শিরোনাম :
চকরিয়ায় সব পর্যটন স্পট কমিনিউটি সেন্টার ও বিনোদন কেন্দ্র বন্ধ থাকবে দুইদফায় স্থগিত হলো চকরিয়া পৌরসভা নির্বাচন হতাশায় ভোটার, খরচের খাতা দীর্ঘ হচ্ছে প্রার্থীদের! উখিয়ায় বসতবাড়ি ভাংচুর ও মালামাল লুটপাট, মহিলা সহ আহত ৩ উখিয়ায় সারফেস ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট পরিদর্শনে সিনিয়র সচিব হেলালুদ্দীন হোটেল-মোটেলসহ কক্সবাজারের সব পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ থাকবে শিগগিরই চালু হবে ইন্সটিটিউট ও পাবলিক লাইব্রেরী-সিনিয়র সচিব মো. হেলালুদ্দীন উখিয়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে রোহিঙ্গার মৃত্যু উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এপিবিএনের কার্যক্রম পরিদর্শনে ডিআইজি টেকনাফের নাফ নদী থেকে ৩ জনের মরদেহ উদ্ধার টেকনাফে এক্স-রেতেই ধরা খেল পাকস্থলীতে ইয়াবা
রবিবার, ১৩ জুন ২০২১, ০২:৪৮ পূর্বাহ্ন
ঘোষণা:
কক্সবাজার পোস্টে আপনাকে স্বাগতম, আমাদের সাথে থাকুন,কক্সবাজারকে জানুন......

রোহিঙ্গাদের ধর্মীয় স্বাধীনতা ও নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করতে হবে : কক্সবাজারে মার্কিন দূত

প্রতিবেদকের নাম::

প্রকাশ: এপ্রিল ১৮, ২০১৮ ৯:১৫ পূর্বাহ্ণ | সম্পাদনা: এপ্রিল ১৮, ২০১৮ ৯:১৫ পূর্বাহ্ণ

কক্সবাজার পোস্ট ডটকম ::
কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্প এবং তুমব্রু নো-ম্যান্স ল্যান্ড পরিদর্শন করেছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জতিক ধর্মীয় স্বাধীনতা বিষয়ক দূত স্যাম ব্রাউনব্যাক এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মার্শা ব্লুম বার্নিকাট ।

১৮ এপ্রিল বুধবার সকাল ১১টার দিকে উখিয়ায় কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন এবং নাইক্ষ্যংছড়িতে তুমব্রু কোনারপাড়া শূণ্যরেখায় অবস্থান নেয়া রোহিঙ্গা পরিস্থিতি দেখতে যান তারা। এরপর বিকালে কুতুপালং মধুর ছড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করেন এবং মসজিদের ঈমাম, মাদ্রাসা শিক্ষক, ধর্মীয় নেতাদের সাথে কথা বলেন তিনি।

এসময় যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জতিক ধর্মীয় স্বাধীনতা বিষয়ক দূত স্যাম ব্রাউন ব্যাক বলেন,রোহিঙ্গারা যাতে ন্যায় বিচার পায় এবং দ্রুত নিজ দেশে ফিরতে পারে সে বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র কাজ করছে।দেশে ফিরে গিয়ে রোহিঙ্গা মুসলিমরা পূর্ণ ধর্মীয় স্বাধীনতা যাতে ভোগ করতে পারে সেই দিকও খেয়াল রাখছে ট্রাম্প সরকার।এ কারণে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ায় যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের পাশে আছে। যুক্তরাষ্ট্র চায় দ্রুত রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফেরত নেয়া হোক।

এসময় তিনি আরো বলেন,মিয়ানমারে রোহিঙ্গারা জাতিগত বৈষম্যের শিকার হয়েছে এবং তারা সেখানে স্বাধীনভাবে ধর্মীয় কর্মকাণ্ড চালাতে বাধাগ্রস্থ হয়েছে। এ ছাড়াও মিয়ানমারের রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী সেখানকার রাখাইন সম্প্রদায়ের ধর্মীয় প্রতিবন্ধকতার পাশাপাশি অত্যাচার নির্যাতনের শিকার হয়ে প্রাণ বাঁচাতে বাংলাদেশে চলে আসতে বাধ্য হয়েছে। এমনকি অসংখ্য তরুণ-তরুণী, শিশু, বয়োবৃদ্ধ লোকজন হত্যার শিকার হয়েছে। ধর্ষণের শিকার হয়েছে কিশোরী ও তরুণীরা।

তাই সবার আগে মিয়ানমার সরকারকে নিরাপদ পরিবেশ তৈরি করতে হবে। লুণ্ঠিত বাড়িঘর, ধন সম্পদ ফিরিয়ে দিতে হবে। ধর্মীয় স্বাধীনতা ও নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। এসব সুবিধা দেয়া হলে রোহিঙ্গারা মিয়ানমারে ফিরে যাবে।

এসময় প্রশাসনের পদস্থ কর্মকর্তা সহ ইউএনএইচসিআর এবং আইওএম এর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

কক্সবাজার পোস্ট.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
কক্সবাজার পোস্ট সব ধরনের আলোচনা-সমালোচনা সাদরে গ্রহণ ও উৎসাহিত করে। অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য পরিহার করুন। এটা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ
এই জাতীয় আরো খবর::