শিরোনাম ::
উখিয়ায় মাদক প্রতিরোধ ও অপরাধ দমনে কমিউনিটি পুলিশিং সমাবেশ অনুষ্ঠিত একসঙ্গে ৪ সন্তান জন্ম দিলেন মহেশখালীর এক গৃহবধূ! বান্দরবানের দুর্গম অঞ্চলে ঝরে পড়া শিশুদের জন্য উদ্বোধন শিশু প্রতিভা বিকাশ কেন্দ্রের বান্দরবান দুই শতাধিক প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মাঝে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প উখিয়ায় পালস’র উদ্যোগে বিশ্ব শান্তি দিবস পালিত সীমান্তে গুলির শব্দ থামছে না উখিয়ায় প্রশাসনের অভিযানে ৩টি ড্রেজার মেশিন ও ২টি বন্দুকসহ অস্ত্র উদ্ধার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আবারো খুন মুক্তি কক্সবাজার-এর উদ্যোগে ব্যবসায়ী ও উপকারভোগীদের সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত পালস-এর উদ্যোগে “বর্ণবাদ-শান্তি ও সম্প্রীতির অন্তরায়” বিষয়ক বির্তক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
রবিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৮:৩৩ অপরাহ্ন
নোটিশ::
কক্সবাজার পোস্ট ডটকমে আপনাকে স্বাগতম..

লামা আলীকদমে ১২ ইটভাটাকে বন্ধ করে দিলো জেলা প্রশাসন

প্রতিবেদকের নাম:
আপডেট: শুক্রবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২২

মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, লামা :

জানুয়ারির ২৫ তারিখে হাইকোর্ট বিভাগের একটি রিটের আদেশ মূলে পার্বত্য জেলা বান্দরবানের লামা উপজেলার ফাইতং ইউনিয়নের ১১টি ও আলিকদম উপজেলার ১টি অবৈধ ইটভাটাকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে বন্ধ করে দিয়েছে বান্দরবান জেলা প্রশাসন। এসময় এই ১২ ইটভাটাকে মোট ১৬ লক্ষ টাকা জরিমানাও করা হয়।

বৃহস্পতিবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১ টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত বান্দরবান জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মোঃ কায়েসুর রহমান ও মোঃ মামুনুর রশিদের নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালনা করা হয় এবং অভিযানে সহযোগিতা করেন বান্দরবান পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিদর্শক আশফাকুর রহমান, লামা থানার এসআই শাহীন পারভেজসহ সঙ্গীয় ফোর্স ও ফায়ার সার্ভিসের লোকজন।

এসময় লামার ফাইতং ইউনিয়নের ফরিদুল আলমের মালিকানাধী এফএসি কে ২ লক্ষ টাকা, মো: ইউনুসের মালিকানাধীন এসবিডাব্লিউকে ২ লক্ষ টাকা, মোকতার আহমেদের মালিকানাধীন এমএসবিকে ২ লক্ষ টাকাসহ আরো ৮টি ব্রিকফিল্ডকে ১ লক্ষ টাকা করে মোট ১৪ লক্ষ টাকা এবং আলিকদম উপজেলার একটি ইটভাটাকে ২ লক্ষ টাকা জরিমানা করেন। তাছাড়াও এই ইটভাটাগুলোর বিভিন্ন অংশে আংশিকভাবে ভেঙ্গে দেওয়া হয়, কাঁচা ইটগুলো নষ্ট করা হয় এবং ইটভাটাগুলো বন্ধ ঘোষণা করে নোটিশ টাঙ্গিয়ে দেওয়া হয়।

বান্দরবান জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মোঃ কায়েসুর রহমান অভিযান পরিচালনা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিং করে জানায়, উল্লিখিত ইটভাটাগুলো হাইকোর্টের রিটের আদেশ ছাড়াও জেলা প্রশাসন ও পরিবেশগত ছাড়পত্র ছাড়াই অবৈধভাবে নিষিদ্ধ এলাকা ও পাহাড়ের পাদদেশে এমনকি আবাসিক এলাকায় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সংলগ্ন স্থানে পরিচালিত হচ্ছিল। তাছাড়াও তারা ইটাভাটার জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করছে পাহাড়ি কাঠ। তাই ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইনের ধারা লঙ্ঘনের কারণে এই অবৈধ ইটভাটাগুলোতে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।


আরো খবর: