হেলাল উদ্দিন, টেকনাফ :: কক্সবাজার-টেকনাফ আঞ্চলিক সড়কের হোয়াইক্যং ইউনিয়নের ঝিমংখালী এলাকার একটি লোহার বেইলি সেতুর পাটাতনের একাংশ ধসে পড়েছে।

এতে করে ঝুঁকি নিয়ে অভ্যন্তরীণ এলাকার পাশাপাশি জেলা, বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রাম ও ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন বিভাগীয় শহরে দূরপাল্লার যাত্রীবাহী ও পণ্যবাহী নানা ধরনের যানবাহন চলাচল করছে এ সড়ক দিয়ে।

গত সোমবার সকাল সাড়ে দশটার দিকে উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের ঝিমংখালী বাজার ও জামে মসজিদ এলাকায় এ বেইলি সেতুর পাটাতনের পূর্বপাশের একাংশ ধসে গেছে।

এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন হোয়াইক্যং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুর আহমদ আনোয়ারী।

সরেজমিনে দেখা যায়, সেতুর উভয় পাশে বিভিন্ন ধরনের যানবাহনের দীর্ঘ লাইন। লাইন পরিবর্তন করে এক একটি গাড়ি পারাপার করা হচ্ছে। কক্সবাজার-টেকনাফ আঞ্চলিক সড়কের ঝিমংখালী এলাকার বেইলি সেতুর পাটাতন ২-৩টি ধসে পড়েছে। ঝুঁকি নিয়ে যাত্রীবাহী বাসসহ বিভিন্ন ধরনের যানবাহন চলাচল করছে। যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা আশঙ্কাও রয়েছে। সেতুটি উভয় পাশে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে উল্লেখ করে সড়ক ও জনপথ বিভাগ দূইটি সাইনবোর্ড স্থাপন করলেও সেটি অমান্য করে ভারী যানবাহন চলাচল করছে।

এলাকাবাসীরা জানায়, প্রায় ১০-১৫ বছর আগে এখানে একটি কালভার্ট ছিল। সেটি জরাজীর্ণ হয়ে বর্ষা মৌসুমে পাহাড়ি ঢলে কালভার্টটি ধসে পড়ে। এরপর সেটির ওপর একটি লোহার তৈরি বেইলি সেতু স্থাপন করা হয়। গত সোমবার সকালে পাহাড়ি ঢলে আবারও ধসে পড়ে। জরুরী ভিত্তিতে এটি মেরামত করা না হলে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক টেকনাফ স্থলবন্দরের কয়েকজন ব্যবসায়ী বলেন, এ সড়কটির উপর দিয়ে মিয়ানমার থেকে আমদানি করা পণ্য সামগ্রী ভর্তি ট্রাক ও কাভার্ডভ্যানে করে দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করা হচ্ছে। বর্তমানে প্রতি মাসে এ স্থলবন্দর দিয়ে ৮ থেকে ১১ কোটি টাকার রাজস্ব পাচ্ছেন সরকার। সড়কটি একদিন বন্ধ থাকলে সরকার লাখ লাখ টাকার রাজস্ব হারাবে।

জানতে চাইলে স্থলবন্দর পরিচালনাকারী সংস্থা ইউনাইটেড ল্যান্ড পোর্ট লিমিটেড টেকনাফের মহাব্যবস্থাপক (হিসাব) মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন চৌধুরী বলেন, এ সড়ক দিয়ে প্রতিদিন টেকনাফ স্থলবন্দর থেকে প্রায় শতাধিক পণ্যবাহী ট্রাক ও কাভার্ডভ্যানের করে দেশের বিভিন্ন স্থানে পণ্য সামগ্রী পরিবহন করে আসছে।

জানতে চাইলে কক্সবাজার সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপসহকারী প্রকৌশলী কৃতি চাকমা বেইলি সেতুর পাটাতন ধসে পড়ার কথা স্বীকার করে বলেন, সেতুটি গত কিছুদিন আগেও এটি মেরামত করা হয়েছিল। এবার আবারও পাহাড়ি ঢলে সেতুর একাংশ ধসে গেছে। জরুরী ভিত্তিতে মেরামতের কাজ শুরু করা হবে।

এই জাতীয় আরো খবর::

সম্পাদক: সাঈদ মোহাম্মদ আনোয়ার

নির্বাহী সম্পাদক: ফারুক আহমদ
মোবাইল: ০১৮৫৭-৭৩৫৭৩৫
ইমেইল: coxsbazarpost24@gmail.com


কক্সবাজার অফিস: হোটেল তাজসেবা, ২য় তলা,সদর থানার পিছনের সড়ক, পৌরসভার রেষ্ট হাউজ সংলগ্ন, কক্সবাজার।
উখিয়া অফিস: ফরিদ ম্যানশন (১ম তলা), মসজিদ রোড়, কোটবাজার, উখিয়া।
রামু অফিস: এন আমিন প্লাজা (২য় তলা), ফুটবল চত্বর, রামু বাইপাস, রামু।