তারিখ: রবিবার, ১৭ই নভেম্বর, ২০১৯ ইং, ২রা অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

Share:

পেকুয়া অফিস::

পেকুয়ায় অবৈধ অনুপ্রবেশ ও স্থাপনা নির্মাণকাজ বন্ধ করল পুলিশ। বিএনপির এক প্রভাবশালী ব্যক্তির নেতৃত্বে একদল দখলবাজ চক্র ছাত্রলীগ ইউনিয়ন শাখার সভাপতির জায়গা জবরদখল করে ওই স্থানে স্থাপনা নির্মাণকাজ বাস্তবায়ন করছিল।

এ সময় ইউনিয়ন ছাত্রলীগ সভাপতি বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করে। পুলিশ দ্রুত ওই স্থানে গিয়ে স্থাপনা নির্মাণকাজ আটকিয়ে দেয়।

৪ নভেম্বর দুপুর ১২ টার দিকে উপজেলার মগনামা ইউনিয়নের বাইন্নাঘোনা গ্রামে পেকুয়া থানা পুলিশ গিয়ে ওই স্থাপনা নির্মাণ কাজ বন্ধ করেছেন।

স্থানীয় সুত্র জানায়, বাইন্নাঘোনা গ্রামে স্থাপনা নির্মাণ নিয়ে মৃত একরাম মিয়ার ছেলে আবদুল মজিদ গং ও একই গ্রামের মোহাম্মদ কালুর পুত্র ছাত্রলীগ মগনামা ইউনিয়ন শাখার সভাপতি মনছুর আলম নানক গংদের মধ্যে বিরোধ চলছিল।

প্রাপ্ত সুত্র জানায়, মগনামা চকরিয়া সড়কের বাইন্নাঘোনা পয়েন্টে ৪০ শতক জায়গার মালিক ছাত্রলীগ নেতা মনছুর আলমের পিতা মোহাম্মদ কালু। ভূমিহীন বন্দোবস্তী মূলে ওই জমির মালিক মোহাম্মদ কালু। সরকার ভূমিহীন কৌটায় ওই ব্যক্তিকে এ জমি উপকারভোগী হিসেবে বরাদ্ধ দেয়। যার বন্দোবস্তী মামলা নং ৫২/২০০৯।

ভোলা খালের তীরবর্তী স্থানে ওই জমির স্থিতি অবস্থান। নদী অংশে নাল জমিতে মোহাম্মদ কালু গং সন সন লবণ ও মৎস্য উৎপাদন করছিলেন। এ জমি কৃষক কালু আবাদ উপযোগী ও উৎপাদনশীলতায় রুপান্তর করে। ভোলা খালের বাহির অংশের ওই জমির লাগোয়া মগনামা বানিয়ারছড়া যাতায়াত সড়ক। সড়ক অংশে লাগোয়া জমিটি বর্তমানে বাজার মুল্য আকাশচুম্বী। এতে করে ওই জমির প্রতি লোলুপ দৃষ্টি পড়ে একটি প্রভাবশালী চক্রের। ৪ নভেম্বর মনছুর আলম নানকের পিতার জমিতে হানা দেয় একটি চক্র।

মনছুর আলম জানায়, বাইন্নাঘোনার মৃত একরাম মিয়ার ছেলে আবদুল মজিদ, রশিদ আহমদ ও কামাল হোসেনসহ অনুগত কিছু লোকজন আমার পিতার জায়গাতে গিয়ে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ কাজ বাস্তবায়ন করছিলেন।

এ সময় আমি পুলিশের সহায়তা চেয়েছি। পুলিশ এসে আমাকে আইনী সহায়তা দিয়েছে। কাজ না করতে তাগিদ দেয়। রশিদ আহমদসহ তারা ৩ ভাই বিএনপি জামায়াতের প্রভাবশালী ব্যক্তি। তারা অহেতুক এসে আমার জমি জবর দখলের চেষ্টা চালায়।

পেকুয়া থানার এস,আই সুমন সরকার এসে কাজ ঠেকিয়ে দিয়েছেন। কাগজপত্র নিয়ে বৈঠকের সিদ্ধান্ত হয়েছে। আমি আইনগত ও ন্যায় সংগত পুলিশিং সহায়তা পেয়েছি। ছাত্রলীগ নেতা বলে অন্যায় ভাবে কাউকে ঘায়েল করার মন মানসিকতা নেই, ছিল না ও ভবিষ্যতেও থাকবে না।

পেকুয়া থানার এস,আই সুমন সরকার জানায়, কাগজপত্র নিয়ে সিদ্ধান্তে পৌছে বিষয়টি নিস্পত্তির জন্য উভয়পক্ষকে বলেছি। রক্তপাত এড়াতে পুলিশ বিরোধ পূর্ণ জায়গায় যাবে সেটি স্বাভাবিক।

Share:
error: কপি করা নিষেধ !!