বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০২৪, ১০:০৪ পূর্বাহ্ন
নোটিশ::
কক্সবাজার পোস্ট ডটকমে আপনাকে স্বাগতম..  

আর্থিক অসচ্ছল জনগোষ্ঠীর দোরগোড়ায় স্বাস্থ্য সেবা পৌঁছে দিচ্ছে প্রান্তিক উন্নয়ন সোসাইটি

নিজস্ব প্রতিবেদক :
আপডেট: বুধবার, ২৬ জুন, ২০২৪

প্রান্তিক উন্নয়ন সোসাইটির ২৭ তম স্বাস্থ্য সেবা কার্যক্রমের মাধ্যমে উখিয়া উপজেলা পরিষদের সমাজ সেবা অধিদপ্তরের অওতায় দুঃস্থ ও প্রতিবন্ধ ও স্হানীয় ১১০ জন রোগীকে স্বাস্থ্য সেবা প্রদান করা হয়েছে।

দাতা সংস্থা ওব্যাট কানাডার আর্থিক সহায়তায় চলমান স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও জীবীকায়নের প্রকল্পের আওতায় অনুষ্ঠিত প্রান্তিক উন্নয়ন সোসাইটির এই স্বাস্থ্য সেবা কার্যক্রম যে সকল জনগোষ্ঠী অর্থের অভাবে স্বাস্থ্য সেবা গ্রহণ করতে পারছে না, তাদের দোড় গোড়ায় স্বাস্থ্য সেবা পৌঁছে দিচ্ছে।

প্রান্তিক উন্নয়ন সোসাইটি এই হেলথ্ ক্যাম্পের মাধ্যমে যেসব পরিষেবাগুলি প্রদান করেছে তা হলো- স্বাস্থ্য স্ক্রিনিং, রোগ নির্ণয়, স্বাস্থ্য সেবা মূলক শিক্ষা ও পরামর্শ প্রদান এবং রেজিষ্টার্ড ডাক্তারের সহয়তায় প্রেসক্রিপশনসহ বিনামূল্যে ওষুধ প্রদান। মোট ১১০ জন প্রান্তিক-এর এই স্বাস্থ্য সেবা কর্যক্রমের আওতায় স্বাস্থ্য সেবা গ্রহণ করেছেন। যার মধ্যে ৫ বছরের নীচে ৩ জন বালক এবং ৩ জন বালিকা, এবং ৫ বছর বয়সের অধিক ৬০ জন পুরুষ এবং ৪৪ জন মহিলা ছিলেন।

এই পর্যন্ত প্রান্তিক উখিয়ার বিভিন্ন গ্রামে মোট ২৭ টি মোবাইল স্বাস্থ্য সেবা কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন। এতে সর্বমোট ৩,৬৮৭ জন উপকারভেগী এই স্বাস্থ্য সেবা পেয়েছেন। এর মধ্যে ছিল মোট ২,০৭৬ জন নারী ও ১,৬১১ জন পুরুষ।

উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানভীর হোসেন ২৫ জুন অনুষ্ঠিত স্বাস্থ্য সেবা কার্যক্রম পরিদর্শন করেন, এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সমাজ সেবা অফিসার আল মাহমুদ তার।

প্রান্তিক এর ক্লিনিক ম্যানেজার আব্দুল্লাহ আল আবীর বলেন- “আমরা গর্বিত ও আনন্দিত যে আমাদের এই দক্ষ দলকে নিয়ে আমাদের সকলের কঠোর পরিশ্রম মাধ্যমে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে আমাদের এই স্বাস্থ্য সেবা পৌঁছে দিতে পেরেছি। আমারা ওবাট কানাডার কাছেও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি তাদের এই উদার আর্থিক সহায়তায় জন্য।”

প্রান্তিকের ক্লিনিক ম্যানেজার আব্দুল্লাহ আল আবির আরো জানান, প্রান্তিকের রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ও হোস্ট কমিউনিটিতে হেলথ্ ক্যাম্পের মাধ্যমে স্বাস্থ্য সেবা দিয়ে যাচ্ছে। এছাড়া আজকের প্রান্তিকর এই সারা দিন ব্যাপী স্বাস্থ্য সেবা কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন জাপানি ও পালস বাংলাদেশর ২০ জন কর্মকর্তা ও কর্মী। তারা সকলে প্রান্তিকর এই কার্যক্রম ও প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন।


আরো খবর: