজারকে জানুন......

নাইক্ষ্যংছড়িতে পাহাড় কাটা বেড়েই চলছে

প্রতিবেদকের নাম::

প্রকাশ: এপ্রিল ২১, ২০১৮ ১০:৩৭ অপরাহ্ণ | সম্পাদনা: এপ্রিল ২১, ২০১৮ ১০:৩৭ অপরাহ্ণ

কক্সবাজার পোস্ট ডটকম ::
নাইক্ষ্যংছড়ির বাইশারীতে থামছে না পাহাড়া কাটা। পরিবেশ সংরক্ষণ আইনে পাহাড় কাটা নিষেধাজ্ঞা থাকলেও নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার বাইশারীতে প্রশাসনের কঠোর নজরদারিতেও থামছেনা পাহাড় কাটা। উল্টো বেড়েই চলছে একের পর এক পাহাড় কাটা ঘটনা।

বাইশারী ইউনিয়নের লম্বাবিল তিতার পাড়া আব্দুল শুক্কুর, আব্দুর মালেক, কবির কোম্পানী ও আব্দুর রহমান কোন প্রকার অনুমতি না নিয়েই বাড়ী তৈরী উদ্দেশ্যে পাহাড় কেটে পরিবেশ ধ্বংস করছে।

স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে ভাড়াকৃত ড্যাম্পারের মালিক মৃত চাঁদ মিয়ার পুত্র মুফিজুর রহমান লম্বাবিল তিতার পাড়া, তুফান আলী পাড়া, ৪০ থেকে ৪৫ ফুট উচু তিনটি পাহাড় কেটে বিভিন্ন এলাকায় ফসলী জমি, দোকান ঘর, কলোনী ভরাটসহ বিভিন্ন স্থানে মাটি পাচার করছে।

জানতে চাইলে ইউপি চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলম কোম্পানী বলেন, পাহাড় কাটা সম্পর্কে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। আমি এক এক করে দুই বার মাইকিং করেছি। কোন প্রকার পাহাড় ও টিলা কাটা এবং খাল থেকে বালু উত্তোলন করা যাবে না।

নাইক্ষ্যংছড়ি থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ আলমগীর শেখ বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর পাহাড় কাটা বন্ধে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তাছাড়া পার্বত্য অঞ্চলে পাহাড় কাটা বিষয়ে জেলা প্রশাসনে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। পাহাড় কাটার অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে অবশ্যই আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।

জানা যায়, এলাকার কয়েকটি স্থানে দীর্ঘদিন ধরে পাহাড় কাটা চলছে। পাহাড় কাটার কারণে বেশ কিছু বন জঙ্গল কাটা পড়ছে। ন্যাড়া হয়ে পড়েছে বিশাল এলাকা। এভাবে পাহাড় কাটা অব্যাহত থাকলে খুব শিঘ্রই পরিবেশ ও জীব বৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়বে। কিন্তু এসব বন্ধে স্থানীয় প্রশাসন রহস্যজনক কারনে কোন ভুমিকা রাখছেনা।

ভাড়াকৃত ড্যাম্পারের মালিক মুফিজুর রহমানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি এক মাসের মধ্যে ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা আয় করেছি। আমার গাড়ি চলবে। বসিয়ে রাখার জন্য আমি গাড়ী ভাড়া করে আনিনি। প্রশাসন আমার হাতের মুঠে। আমি যা বলব তাই করবে। আমাকে কেউ কিছু করতে পারবে না বলে তিনি জানান।

সরেজমিনে দেখা গেছে, মুফিজুর রমানের নেতৃত্বে ১০ থেকে ১২জন শ্রমিক কোদাল ও বেলচা ব্যবহার করে মাটি কেটে বিক্রি করছে বিভিন্ন স্থানে। দিন দিন বেড়েই চলছে বাইশারী ইউনিয়নের পাহাড় কাটা। এতে পাহাড়ের নিচে বা আশে পাশে যারা বসবাস করছে তারা খুব ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাস করছে।

এতে যেকোন সময় পাহাড় ধ্বসে বড় ধরনের দূর্ঘটনা ও প্রাণহানী আশংকা বিরাজ করছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে পাহাড় কাটার বিরুদ্ধে বড় কোন কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় প্রশাসনের ভুমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন পরিবেশবাদীরা।

স্থানীয় অনকে ব্যক্তি বলা বলি করেন মুফিজুর রহমানের খুটি জোর কোথায়? তিনি কোন কিছু মানছেন না কেন?। পাহাড় কাটা পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর। এই কার্যক্রম পরিচালনা ক্ষমতা সরকার কাউকে দেয়নি। তাছাড়া পরিবেশ আইনে পাহাড় কাটার জন্য কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আইনে বলা আছে। তবুও কার শক্তিতে পাহাড় কাটা থামছে না।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস,এম সরোয়ার কামাল এর নিকট জানতে চাইলে তিনি পাহাড় কাটায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থ গ্রহণ করা হবে বলে জানান।

কক্সবাজার পোস্ট.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
কক্সবাজার পোস্ট সব ধরনের আলোচনা-সমালোচনা সাদরে গ্রহণ ও উৎসাহিত করে। অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য পরিহার করুন। এটা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ
এই জাতীয় আরো খবর::

সর্বশেষ