বুধবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২১, ০৭:২৩ অপরাহ্ন
ঘোষণা:
কক্সবাজার পোস্টে আপনাকে স্বাগতম, আমাদের সাথে থাকুন,কক্সবাজারকে জানুন......

৫৮ কোটি টাকা ব্যয়ে ইয়াংছা-মানিকপুর-কাকারা- শান্তিবাজার সড়ক নির্মাণকাজে বাঁধা অপসারণ

এম.জিয়াবুল হক,চকরিয়া::

প্রকাশ: জানুয়ারি ৬, ২০২১ ১১:৩১ পূর্বাহ্ণ | সম্পাদনা: জানুয়ারি ৬, ২০২১ ১১:৩১ পূর্বাহ্ণ

সড়ক ও জনপথ বিভাগের অর্থায়নে ৫৮ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিতব্য চলমান ইয়াংছা-মানিকপুর-কাকারা-শান্তিবাজার সড়ক নির্মাণকাজে বাঁধা অপসারণ ও উচ্ছেদ কার্যক্রমে অংশ নিয়েছেন কক্সবাজার-১ আসনের সংসদ সদস্য ও চকরিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ জাফর আলম। দীর্ঘ ৬ মাসের বেশিসময় ধরে সড়কটির দুই পাশের অবৈধ স্থাপনাগুলো সড়ক ও জনপথ বিভাগ এবং সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার সরাতে না পারায় নির্মাণকাজ স্থবির হয়ে রয়েছে। এতে চলাচলে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে অন্তত দুই লক্ষাধিক মানুষকে।
এই অবস্থায় ৬ জানুয়ারী কক্সবাজার-১ আসনের সংসদ সদস্য ও চকরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ জাফর আলম সড়ক উন্নয়ন কাজ ত্বরান্বিত করতে সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন। এসময় সড়কটির দুই পাশের অবৈধ স্থাপনা সরানোর কাজে নিজেই নেমে পড়েছেন। এসময় উন্নয়নকাজে বিভিন্ন বাঁধা উচ্ছেদ পুর্বক ক্ষতিগ্রস্থ এলাকাবাসিকে ব্যক্তিগত তহবিল থেকে ক্ষতিপুরণের ঘোষনা দিয়েছেন। এ পর্যন্ত অন্তত ১০ লক্ষাধিক টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়েছে ক্ষতিগ্রস্ত মসজিদ, স্কুলসহ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে। এসময় তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন চকরিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক চেয়ারম্যান শওকত ওসমান, উপজেলা আওয়ামীলীগের প্রচার সম্পাদক আবু মুছা ছাড়াও স্থানীয় আওয়ামীলীগ সহযোগি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের লোকজন এবং এলাকাবাসি।
সড়ক ও জনপথ বিভাগ সূত্র জানায়, ১৯ কিলোমিটার দীর্ঘ সড়কটির বেশিরভাগ অংশে অবৈধ স্থাপনা রয়েছে সুরাজপুর-মানিকপুর, কাকারা, লক্ষ্যারচর, কৈয়ারবিল ও বরইতলী ইউনিয়নে। তন্মধ্যে অবৈধ স্থাপনা সরাতে সড়ক ও জনপথ বিভাগকে বেগ পেতে হয়েছে কাকারা, লক্ষ্যারচর, কৈয়ারবিল অংশে। অবশেষে এমপি জাফর আলমের সহায়তায় সেই অবৈধ স্থাপনা সরানোর কাজ চলমান রয়েছে গত দুইদিন ধরে।
কাকারা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. শওকত ওসমান বলেন, ‘অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করতে না পারায় ৬ মাসের বেশিসময় ধরে স্থবির রয়েছে সড়কটির নির্মাণকাজ। এই অবস্থায় আমাদের মাননীয় এমপি জাফর আলমের নেতৃত্বে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে যথাযথ ক্ষতিপূরণেরও ব্যবস্থা করেছেন এমপির ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে। এতে আশা করা যাচ্ছে, চলতি শুষ্কমৌসুমে সড়কটির নির্মাণকাজ সম্পন্ন করতে পারবে ঠিকাদার। যদিওবা ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান আরএবি-আরসি প্রাইভেট লিমিটেডের যথেষ্ট গাফেলতি ছিল শুরু থেকে সড়কটির নির্মাণকাজে।’
এমপির ব্যক্তিগত সহকারী আমিন চৌধুরী বলেন, ‘জনগুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটি নিয়ে জনগণের অভিযোগের শেষ ছিল না। তাই এমপি সশরীরে গত দুইদিন ধরে উপস্থিত থেকে বুলডোজার দিয়ে সরিয়ে নিচ্ছেন অবৈধ স্থাপনা। আর যেসব পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন তাদেরকে যথাযথ ক্ষতিপূরণও দিচ্ছেন ব্যক্তিগতভাবে। ইতোমধ্যে মসজিদ, স্কুলসহ অসংখ্য পরিবারকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে ব্যক্তিগতভাবে ১০ লক্ষ টাকার ক্ষতিপূরণ দিয়েছেন। যাতে চলতি শুষ্ক মৌসুমে সড়কটির নির্মাণকাজ সম্পন্ন হয়।’
সংসদ সদস্য জাফর আলম বলেন, ‘অবৈধ স্থাপনা সরাতে সওজ এবং সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার ব্যর্থ হওয়ার পর আমি নিজেই উদ্যোগ নিয়েছি সড়কের দুই পাশের স্থাপনাগুলো সরিয়ে নিতে। এজন্য আমি ব্যক্তিগতভাবে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে ক্ষতিপূরণও দিচ্ছি। কারণ আমি জনগণের জন্যই রাজনীতি করি, যাতে চলতি শুষ্ক মৌসুমে সড়কটির নির্মাণকাজ সম্পন্ন হয় এবং জনদুর্ভোগ লাঘব করা যায়। জনগুরুত্বপূর্ণ যে কোন উদ্যোগ আমার পক্ষ থেকে অব্যাহত থাকবে।’

কক্সবাজার পোস্ট.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
কক্সবাজার পোস্ট সব ধরনের আলোচনা-সমালোচনা সাদরে গ্রহণ ও উৎসাহিত করে। অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য পরিহার করুন। এটা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ
এই জাতীয় আরো খবর::