বুধবার, ১৭ জুলাই ২০২৪, ০৪:৫৯ অপরাহ্ন
নোটিশ::
কক্সবাজার পোস্ট ডটকমে আপনাকে স্বাগতম..  

ছুটি কাটাতে ৯৬ কোটির দুর্গ কিনলেন ওবামা

প্রতিবেদকের নাম:
আপডেট: বৃহস্পতিবার, ৯ মার্চ, ২০২৩
ছুটি কাটাতে ৯৬ কোটির দুর্গ কিনলেন ওবামা


ওয়াশিংটন, ০৮ মার্চ – চার জনের ছোট পরিবার। দুই মেয়ে আর ব্যক্তিত্বময়ী সহধর্মিণীকে নিয়ে আপাতত অখণ্ড অবসরে সাবেক মার্কির প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। আবসরের সময়কে আরও রঙিন করতে তিনি কিনেছেন বিলাসবহুল বাড়ি।

বাড়িটার দেয়াল পাথুরে। ঢালু ছাদ। চারপাশ বেয়ে সটান উঠেছে বেশ কয়েকখানা সূচাগ্র মিনার। প্যাঁচানো ঢেউ খেলানো এক ফালি সিঁড়িও রয়েছে তার গায়ে। আর রয়েছে ঝকঝকে কালো লম্বা লোহার দরজা। একনজর দেখলে ছোটখাট দুর্গই মনে হবে। এই ‘দুর্গের’ ভিতরেই আমেরিকার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার সংসার।

কী নেই সেখানে! ১০টি শোওয়ার ঘর। আড্ডা দেয়ার ঘর, অবসর কাটানোর ঘর, সিনেমা দেখার ঘর, খেলাধুলোর জায়গা, জিম করার ঘর, গ্রন্থাগার, মদ্যপানের ঘর, এমনকি বাড়ির পরিচারক-পরিচারিকাদের জন্যও সুইট রয়েছে এই বাড়ির এক প্রান্তে।

১৯২৮ সালে তৈরি বাড়িটি ছড়িয়ে রয়েছে প্রায় ৮২০০ বর্গফুট এলাকা জুড়ে। সঙ্গে রয়েছে বাড়িটির পিছন দিকে বড় বাগান। বাড়ির প্রবেশপথে রয়েছে লম্বা লন। গাড়ি রাখার দু’টি গ্যারেজ এবং আরও ১০টি গাড়ি পার্ক করার সংলগ্ন এলাকা।

এর আগে বাড়িটি ৫০ লাখ ডলারে কিনেছিলেন আমেরিকার আর এক প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের প্রেস সচিব জো লোখার্ট। তবে জো পরে বাড়িটি ভাড়া দেন। মাসে ২২ হাজার ডলারে ভাড়াই নিয়েছিলেন ওবামা।

তবে আমেরিকার এক সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, সম্প্রতি এই বাড়িটি কিনে নিয়েছেন ওবামা। বাড়িটি আমেরিকার রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিরই একটি অভিজাত পাড়া কালোরামা ডিস্ট্রিক্টে।

এই পাড়ার বাসিন্দা আরও এক প্রাক্তন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট। বিল এবং হিলারি ক্লিন্টনের একটি বাড়ি রয়েছে ওবামার এই বাড়ির খুব কাছেই। এ ছাড়াও প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কন্যা ইভাঙ্কা ট্রাম্প এবং অ্যামাজ়ন প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোসও ওবামার প্রতিবেশী।

একদা শিকাগোর বাসিন্দা ওবামা তার দু’বারের প্রেসিডেন্ট পদের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর ওয়াশিংটন ডিসিতেই থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। তার পরে প্রায় শতবর্ষের দোরগোড়ায় থাকা এই বাড়িটি পছন্দ হয় তার।

বাড়িটি এক রকম সাজানোই ছিল। তবে প্রাক্তন ফার্স্ট লেডি মিশেল ওবামা বরাবরই খুঁতখুঁতে। বাড়িটি কেনার পর নিজের মতো করে সাজিয়ে নিয়েছেন তিনি।

মিশেলের স্নানঘরের ছবি দেখলে বোঝা যায় কতটা মন দিয়ে সব দিক নজরে রেখে সাজানো হয়েছে সব কিছু। প্রাক্তন প্রেসিডেন্টের স্নানঘরে কোনও বাড়তি বিশেষত্ব নেই। যেটুকু দরকার সেটুকু নিয়েই পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন খোলামেলা জায়গা নিয়ে তৈরি। সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা

সূত্র: বাংলাদেশ জার্নাল
আইএ/ ০৮ মার্চ ২০২৩





আরো খবর: