তারিখ: মঙ্গলবার, ২৬শে মে, ২০২০ ইং, ১২ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম

Share:

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার জেলার সদর ইউনিয়নের- ২য় করোনা রোগী জান্নাতুল হাবীবা করোনা উপসর্গ নিয়ে আইসোলেশনে ছিলেন। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আইসোলেশনে থেকে-১১দিন দির পর এখন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরছে।

শুক্রবার (৮ মে) সকাল সাড়ে দশটায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক টিম তাকে করোনাভাইরাস মুক্ত ঘোষণা দিয়ে বাড়িতে যাওয়ার ছাড়পত্র দেন।

নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার সদর ইউনিয়নের কম্বোনিয়া গ্রামের দ্বিতীয় করোনা আক্রান্ত রোগী ছিলেন তিনি।
উল্লেখ্য গত ২৬ এপ্রিল করোনা উপসর্গ দেখা দিলে তিনি নিজেই নাইক্ষ্যংছড়ি সদর হাসপাতালের আউটডোরে শরাপন্ন হয়ে কর্মরত চিকিৎসককে জ্বর ও সর্দিকাশি কথা জানালে চিকিৎসক নমুনা সংগ্রহ করে।

সেই নমুনা কক্সবাজার সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ল্যাবে পাঠানো হয়।
এরপর ২৭ এপ্রিল সন্ধ্যার দিকে তার করোনা রিপোর্ট পজেটিভ আসে। এ ঘটনায় ওইদিন রাতেই সদর ইউনিয়নের কম্বোনিয়া গ্রাম এলাকার ১৭ ঘর-বাড়ী লকডাউন করে দেয় নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা প্রশাসন। পরদিন দুপুর থেকে আক্রান্ত জান্নতুল হাবিবাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আইসোলেশনে নিয়ে আসা হয়। সাথে তার শিশু ও ছিল।
এ ঘটনার পর জান্নাতুল হাবীবার পরিবারের ২০ সদস্যকেও হোম কোয়ারেন্টাইনে রেখে নমুনা সংগ্রহ করে কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ল্যাবে (আইইসিডিআর)পাঠানো হয়। সেখানে তাদের একি পরিবারের শিশুসহ তিন জনের রিপোর্ট পজেটিভ আসে।

৮ মে শুক্রবার সকাল সাড়ে দশটায বিষয়টি নিশ্চিত করেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও প: প: কর্মকর্তা ডা. আবু জাফর মো,ছলিম জানান, নাইক্ষ্যংছড়িতে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত দ্বিতীয় রোগী জান্নাতুল হাবীবাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আইসোলেশনে রেখে চিকিৎসা দেয়া হয়। নিয়ম মত নিশ্চিত হওয়ার জন্য পরপর দুইবার নমুনা সংগ্রহ করে কক্সবাজার আইইসিডিআরে পাঠানো হলে তার রিপোর্ট নেগেটিভ আসে। তাই জান্নাতুল হাবীবাকে করোনামুক্ত ঘোষণা করে বাড়ি যাওয়ার ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে।

এছাড়া একেই পরিবারের শিশু সন্তানসহ তিন ব্যক্তির শারীরিক অবস্থাও ভালো। ওই তিন জন ও আইসোলেশনে আছেন তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।
নানা অভিযোগের পর ও -২য় করোনা রোগী সুস্থ হওয়া এলাকায় সস্তি বিরাজ করছে।

Share: