শিরোনাম :
জেলে পরিবারে চলছে নিরব দুর্ভিক্ষ কুতুবদিয়া থানার নতুন ওসি হিসেবে যোগদান করলেন ওমর হায়দার কক্সবাজারে বৃহস্পতিবার ৫৯ জনের করোনা শনাক্ত কক্সবাজারে রোহিঙ্গাদের পাসপোর্ট দেয়ায় ৩ পুলিশ পরিদর্শকসহ ১৭ জনের নামে মামলা সৌদিতে কারগাড়ির চাপায় চকরিয়ার যুবক নিহত, বাড়িতে শোকের মাতম চকরিয়ায় যাত্রীবেশী দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে টমটম চালক খুন জেলা আওয়ামী লীগের সঙ্গে ভুল বুঝাবুঝির অবশান, শেষে চকরিয়ায় এমপি জাফর ও লিটুকে গণসংবর্ধনা চকরিয়ায় বনের উপর নির্ভশীল ভিসিএফ সদস্যদের মধ্যে ক্ষুদ্র মূলধনের ২২ লক্ষ টাকা অনুদান বিতরণ টেকনাফে মাদক কারবারীর বাড়ি থেকে ইয়াবাসহ রোহিঙ্গা আটক চকরিয়ায় ২ হাজার ৪শ ইয়াবাসহ পাচারকারী ৩ নারী আটক
শুক্রবার, ১৮ জুন ২০২১, ০৮:১৬ পূর্বাহ্ন
ঘোষণা:
কক্সবাজার পোস্টে আপনাকে স্বাগতম, আমাদের সাথে থাকুন,কক্সবাজারকে জানুন......

সৌদী আরবে অভিনব প্রতারনা : প্রবাসীদের মাথায় হাত !

প্রতিবেদকের নাম::

প্রকাশ: এপ্রিল ২৪, ২০১৮ ৮:৩৭ পূর্বাহ্ণ | সম্পাদনা: এপ্রিল ২৪, ২০১৮ ৮:৩৭ পূর্বাহ্ণ

আতিকুর রহমান মানিক ::
সৌদী আরবে অবস্হানরত প্রবাসীদের বিপুল পরিমান টাকা আত্নসাৎ করে বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছে এক প্রতারক। বিভিন্ন ব্যবসা-বাণিজ্যে অংশীদার করা, ভিসার মেয়াদ বাড়ানো, নতুন ভিসা দেয়া ও লভ্যাংশের ভিত্তিতে দোকানে পণ্য তোলাসহ রকমারী বাহানা দিয়ে প্রবাসীদের কষ্টার্জিত টাকা হাতিয়ে
নেয়ার পর দেশে পালিয়ে এসে আত্নগোপন করায় মাথায় হাত দিয়েছেন প্রতারনার শিকার প্রবাসীরা। অভিনব এ প্রতারনায় অভিযুক্ত আমানুল হক প্রকাশ আমানু কক্সবাজার সদরের পোকখালী ইউনিয়নের নাইক্ষ্যংদিয়া গ্রামের আবুল ফজলের ছেলে।
জালালাবাদ ইউনিয়নের বাহারছড়া গ্রামের বাসিন্দা ও সৌদী প্রবাসী নূরুল আমিন জানান, উপরোক্ত আমানুল হক মক্কা নগরীর সারুল হজ্ব (গোল এমারাহ) এলাকায় কাপড়ের দোকান করত। গত বছর হজ্বের আগে দোকানে পন্য তোলার জন্য লভ্যাংশের ভিত্তিতে দোকানে অংশীদার হওয়ার প্রস্তাব দেয় আমানু। এতে সম্মত হয়ে নূরুল আমিন ৮ লক্ষ টাকা দিলে এ টাকা নিয়ে দোকানে মালামাল তোলা হয়। এরপর বিভিন্ন বাহানায় দোকানের ও লাভের কোন হিসাব না দিয়ে গোপনে দোকান বিক্রি করে দেশে চলে আসে আমানু। এরপর থেকে বিভিন্নভাবে চেষ্টা করেও তার সাথে আর যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি বলে জানান প্রতারনার শিকার আমিন।
রামু উপজেলার রশিদ নগর ইউনিয়নের পানির ছড়া গ্রামের বাসিন্দা ও সৌদী প্রবাসী মৌলভী ছালামত উল্লাহ জানান, আমানত রাখার কথা বলে তার থেকে ৯ লক্ষ টাকা নেয় প্রতারক আমানু। এরপর বিভিন্ন অজুহাতে কালক্ষেপন করে গোপনে বাংলাদেশে চলে আসে।
আমানুর প্রতিবেশী ও প্রবাসী শামসুল আলম জানান, রিয়াদের ভিসা দেয়ার দেয়ার কথা বলে নয় লক্ষ টাকা নেয় আমান উল্লাহ। কিন্তু এর কয়েকমাস পর সমুদয় টাকা আত্নসাৎ করে বাংলাদেশে চলে যায় সে। একই এলাকার অপর সৌদী প্রবাসী মৌঃ নূরল হাকিম থেকেও একই কায়দায় ১২ লক্ষ টাকা আত্নসাৎ করার পর অামানুল হক দেশে পালিয়ে এসেছে বলে জানা গেছে। সৌদী আরবে অবস্হানরত আরো বিভিন্ন প্রবাসীরা তার প্রতারনার শিকার হয়েছে। নতুন ভিসা দেয়া ও পুরাতন ভিসা নবায়ন করা, দোকানের অংশীদার করা ও লভ্যাংশ প্রদান করাসহ বিভিন্ন অজুহাতে পরিচিত প্রবাসীদের থেকে টাকা নিয়ে পালিয়ে এসেছে উক্ত আমানু। প্রতিবেশী
ও সৌদী প্রবাসীদের সরলতার সুযোগ নিয়ে এভাবে লক্ষ লক্ষ টাকা অাত্নসাৎ করার পর দেশে পালিয়ে আসায় মাথায় হাত দিয়েছেন প্রতারনার শিকার প্রবাসীরা।
তারা জানান, দেশে পালিয়ে যাওয়ার পর গ্রামে না গিয়ে কখনো চকরিয়াস্হ শশুর বাড়ীতে আবার কখনো কক্সবাজার শহরে আত্নগোপন করে আছে আমানু।
প্রতারনার শিকার প্রবাসী আমিন বলেন, উপরোক্ত ব্যাপারে আমান উল্লাহর পিতা ফজল করিমের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি ছেলের প্রতারনার বিষয়রটি স্বীকার করলেও পাওনাদারদের টাকা উদ্ধারের ব্যাপারে কোন সহযোগিতা করেননি।

কক্সবাজার পোস্ট.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
কক্সবাজার পোস্ট সব ধরনের আলোচনা-সমালোচনা সাদরে গ্রহণ ও উৎসাহিত করে। অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য পরিহার করুন। এটা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ
এই জাতীয় আরো খবর::

সর্বশেষ