শিরোনাম :
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০২:০৬ পূর্বাহ্ন

লামায় সহকারী পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে ট্রাফিক অভিযান

প্রতিবেদকের নাম::

প্রকাশ: জুলাই ৮, ২০১৮ ৪:৪৭ পূর্বাহ্ণ | সম্পাদনা: জুলাই ৮, ২০১৮ ৪:৪৭ পূর্বাহ্ণ

মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, লামা ::
বান্দরবানের লামায় মোটরযান আইন মেনে চলার পাশাপাশি ট্রাফিক ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে উপজেলার শহরের বিভিন্ন স্থানে লামা থানা ও ট্রাফিক পুলিশকে সাথে নিয়ে সাড়াশি অভিযানে নামে লামা সার্কেলের (লামা, আলীকদম ও নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা) সহকারী পুলিশ সুপার আবু সালাম চৌধুরী। রোববার (৮ জুলাই) লামা বাজার, সার্কেল অফিসের সামনে মেইন রোড়ে ও লাইনঝিনি তিনটি স্থানে এই অভিযান চলে। একই সাথে পার্শ্ববর্তী আলীকদম ও নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলায় এই অভিযান চালানো হয়।
সার্কেল অফিস সূত্রে জানা গেছে, গত ২৮ জুন ২০১৮ইং বৃহস্পতিবার মাহিন্দ্র, সিএনজি, টমটম ও অটো রিক্সার মালিক ও চালক সমিতির নেতাদের সাথে জরুরী বৈঠকে বসেন লামা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার। বৈঠকে সবাইকে মোটরযান আইন মেনে যানবাহন চালাতে অনুরোধ করেন। এসময় মাহিন্দ্র, সিএনজি, টমটম ও অটো রিক্সার ডান পাশে সুরক্ষা রড লাগাতে ১০ দিনের সময় বেধে দেয়া হয়। ডান পাশে কোন যাত্রী উঠা-নামা না করাতে ও ড্রাইভারে ডান পাশে যাত্রী না বসাতে বলেন। অন্যথায় নির্দিষ্ট সময় শেষে আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান।
নির্দিষ্ট ১০ দিন শেষে রোববার (৮ জুলাই) মাঠে নামে পুলিশ। এসময় আইন অমান্যকারী ১৫/২০টি মাহিন্দ্র, সিএনজি, টমটম ও অটো রিক্সার আটক করা হয় এবং তাদের বিরুদ্ধে মোটরযান আইনে মামলা করা হয়। পাশাপাশি অতিরিক্ত মানুষ পরিবহন, হেলমেট না পারা ও কাগজপত্র সমস্যা থাকা মোটর সাইকেলের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা গ্রহণ করে পুলিশ।
লামা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার আবু সালাম চৌধুরীর নেতৃত্বে অভিযানে এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, লামা সার্কেলের পুলিশ পরিদর্শক কাজী রাকীব উদ্দিন, লামা ট্রাফিক পুলিশের পরিদর্শক জাহেদুল ইসলাম, এসআই জয়নাল আবেদীন, এএসআই শরিফ, আহসান হাবিব, নুরউদ্দিন, এবাদুল সহ প্রমূখ।
সহকারী পুলিশ সুপার আবু সালাম চৌধুরী বলেন, লোকাল পরিবহনের কাজে নিয়োজিত মাহিন্দ্র, সিএনজি, টমটম ও অটো রিক্সার গুলো নিয়ম না মানার কারণে প্রতিনিয়ত দূর্ঘটনা ঘটছে। এইসব যানবাহন গুলোর দুইপাশে যাত্রী উঠা-নামার কারণে রাস্তায় দূর্ঘনটা হচ্ছে সবসময়। গাড়ি গুলো ডান পাশে সুরক্ষা রড লাগাতে ২৮ জুন হতে ১০ দিন সময় বেধে দেয়া হয়েছিল। ইতিমধ্যে ৯০ শতাংশ গাড়িতে রড লাগানো হয়েছে। বিষয়টি সন্তোষজনক। যারা লাগাইনি তাদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে ব্যবস্থা নেয়া হবে। আলীকদম ও নাইক্ষ্যংছড়িতে একই অভিযান চলছে।

কক্সবাজার পোস্ট.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
কক্সবাজার পোস্ট সব ধরনের আলোচনা-সমালোচনা সাদরে গ্রহণ ও উৎসাহিত করে। অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য পরিহার করুন। এটা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ
এই জাতীয় আরো খবর::