শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৮:৫৯ অপরাহ্ন

রোহিঙ্গাকে আশ্রয় না দেয়ার জন্য ভারতের বিভিন্ন রাজ্যকে কড়া নির্দেশ দিয়েছে সরকার

প্রতিবেদকের নাম::

প্রকাশ: জুন ৫, ২০১৮ ১২:০৩ পূর্বাহ্ণ | সম্পাদনা: জুন ৫, ২০১৮ ১২:০৩ পূর্বাহ্ণ

নতুন করে কোনো রোহিঙ্গাকে আশ্রয় না দেয়ার জন্য ভারতের বিভিন্ন রাজ্য সরকারকে কড়া নির্দেশ দিয়েছে দেশটির কেন্দ্রীয় সরকার। এ নির্দেশনায় আরো বলা হয়েছে, রোহিঙ্গাদের অবস্থান ও তাদের ব্যক্তিগত তথ্য বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে নথিভুক্ত করতে হবে। তারা যাতে কোনো ধরনের ভারতীয় পরিচয়পত্র পেতে না পারে তা নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি নজরদারি আরো বাড়াতে হবে ভারতে অবস্থানরত ৪০ হাজার রোহিঙ্গার ওপর। দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়া।

সরকারি সূত্রের বরাত দিয়ে শীর্ষ ওই গণমাধ্যম আরো জানায়, প্রত্যাবাসন উদ্যোগ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে রোহিঙ্গাদের ব্যক্তিগত তথ্যাদি খুব যতœ সহকারে প্রস্তুত করা হচ্ছে। তবে এর মূল লক্ষ্য রোহিঙ্গারা যাতে নির্ধারিত ক্যাম্পের বাইরে ছড়িয়ে পড়তে না পারে। তা ছাড়া রোহিঙ্গাদের মধ্যে সম্ভাব্য জঙ্গি উপাদান ও তাদের বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার আশঙ্কা নিয়েও উদ্বিগ্ন ভারত সরকার। এ বিষয়ে ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু ও কাশ্মির রাজ্য সরকারের প্রধান সচিবকে দেয়া এক চিঠিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, অবৈধ রোহিঙ্গারা নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণ। তারা প্রতারণাসহ নানা অবৈধ কাজের সঙ্গে জড়িত। এ ছাড়া কিছু কিছু রোহিঙ্গা চরম মাত্রায় মৌলবাদী। টাইমস অব ইন্ডিয়া জানায়, অন্যান্য রাজ্যে ও কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে একই ধরনের চিঠি দেয়া হয়েছে।

এদিকে গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর হিসাব মতে, গত বছর পর্যন্ত দেশটিতে অবস্থান করছে প্রায় ৪০ হাজার রোহিঙ্গা। ভারতে প্রবেশের পর পশ্চিমবঙ্গ ও আসামের একটি প্রতারক চক্র খুব দ্রুত রোহিঙ্গাদের ভুয়া পরিচয়পত্র তৈরি করে দেয়। এ ছাড়া পশ্চিমবঙ্গের কিছু মুসলিম এনজিও ক্যাম্পে থাকার জন্য রোহিঙ্গাদের প্রয়োজনীয় সহায়তা দিয়ে থাকে। নাম প্রকাশ না করে একজন গোয়েন্দা কর্মকর্তার বরাত দিয়ে খবরে বলা হয়, সর্বশেষ কেরালা, কর্নাটক ও তামিলনাড়–র মতো রাজ্যগুলোতে রোহিঙ্গাদের যাওয়ার চেষ্টা লক্ষ্য করা গেছে। এ ছাড়া জম্মু, হায়দরাবাদ এবং আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপেও নতুন করে রোহিঙ্গার ¯্রােত লক্ষ্য করা গেছে।

গত বছর ভারতে অবস্থানকারী সব রোহিঙ্গাকে নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয় ভারত। তবে বিষয়টি আদালতে গড়ালে মানবিক দিক বিবেচনায় বিতাড়নের বিপক্ষে রায় আসে। উপায়ান্তর না দেখে তখন তাদের ওপর নজরদারি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয় ভারত সরকার

কক্সবাজার পোস্ট.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
কক্সবাজার পোস্ট সব ধরনের আলোচনা-সমালোচনা সাদরে গ্রহণ ও উৎসাহিত করে। অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য পরিহার করুন। এটা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ
এই জাতীয় আরো খবর::