বুধবার, ২০ জানুয়ারী ২০২১, ১২:২১ অপরাহ্ন

২৫ জুলাই কক্সবাজার পৌরসভার নির্বাচন হবে কি ?

প্রতিবেদকের নাম::

প্রকাশ: জুন ১২, ২০১৮ ১:০৮ পূর্বাহ্ণ | সম্পাদনা: জুন ১২, ২০১৮ ১:০৮ পূর্বাহ্ণ

কক্সবাজার পৌরসভার নির্বাচনের তফসিল ঘোষনা করেছে নির্বাচন কমিশন। আগামী ২৫ জুলাই কক্সবাজার পৌরসভার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।রবিবার নির্বাচন কমিশন সচিবালয় কক্সবাজার পৌরসভার নির্বাচনের তফসিল ঘোষনা করে। তফসিল অনুযায়ী কক্সবাজার পৌরসভা নির্বাচনের মনোনয়ন পত্র জমা দেয়ার শেষ তারিখ ২৪ জুন, মনোনয়ন পত্র বাছাই হবে ২৬ জুন, মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ৩ জুলাই ও ভোট গ্রহন ২৫ জুলাই।

এদিকে ২০১১ সালের পর ৭ বছর পর ২৫ জুলাই কক্সবাজার পৌরসভায় নির্বাচন শুরু হচ্ছে এ খবরে রোববার সম্ভাব্য মেয়র,কাউন্সিলর প্রার্থী ও ভোটারদের মধ্যে নির্বাচনী উত্তাপ লক্ষ্য করা গেছে। তবে রোহিঙ্গা ইস্যুতে ভোটার তালিকার জটিলতা নিয়ে পৌরসভায় নির্বাচন হবে কি না, এ নিয়ে দ্বিধা-দ্বন্দ্বে আছেন ভোটার ও প্রার্থীরা।এছাড়াও মেয়র প্রার্থীদের মধ্যে আইনি লড়াইয়ের কারণে নির্বাচন স্থগিত হওয়া নিয়েও সংশয়ে আছেন সবাই।

সূত্রে জানা যায়,বিগত ২০১১ সালের ২৭ জানুয়ারি কক্সবাজার পৌরসভার সর্বশেষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ৪ ফেব্রুয়ারি নির্বাচিতদের গেজেট প্রকাশিত হয়। একই বছরের ১৯ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনের কার্যালয়ে নির্বাচিতদের শপথ গ্রহণের সময় নির্ধারিত হয়। কিন্তু অন্যান্য পৌরসভার নির্বাচিত মেয়র ও কাউন্সিলররা শপথগ্রহণ করলেও ৪ দফা সময় পরিবর্তনের পরেও শপথগ্রহণ হয়নি। ফলে আগের পৌর পরিষদ দীর্ঘ আড়াই বছর বাড়তি দায়িত্ব পালন করে।

পৌরসভার নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের শপথ গ্রহণের দাবিতে ২০১৩ সালের ২৭ জানুয়ারি কক্সবাজারে হরতাল পালন করা হয়। পরে ২০১৩ সালের ২০ জুলাই নির্বাচিত পৌর মেয়র ও কাউন্সিলরদের শপথ বাক্য পাঠ করান জেলা প্রশাসক।

শপথ নিয়ে দায়িত্ব নেয়ার পর নির্বাচিত মেয়র সরওয়ার কামাল বেশিদিন দায়িত্ব পালন করতে পারেননি। তার বিরুদ্ধে একাধিক নাশকতার মামলা ও দুর্নীতির মামলার অভিযোগপত্র আদালত গ্রহণ করায় স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় মেয়র সরওয়ার কামালকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করে।

পরবর্তীতে মন্ত্রণালয় ২০১৫ সালের ২৪ নভেম্বর প্যানেল মেয়রকে দায়িত্ব গ্রহণ করতে চিঠি ইস্যু করে। প্যানেল মেয়র-১ জিসান উদ্দিন ও প্যানেল মেয়র-২ রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে নাশকতার মামলা থাকায় তারাও দায়িত্বভার নিতে পারেননি।

প্যানেল মেয়র-৩ কোহিনুর ইসলামসহ অন্যান্য কাউন্সিলাররা বর্তমান ভারপ্রাপ্ত মেয়র মাহবুবুর রহমান চৌধুরীকে সমর্থন করায় মন্ত্রণালয় মাহবুবুর রহমান চৌধুরীকে ভারপ্রাপ্ত মেয়র হিসাবে দায়িত্ব প্রদান করে চলেছেন।

তবে সম্প্রতি সরবারের মাদক বিরোধী অভিযানে টেকনাফের যুবলীগ নেতা একরামের বন্দুকযুদ্ধে নিহত হওয়ার ঘটনা নিয়ে ফেসবুক ও বিভিন্ন পত্রিকায় মাহবুবুর রহমান চৌধুরীর প্রধানমন্ত্রী বরাবরে একটি আবেদন জনমনে ব্যাপক সাড়া ফেলে। এ কারণে তিনি যেমন সাধারন মানুষের ব্যাপক প্রশংসা পেয়েছেন তেমনি সরকারেরও বিরাগভাজন হয়েছেন বলে লোকেমুখে শোনা যায়।

উল্লেখ্য স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) আইন, ২০০৯ এ বলা আছে, পৌরসভা গঠনের পর প্রথম সভার তারিখ থেকে পরবর্তী পাঁচ বছর পর্যন্ত ওই পৌরসভার মেয়াদ থাকবে। নির্বাচনের ক্ষেত্রে আইনে উল্লেখ রয়েছে, পৌরসভার মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্ববর্তী ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন আয়োজন করতে হবে। নির্বাচনে অংশ নিতে হলে মেয়র-কাউন্সিলারদের পদত্যাগ করতে হবে।

কক্সবাজার পোস্ট.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
কক্সবাজার পোস্ট সব ধরনের আলোচনা-সমালোচনা সাদরে গ্রহণ ও উৎসাহিত করে। অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য পরিহার করুন। এটা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ
এই জাতীয় আরো খবর::