শিরোনাম ::
উখিয়ায় মাদক প্রতিরোধ ও অপরাধ দমনে কমিউনিটি পুলিশিং সমাবেশ অনুষ্ঠিত একসঙ্গে ৪ সন্তান জন্ম দিলেন মহেশখালীর এক গৃহবধূ! বান্দরবানের দুর্গম অঞ্চলে ঝরে পড়া শিশুদের জন্য উদ্বোধন শিশু প্রতিভা বিকাশ কেন্দ্রের বান্দরবান দুই শতাধিক প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মাঝে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প উখিয়ায় পালস’র উদ্যোগে বিশ্ব শান্তি দিবস পালিত সীমান্তে গুলির শব্দ থামছে না উখিয়ায় প্রশাসনের অভিযানে ৩টি ড্রেজার মেশিন ও ২টি বন্দুকসহ অস্ত্র উদ্ধার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আবারো খুন মুক্তি কক্সবাজার-এর উদ্যোগে ব্যবসায়ী ও উপকারভোগীদের সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত পালস-এর উদ্যোগে “বর্ণবাদ-শান্তি ও সম্প্রীতির অন্তরায়” বিষয়ক বির্তক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
সোমবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৮:২০ পূর্বাহ্ন
নোটিশ::
কক্সবাজার পোস্ট ডটকমে আপনাকে স্বাগতম..

স্বেচ্ছায় কবরস্থান ও শশ্মান পরিষ্কার করলো একদল যুবক!

প্রতিবেদকের নাম:
আপডেট: শুক্রবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২২

ইমরান আল মাহমুদ,উখিয়া:

স্বেচ্ছায় কক্সবাজারের উখিয়ায় কবরস্থান ও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শশ্মান পরিষ্কার করেছে একদল তরুণ যুবক।

শুক্রবার(১১ ফেব্রুয়ারি) সকালে স্বেচ্ছায় কবরস্থান ও শশ্মানের ময়লা-আবর্জনা ও জঙ্গল পরিস্কারের কাজ শুরু করে কয়েকজন যুবক। যুবকদের এমন উদ্যোগ নিয়ে প্রশংসায় ভাসাচ্ছেন এলাকাবাসী।

সেচ্ছায় কবরস্থান ও শশ্মান পরিষ্কার করা তরুণ যুবকরা বলছে, তাদের এ কাজ শেষ করতে এক মাস সময় লাগবে।

স্থানীয়রা জানায়, রুমখাঁপালং গ্রামের একমাত্র মুসলিম কবরস্থান ও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শশ্মানটি বর্ষা মৌসুমে পানি জমে ঘাস ও লতাপাতায় ছেয়ে যায়। ময়লা-আবর্জনার সাথে ঝোপ-ঝাড়-জঙ্গলে পরিণত হয় কবরস্থানটি। মৃত ব্যক্তিদের কবর দেওয়ার পরিবেশও নষ্ট হয়ে যাচ্ছিল। এ অবস্থা দেখে স্থানীয় নজরুল ইসলাম, আব্দুল্লাহ আল মামুন, শাহিন উদ্দিন,জলিল,জাফর আলম,ইমরান আল মাহমুদ, আমিন উল্লাহ,রবিউল ইসলাম, নয়ন সহ কয়েকজন যুবক স্বেচ্ছায় কবরস্থান পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ শুরু করেন। তাদের দেখে উদ্বুদ্ধ হয়ে ১০-১২ জন যুবক প্রতি শুক্রবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত নিরলসভাবে কবরস্থান পরিস্কারের কাজ করার প্রতিজ্ঞা করেন।

যুবক দলটি জানায়, কোনো চাঁদা কিংবা কারো সহায়তায় নয়, নিজেরাই স্বেচ্ছাশ্রমে কবরস্থান পরিস্কার করছেন।

সেচ্ছাসেবী নজরুল ইসলাম বলেন,মুসলিম বা হিন্দু ধর্মের, কিন্তু সেটা আমার কাছে বড় বিষয় নয়, আমি মানব সেবায় কোনো ধর্ম বর্ণ বিবেচনা করি না। আমি সবসময় মনে করি আমরা সবাই মানুষ আর মানব সেবার মাধ্যমেই সৃষ্টিকর্তাকে পাওয়া যায় বলে আমি বিশ্বাষ করি। তাই কোনো ধর্ম-বর্ণের ভেদাভেদ চিন্তা না করে আমরা কবরস্থান ও শশ্মানের আবর্জনা পরিস্কার করছি।

আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, আমরা সমাজের অনেক সমস্যার সমাধানে কর্তৃপক্ষের অপেক্ষায় থাকি। কিন্তু আমরা যদি একটু চিন্তা করে তাদের দিকে না তাকিয়ে নিজেদের উদ্যোগে কাজ করি, তাহলে সেই সকল সমস্যাও দ্রুত সমাধান হতে পারে। আর এই চিন্তা ধারার বহিঃপ্রকাশ ও বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আমাদের এ পদক্ষেপ।


আরো খবর: