বুধবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১০:৫৩ পূর্বাহ্ন
নোটিশ::
কক্সবাজার পোস্ট ডটকমে আপনাকে স্বাগতম..  

অসুস্থ মাকে দেখতে গিয়ে বন্যার কবলে আমির খান

প্রতিবেদকের নাম:
আপডেট: বুধবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০২৩
অসুস্থ মাকে দেখতে গিয়ে বন্যার কবলে আমির খান


মুম্বাই, ০৬ ডিসেম্বর – ঘূর্ণিঝড় মিগজাউমের প্রভাবে দক্ষিণ ভারতীয় রাজ্য তামিলনাডু এবং অন্ধ্র প্রদেশে প্রবল বৃষ্টিপাত হয়েছে। মঙ্গলবার তামিলনাডুর রাজধানী চেন্নাইয়ের পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করে।

চেন্নাইয়ে বন্যার কবলে পড়েন বলিউড অভিনেতা আমির খান। গত কয়েক মাস ধরে সেখানে মায়ের সঙ্গে ছিলেনে এই অভিনেতা। ঘূর্ণিঝড় মিগজাউমের প্রভাবে হঠাৎ সবকিছু তলিয়ে যেতে শুরু করলে- বানভাসি ও পানিবন্দি হয়ে পড়েন বলিউড সুপারস্টার। এরপর তাকে নৌকা দিয়ে উদ্ধার করা হয়। ইতোমধ্যে সামাজিক যোগযোগমাধ্যমে আমির খানকে উদ্ধারের একাধিক ছবি ছড়িয়ে পড়েছে।

আমিরের সঙ্গে একই নৌকায় ছিলেন তামিল তারকা বিষ্ণু বিশালও। মূলত তিনিই আমিরের সঙ্গে একাধিক ছবি পোস্ট করেছেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। আমিরের ছবি পোস্ট করে বিষ্ণু লিখেছেন- উদ্ধারকারীদের অসংখ্য ধন্যবাদ, যারা এই প্রতিকূল পরিস্থিতিতে সাহায্য করেছেন।

এদিকে, ভারতীয় গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, তীব্র গতিতে উপকূলে আছড়ে পড়েছে ঘূর্ণিঝড় মিগজাউম। অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূলে প্রচণ্ড ঝড় ও বৃষ্টি হয়েছে। বাতাসের গতিবেগ ১০০ থেকে ১১০ কিলোমিটার। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে এখন পর্যন্ত চেন্নাইয়ে অন্তত আটজনের মৃত্যুর খবর জানা গেছে।

এনডিটিভি জানিয়েছে, স্থানীয় সময় মঙ্গলবার দুপুর দেড়টার দিকে বৃষ্টি শুরু হয়। অন্ধ্রের নেল্লোর এবং মছিলিপত্তনমের মাঝামাঝি এলাকা দিয়ে ঘূর্ণিঝড় স্থলভাগে প্রবেশ করে। বর্তমানে তা উপকূল অতিক্রম করছে।
ভারতের আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, ঘূর্ণিঝড় মিগজাউমের ফলে এক থেকে দেড় মিটার উঁচু জলোচ্ছ্বাস সৃষ্টি হতে পারে। প্লাবিত হতে পারে দক্ষিণ উপকূলীয় নিচু অঞ্চলগুলো।

এদিকে ৮টি জেলার জন্য সতর্কতা জারি করেছে অন্ধ্রপ্রদেশের প্রাদেশিক সরকার। জেলাগুলো হচ্ছে- তিরুপতি, নেলোর, প্রকাশম, বাপটলা, কৃষ্ণা, পশ্চিম গোদাবরি, কোনাসিমা ও কাকিনাদা। পুদুচেরির উপকূলীয় অঞ্চলে জারি করা হয়েছে ১৪৪ ধারা।

অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী ওয়াইএস জগন মোহন রেড্ডি জানিয়েছেন, এই ঝড়ের কবলে জানমাল রক্ষা করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এ বিষয়ে কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে নিচু এলাকা থেকে লোকজনকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে এবং তাদের থাকার জন্য ৩০০টিরও বেশি ত্রাণ শিবির স্থাপন করা হয়েছে।

ঘূর্ণিঝড়ের সরাসরি কোনো প্রভাব না পড়লেও পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কিছুটা উত্তাল রয়েছে বঙ্গোপসাগর।

আইএ/ ০৬ ডিসেম্বর ২০২৩





আরো খবর: