শিরোনাম :
উৎসবমুখর পরিবেশে উখিয়া প্রেসক্লাবের নির্বাচনের মনোনয়ন পত্র জমা স্বাস্থ্যবিধি না মানলে প্রয়োজনে কারাদন্ড দেয়া হবে-জেলা প্রশাসক চকরিয়ায় অবৈধ বসতি গুঁড়িয়ে দিয়ে এক একর সংরক্ষিত বনভূমি উদ্ধার কক্সবাজার সদরের ইসলামাবাদে কারের ধাক্কায় টমটম চালক নিহত পেকুয়ায় রাতে নির্মিত ৩টি অবৈধ স্থাপনা দিনে উচ্ছেদ লকডাউন আর না, সচেতন হোন-সিনিয়র সচিব মো. হেলালুদ্দিন পেকুয়ায় মাস্ক ব্যবহার না করায় ৯ জনকে ভ্রাম্যমান আদালতে জরিমানা কভিড-১৯ প্রণোদনা নিয়ে কক্সবাজারে ব্যাংক কর্মকর্তাদের সাথে সংলাপ শিশু ধর্ষণের দায়ে কুতুবদিয়ার এক ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদন্ড ও এক লাখ টাকা অর্থদন্ড দাবি আদায়ে কর্মবিরতিতে কক্সবাজারের স্বাস্থ্য সহকারীরা
শুক্রবার, ২৭ নভেম্বর ২০২০, ১০:৫২ অপরাহ্ন

শিশু মাহিদকে নৌকায় বেঁধে জীবন্ত ডুবিয়ে হত্যা!

প্রতিবেদকের নাম::

প্রকাশ: অক্টোবর ১০, ২০২০ ৫:০০ অপরাহ্ণ | সম্পাদনা: অক্টোবর ১০, ২০২০ ৫:০০ অপরাহ্ণ

[ad_1]

মাগুরা, ১০ অক্টোবর- মাগুরায় মাহিদ নামে ৭ বছরের একটি শিশুকে নৌকায় বেঁধে জীবন্ত ডুবিয়ে হত্যা করা হয়েছে- এমন খবর পেয়ে শনিবার পুলিশ নবগঙ্গা নদীতে ডুবুরি নামিয়ে তল্লাশি চালিয়েছে।

সন্ধ্যা পর্যন্ত শিশুটির কোনো কূলকিনারা না হওয়ায় রোববার সকাল থেকে নতুন করে সেখানে তল্লাশি চালানো হবে বলে জানা গেছে।

সদর থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ৭ অক্টোবর সকালে মাগুরার সদর উপজেলার বারাশিয়া গ্রামের মজিরুল মোল্যার শিশুপুত্র মাহিদ নিখোঁজ হয়। ওই দিনই শিশুটির বাবা সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। কিন্তু পরদিন মোবাইল ফোনে ২০ লাখ টাকা মুক্তিপণ চাওয়া হয়।

ফোনের সূত্র ধরে পুলিশ তদন্ত চালিয়ে ওই গ্রাম থেকেই অষ্টম শ্রেণীতে পড়ুয়া রোহান (১৪) নামে এক কিশোর এবং তার বাবা ইমরান আলি আসলামকে আটক করে।

পরে কিশোর রোহান পুলিশের কাছে স্বীকার করে, সে হনুমান দেখতে যাওয়ার কথা বলে মাহিদকে বাড়ির সামনে থেকে নিয়ে যায়। কিন্তু তাকে নিয়ে যাওয়া হয় বাড়ির পাশে নবগঙ্গা নদীর ঘাটে। সেখানে আগে থেকে ভিড়িয়ে রাখা একটি তালের ডোঙ্গা নৌকায় বেঁধে জীবন্ত অবস্থায় শিশুটিকে পানিতে ডুবিয়ে দেয়া হয়।

পুলিশের হাতে আটক রোহান নিখোঁজ শিশুটির প্রতিবেশী। কিছুদিন আগে রোহানের বাবাকে শিশু নাহিদের বাবা অপমান করায় তার প্রতিশোধ নিয়ে সে এমন ঘটনা ঘটিয়েছে বলে পুলিশকে জানিয়েছে। তবে তাদের মধ্যে পুরনো কোনো শত্রুতা নেই বলে জানিয়েছেন নিখোঁজ নাহিদের চাচা নিরো মোল্যা।

মাগুরা সদর থানার এসআই আলমগীর হোসেন জানান, থানায় মামলা হয়নি। কেবল জিডির প্রেক্ষিতেই তদন্ত চলছে। আটক রোহানের স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে সন্ধ্যা পর্যন্ত নদীতে তল্লাশি চালানোর পরও কোনো কূলকিনারা হয়নি। তবে রোববার সকাল থেকে আবারও তল্লাশি চালানো হবে বলে তিনি জানান।

সূত্র: যুগান্তর

আর/০৮:১৪/১০ অক্টোবর



[ad_2]

কক্সবাজার পোস্ট.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
কক্সবাজার পোস্ট সব ধরনের আলোচনা-সমালোচনা সাদরে গ্রহণ ও উৎসাহিত করে। অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য পরিহার করুন। এটা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ
এই জাতীয় আরো খবর::