শিরোনাম :
পেকুয়ায় গরুর খামার ও মুরগীর ফার্মে বিদ্যুৎ ষ্পৃষ্ঠে দুই যুবকের মৃত্যু মহেশখালীতে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের উপবৃত্তির টাকা আত্মসাৎ, শিক্ষকসহ আটক-২ রামুতে পর্নোগ্রাফি ও ধর্ষণ মামলার আসামী পুলিশের হাতে আটক সিনহা হত্যায় জড়িত নয় ওসি প্রদীপ, দাবি আইনজীবীর চকরিয়ায় মহাসড়কে ইজিবাইক উল্টে গৃহবধুর মৃত্যু নাফ নদের চর হতে আরও এক শিশুর লাশ উদ্ধার উখিয়ায় ইয়াবাসহ রোহিঙ্গা নারী আটক উখিয়ায় ইয়াবা ও নগদ টাকাসহ চার মাদক কারবারি আটক: সিএনজি ও মোটরসাইকেল জব্দ চকরিয়ায় সব পর্যটন স্পট কমিনিউটি সেন্টার ও বিনোদন কেন্দ্র বন্ধ থাকবে দুইদফায় স্থগিত হলো চকরিয়া পৌরসভা নির্বাচন হতাশায় ভোটার, খরচের খাতা দীর্ঘ হচ্ছে প্রার্থীদের!
রবিবার, ১৩ জুন ২০২১, ১১:৫৪ অপরাহ্ন
ঘোষণা:
কক্সবাজার পোস্টে আপনাকে স্বাগতম, আমাদের সাথে থাকুন,কক্সবাজারকে জানুন......

নতুন কর্মসূচি দিয়ে হলে ফিরেছেন আন্দোলনকারীরা

প্রতিবেদকের নাম::

প্রকাশ: এপ্রিল ৯, ২০১৮ ৮:২৬ অপরাহ্ণ | সম্পাদনা: এপ্রিল ৯, ২০১৮ ৮:২৬ অপরাহ্ণ

ডেস্ক রিপোর্ট ::
সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারসহ পাঁচ দফা দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সরকারের পক্ষ থেকে দাবি পূরণের আশ্বাস দেওয়া হলেও তাদের একাংশ আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। এ অংশটি ১০ এপ্রিল মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে আবার টিএসসির রাজু ভাস্কর্যে ফের অবস্থান শুরু করবেন।

আন্দোলনকারীদের এ অংশের অভিযোগ, আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেওয়ার পর তারা রাজু ভাস্কর্যের সামনে অবস্থান নেন। এ সময় টিএসসির আশপাশে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ঘোরাঘুরি করায় তারা নিরাপদ মনে করেননি। তাই আন্দোলন সোমবারের মতো স্থগিত করে হলে ফিরছেন।

এ অংশের মুখপাত্র বিপাশা চৌধুরী নামের এক শিক্ষার্থী সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করে বলেন, ‘আমাদের আশপাশে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ঘোরাঘুরি করছেন। নিরাপদ মনে না করে আজকের মতো আন্দোলন স্থগিত করা হলো।’

তিনি আরও জানান, তারা ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাবেন। পর দিন ১৬ এপ্রিল ‘চল চল ঢাকা চল’ শিরোনামে কর্মসূচি পালন করবেন।

৮ এপ্রিল রবিবার ‘বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের’ ব্যানারে শাহবাগ মোড়ে কোটা সংস্কারের দাবিতে অবস্থান নেন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা। তাদের হটাতে রাত ৮টার দিকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী টিয়ারশেল নিক্ষেপ ও লাঠিচার্জ শুরু করে। এতে বহু শিক্ষার্থী আহত হন। পরে পুলিশের সঙ্গে যোগ দেয় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এতে রাতভর চলে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষ। শাহবাগ থেকে টিএসসি ও বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস পরিণত হয় রণক্ষেত্রে।

সোমবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে কর্মসূচি ও তাদের দাবির কথা আবারও পরিষ্কারভাবে জানান আন্দোলনকারীরা। এরপর রাজু ভাস্কর্যের সামনে অবস্থান নেন তারা। বাড়তে থাকে অবস্থান নেওয়া শিক্ষার্থীদের সংখ্যা।

বিকেল ৪টা থেকে ৬টা পর্যন্ত আন্দোলনকারীদের একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের প্রতিনিধিদলের বৈঠক হয়। এ সময় সেতুমন্ত্রী তাদের দাবি পূরণের আশ্বাস দিলে আগামী ৭ মে পর্যন্ত এ আন্দোলন স্থগিত করা হয়েছে বলে জানানো হয়। যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের কনফারেন্স রুমে এ বৈঠক হয়।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘৭ মে পর্যন্ত আন্দোলন স্থগিত রাখতে সম্মত হয়েছেন। কোটাব্যবস্থা সংস্কারের দাবিগুলোর যৌক্তিকতা ইতিবাচক। তরুণরা এই কোটা সংস্কার আন্দোলন করছেন। তারা আমাদের রাজনীতির অপরিহার্য অংশ, তারাই নতুন প্রজন্ম। আমরা এই পরবর্তী প্রজন্মের জন্যই রাজনীতি করি। তাই শেখ হাসিনার সরকার কখনো তরুণদের যৌক্তিক দাবিকে উপেক্ষা করেনি। সেই ইতিবাচক দৃষ্টিকোণ থেকেই প্রধানমন্ত্রী আমাকে পাঠিয়েছেন। আমার সঙ্গে আমার সহকর্মীরা আছেন।’

এ সময় ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, ‘বিদ্যমান কোটা পদ্ধতি নিয়ে একটা সমাধান খুঁজে পাওয়ার জন্য এরই মধ্যে মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বিশেষ বৈঠকের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। কয়েক মিনিট আগেও প্রধানমন্ত্রী আমাকে বলেছেন, তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে কোটা পদ্ধতি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার নির্দেশ দিয়েছেন। আমি আন্দোলনকারীদের আশ্বস্ত করেছি, তাদের দাবির যৌক্তিকতা আমরা ইতিবাচকভাবে দেখব।’

প্রতিনিধিদল ফিরে এসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে বিক্ষোভকারীদের এ সিদ্ধান্তের বিষয় জানালে তারা ‘ভুয়া’ ‘ভুয়া’ বলে স্লোগান দেন। তারা ‘মানি না মানব না’ বলে স্লোগান দিতে থাকেন।

শিক্ষার্থীরা বলেন, কৌশলে আন্দোলন বন্ধ করার কোনো চক্রান্ত তারা মেনে নেবেন না।

এরপর রাত আটটার দিকে আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসান আল মামুন বলেন, ‘আন্দোলনের বেশিরভাগ শিক্ষার্থী মনে করছেন, তারা স্থগিতের সিদ্ধান্ত মানেন না। তাই যতক্ষণ পর্যন্ত কোটা সংস্কারের তাৎক্ষণিক কোনো সিদ্ধান্ত না আসছে বা প্রজ্ঞাপন জারি না হচ্ছে, ততক্ষণ আমরা আন্দোলন চালিয়ে যাব।’

এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে থমথমে অবস্থা বিরাজ করতে থাকে। ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের মল চত্বর, হাকিম চত্বরসহ টিএসসির আশপাশে অবস্থান নেয়। আবারও রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের শঙ্কা তৈরি হয়। এরপর মঙ্গলবারের কর্মসূচি ঘোষণা করে শিক্ষার্থীরা হলে ফিরেন।

কক্সবাজার পোস্ট.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
কক্সবাজার পোস্ট সব ধরনের আলোচনা-সমালোচনা সাদরে গ্রহণ ও উৎসাহিত করে। অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য পরিহার করুন। এটা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ
এই জাতীয় আরো খবর::