তারিখ: বুধবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০১৯ ইং, ১লা কার্তিক, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম

Share:

মোহাম্মদ আবুতাহের,মহেশখালী::

মহেশখালীতে পরকীয়ার আসক্ত হয়ে প্রেমিকের হাত ধরে ১ সন্তান নিয়ে অজানার উদ্দেশ্যে পাড়ি জমিয়েছেন দুই সন্তানের জননী গৃহবধূ আশেকি দাশ।

ঘটনাটি ঘটেছে ২৩ সেপ্টম্বর মহেশখালী পৌরসভাস্থ ৭নং ওয়ার্ডের জলদাশ পাড়ায়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মহেশখালী পৌরসভা ৭ নং ওয়ার্ডের জলদাশ পাড়ার বাবুল দাশ এর পুত্র সুকান্ত দাশ এর সাথে একই পৌরসভার ৬ নং ওয়ার্ডের মৃত কালুরাম দে মেয়ে আশেকি দাশ এর সাথে পাঁচ বছর পূর্বে প্রেমের সম্পর্কে বিয়ে হয়।

বিয়ের পর স্বামী-স্ত্রী সুখে শান্তিতে তাদের দাম্পত্য জীবন শুরু হয়।

দীর্ঘ দাম্পত্য জীবনে তাদের ঘরে দুইটি সন্তান থাকলে ও একটি সন্তান মৃত্যু বরণ করে,বর্তমানে নিল দাশ(২)নামে একটি ছেলে সন্তান রয়েছে।

এরই মধ্যে চকরিয়া উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের ঘোনিয়া জলদাশ পাড়ার মলিন দাশের পুত্র সুমন দাশ (২০) সাথে আশেকি দাশের পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

তারই ধারাবাহিকতায় গত ২৩ সেপ্টম্বর
সকালে ঘর থেকে স্বামীর উপার্জিত নগদ ৭০,০০০ হাজার টাকা, মূল্যবান কাপড় ও কাগজ পত্র নিয়ে পরকীয়া প্রেমিকের হাত ধরে এক সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে পালিয়ে যায় গৃহবধূ আশেকি দাশ।

স্বামী সুকান্ত দাশ বিষয়টির সত্যতা স্বীকার করে জানান,আশেকি দাশ আমার সাজানো সংসার ভেঙে দিয়েছে।

তারপরও স্ত্রীকে বুঝিয়ে-সুঝিয়ে বাড়িতে ফিরে পাওয়ার জন্য বিভিন্ন জায়গায় খুঁজ খবর নিচ্ছি, কিন্তু কোথাও পায়নি।

স্থানীয়রা জানান, আশেকি দাশের পরকিয়ার ঘটনা নিয়ে তার মা ও ভাই তপন,সুদির,পলাশ’কে একাধিকবার বিচার দিলেও কোন কর্ণপাদ করেনা,এমন কি গত তিন মাস আগে সুকান্ত দাশ তাঁর শাসুর বাড়িতে বেড়াতে আসলে আশেকি দাশের সাথে সুমন দাশের অ-নৈতিক সম্পর্ক হাতেনাথে ধরা পড়লেও তার কোন বিচার করে নি আশেকি দাশের পরিবার। এতে সে আরো বেপরোয়া হয়ে উঠে।

উক্ত বিষয় স্থানীয় কাউন্সিলার সনজিত চক্রবর্তী কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন,পালিয়ে যাওয়ার ঘটনা নিশ্চিত হয়ে স্বামী সুকান্ত দাশ আমাকে অবগত করেছে। ঘটনাটি নিয়ে আমি অত্যন্ত মর্মাহত। তাদেরকে খুঁজে বের করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।

স্বামী সুকান্ত দাশ জানান উক্ত বিষয়ে মহেশখালী থানাকে অবহিতি করা হয়েছে দ্রুত মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছি।

এদিকে উক্ত ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

Share:
error: কপি করা নিষেধ !!