শিরোনাম :
উখিয়া প্রেসক্লাবের নির্বাচন কমিশনের জরুরী সভা অনুষ্ঠিত চকরিয়ায় বন বিভাগের অভিযানে ৪০ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ, ২ একর জমি উদ্ধার ইয়াবা উদ্ধার: কক্সবাজারের ২জনসহ ৪ কারবারির ১০ বছরের কারাদণ্ড জাহাঙ্গীর মেচসহ দুই রেস্টুরেন্টকে গুনতে হলো জরিমানা কোটি টাকার ইয়াবা নিয়ে চকরিয়ার ১ নারীসহ বাঁশখালীতে ৫ জন গ্রেপ্তার টেকনাফে ৬০ হাজার ইয়াবা সহ রোহিঙ্গা আটক আকাশ সম স্বপ্ন নিয়ে কক্সবাজার শিশু হাসপাতালের উদ্যোগ নিয়েছি : জেলা প্রশাসক করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবেলায় কঠোর জেলা প্রশাসন রাজধানীর পাইকারি বাজারে কমেনি সবজির দাম উখিয়া-টেকনাফের সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যাপক মোহাম্মদ আলী আর নেই
মঙ্গলবার, ২৪ নভেম্বর ২০২০, ০৬:৫১ পূর্বাহ্ন

৮ মাসে ধর্ষণ ৯০০ নারী

প্রতিবেদকের নাম::

প্রকাশ: অক্টোবর ২, ২০২০ ৪:১৫ পূর্বাহ্ণ | সম্পাদনা: অক্টোবর ২, ২০২০ ৪:১৬ পূর্বাহ্ণ

[ad_1]

ঢাকা, ০২ অক্টোবর- গত আট মাসে প্রায় ৯০০ নারী ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এতে উদ্বেগ জানিয়ে মানবাধিকার কর্মীরা বলছেন, বিচারে দীর্ঘসূত্রতা ও নারীর প্রতি মর্যাদা না থাকায় একের পর এক ধর্ষণের ঘটনা বেড়েই চলেছে।

তারা বলছেন, অপরাধীদের কঠোর শাস্তি নিশ্চিতে বিচার প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ ও নারীবান্ধব করে তুলতে হবে। একই সঙ্গে নারীর নিরাপত্তা রাষ্ট্রকেই নিশ্চিত করতে হবে বলে মনে করেন সমাজবিজ্ঞানীরাও। অন্যদিকে শুধু আইন প্রয়োগের মাধ্যমে এই অপরাধ নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয় বলে মনে করে পুলিশ।

সিলেটের এমসি কলেজে স্বামীকে বেঁধে স্ত্রীকে গণধর্ষণ কিংবা অসুস্থ স্বামীর জন্য রক্ত খুঁজতে গিয়ে রাজধানীর মিরপুরে ধর্ষণের শিকার স্ত্রী, আবার রাজশাহীতে গির্জায় তিন দিন আটকে রেখে ফাদার কর্তৃক স্কুলছাত্রী ধর্ষণ, পত্রিকার পাতায় চোখ বুলাতেই এমন শিরোনাম পাঠকের জন্য এখন নিত্যদিনের। দেশের এ প্রান্ত থেকে অন্যপ্রান্ত কোথাও থেমে নেই অপরাধীদের এমন জঘন্য অপরাধ। সমাজব্যবস্থায় যার নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে ইতোমধ্যেই। উদ্বিগ্ন সমাজ তথা প্রতিটি পরিবার।

চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত মোট ৮ মাসে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন ৮৮৯ জন নারী, যার মধ্যে গণধর্ষণের শিকার ১৯২জন। এ ছাড়াও অপরাধীদের নিষ্ঠুরতার বলি খুন হয়েছেন ৪১ জন । আইন ও সালিসকেন্দ্রের (আসক) সমীক্ষায় এটি উঠে এসেছে। এর বাইরেও ধর্ষণের অপমান সইতে না পেরে আত্মহত্যা করেছেন ৯ জন। আর ধর্ষণের চেষ্টা, উপরোক্ত পরিসংখানের চিত্র বলে দেবে এ বিষয়টি। এদের মধ্যে অনেকেই লোকলজ্জার ভয়ে আইনের দ্বারস্থ হন না। যারাও মামলার প্রক্রিয়ায় যাচ্ছেন, তাদের অধিকাংশই বিচারের আশায় দিন কাটাচ্ছেন দীর্ঘদিন ধরেই।

এমন অবস্থায় আইন ও সালিসকেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক শিপা হাফিজা বলেন, কঠোর শাস্তির বিধান থাকলেও অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার প্রক্রিয়াটাই শক্তিশালী হয়নি এত বছরেও। ফলে নিয়ন্ত্রণ নেই ধর্ষণের মত অপরাধের।

অন্যদিকে, পুরুষতান্ত্রিক সমাজে নারীর প্রতি মর্যাদাহীনতাই বাড়ছে একের পর এক ধর্ষণের মতো ঘটনা। নারীর নিরাপত্তায় রাষ্ট্রের জোরালো ভূমিকা জরুরি বলে মনে করেন সমাজবিজ্ঞানীরা।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন ড. সাদেকা হালিম বলেন, নারীর ক্ষমতায়নের সূচকে আমরা অনেক ওপরে উঠে গেছি। কিন্তু সামাজিক জায়গাগুলোতে নারীকে অজস্র নাগরিক হিসেবে দেখা হচ্ছে। তাকে মর্যাদা দিচ্ছি না।

আরও পড়ুন: কর্মক্ষেত্রে নারীর অংশগ্রহণ ৫০ শতাংশে উন্নীত করার অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রীর

পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি মো. সোহেল রানা বলেন, ধর্ষণ একটি সামাজিক ব্যাধি। এ বিষয়ে সামাজিক শিক্ষা ও সচেতনতা বাড়ানো বেশি জরুরি।

সূত্র বলছে, শতকরা ৯৭ ভাগ ভুক্তভোগী, লোকলজ্জা কিংবা অপরাধীদের ভয়ভীতি অথবা বিচার প্রক্রিয়া দীর্ঘায়িত হওয়ার কারণে আইনের আশ্রয় নেয় না। ধর্ষণের শিকার মাত্র ৩ ভাগ নারী আশ্রয় নেন আইনের।

সূত্রঃ সময় নিউজ
আডি/ ০২ অক্টোবর



[ad_2]

কক্সবাজার পোস্ট.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
কক্সবাজার পোস্ট সব ধরনের আলোচনা-সমালোচনা সাদরে গ্রহণ ও উৎসাহিত করে। অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য পরিহার করুন। এটা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ
এই জাতীয় আরো খবর::