তারিখ: বৃহস্পতিবার, ১২ই ডিসেম্বর, ২০১৯ ইং, ২৭শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

Share:

বার্তা পরিবেশক:
টাকা ছাড়া ফাইল খুঁজে পায় না রামু ইউএনও অফিসের অফিস সহকারী ধনঞ্জয় ধর। এছাড়া সেবা নিতে আসা লোকজনকে খারাপ ব্যবহারের অভিযোগ তুলেছে ভোক্তভোগীরা। দীর্ঘ প্রায় ২০ বছর যাবৎ রামুর ভূমি অফিস ও ইউএনও অফিসে কর্মরত থাকায় সে কাউকে পরোয়া করে না। যখন যে ইউএনও আসেন তাঁকে বশবর্তী করে কমিশন, ঘুষ বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে তিনি। তার বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ তুলে তাকে অন্যত্র বদলীর আবেদন জানিয়ে জেলা প্রশাসক বরাবরে নানা অভিযোগ জমা দিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।
জেলা প্রশাসক বরাবরে লিখিত আবেদনে ইদ্রিস মহল্লাদার,আবুল কাশেম ও মনোয়ার আলম নামে কয়েকজন চৌকিদার উল্লেখ করেন, চাকরীর সুবাদে রামু ইউএনও অফিসের অফিস সহকারী ধনঞ্জয় ধরের কাছে বেতনের জন্য যেতে হয়। তার কাছে গেলে মা-বাবার নাম ধরে গালি গালাজ করে। এমনকি তাদের দিয়ে ব্যাংক এবং ডিসি অফিস থেকে সম্পূর্ণ চেক নিয়ে এসে বেতন থেকে টাকা কর্তন করে রেখে দেয়। এ ব্যাপারে রামুতে কর্মরত চৌকিদারদের পক্ষে জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তারা। ধনঞ্জয় ধরকে অন্যত্র বদলীর আবেদন জানিয়ে জেলা প্রশাসক বরাবর করা আরেক আবেদন পত্রে বংকিম বড়ুয়া নামের এক ঠিকাদার উল্লেখ করেন, তিনি রামু ইউএনও অফিস ও ভুমি অফিসে প্রায় ১৮/২০ বছর যাবৎ চাকুরী করে আসছে। টাকা ছাড়া ঠিকাদারের ফাইল বের করে দেয় না, অফিসে আসলে অযথা বসিয়ে রাখে। ইউনও’র নাম ভাঙ্গিয়ে অনেক টাকা কামাই করে থাকে তিনি। কেউ তাকে বদলী করতে পারবেনা বা তার বিরুদ্ধে কেউ কিছু করতে পারবেনা বলে বেড়ায় তিনি।

টাকা ছাড়া কোন কাজ করে না বলে উল্লেখ করে তাকে অন্যত্র বদলীর আবেদন করেন তিনি।

খুনিয়াপালং এলাকার মৃত রফিক আহাম্মদের পুত্র মো. ইসলাম, জ্ঞান্ত বড়–য়ার পুত্র রিপন বড়–য়া ও তেজেন্দ্র বড়–য়ার পুত্র শৈল বড়–য়ার যৌত স্বাক্ষরে আবেদনে উল্লেখ করা হয়-নতুন কোন ইউএনও আসলে তাকে বশ করে নানা অপকর্ম করে থাকে ধনঞ্জয় ধর। এখান থেকে উপরি টাকা কামিয়ে ভারতে বাড়ি করেছে তিনি। এমনকি প্রতিবছর চিকিৎসার নামে একবার ভারত ঘুরে আসে। কক্সবাজার শহরে তার একটা স্বর্ণের দোকান আছে, যা তার ভাই দিয়ে পরিচালনা করে থাকে। তারা রামুবাসীর পক্ষে ইউএনও অফিসের অফিস সহকারী ধনঞ্জয় ধরকে অন্যত্র বদলীর আবেদন জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক বরাবর।

Share:
error: কপি করা নিষেধ !!