শিরোনাম :
সকল ষড়যন্ত্রের জাল ভেদ করে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাবেই: শামীম চুমু খেতেও ভয় পাচ্ছেন সালমান সুয়ারেজের বিদায়ে মেসির আবেগঘন বার্তা রিজার্ভ চুরির মামলার নোটিশ পেয়েছে সেই ক্যাসিনো পাকিস্তানেরগোয়েন্দা সংস্থার সাথে বিএনপির সম্পর্ক অনেক পুরনো: তথ্যমন্ত্রী এবার লন্ডনে থানার ভেতর পুলিশ কর্মকর্তাকে গুলি করে হত্যা ৫৪ হাজার রোহিঙ্গাকে পাসপোর্ট দিতে বাংলাদেশকে অনুরোধ জানিয়েছে সৌদি আরব: পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর ঐকান্তিক চেষ্টায় রেলওয়ে তার হারানো যৌবন ফিরে পেয়েছে : রেলমন্ত্রী বর্তমান যুগে উন্নয়নের প্রধান হাতিয়ার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি নির্ভর শিক্ষা: স্পিকার ইসরায়েল ইস্যুতে এবার ট্রাম্পকে এক হাত নিলেন সৌদি প্রিন্স
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১০:১৩ অপরাহ্ন

রামুর গর্জনিয়াতে জমে উঠেছে ঈদ বাজার

প্রতিবেদকের নাম::

প্রকাশ: মে ২৯, ২০১৮ ৬:২৫ পূর্বাহ্ণ | সম্পাদনা: মে ২৯, ২০১৮ ৬:২৫ পূর্বাহ্ণ

হাবিবুর রহমান সোহেল ::
রোজার শুরু থেকে ককসবাজার জেলার রামুর গর্জনিয়া বাজারের বিপনী বিতান গুলো জমজমাট হয়ে উঠেছে। এক মাস সিয়াম সাধনার পরই আসবে মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর। সারা বছর ধরেই বাংলাদেশের লাখ লাখ মানুষ অপেক্ষা করে ঈদের আগে সবচেয়ে সেরা কাপড়টি কিনতে। তবে বিভিন্ন কারণে অনেক মানুষ রোজার আগেই শুরু করে দিয়েছে নিজের পছন্দের কেনাকাটা। ফলে কক্সবাজার জেলার রামুর গর্জনিয়া বাজারের বিভিন্ন বিপনী বিতানগুলোতে জমে উঠেছে কেনাকাটা। বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষের চাহিদা মাথায় রেখে দোকানগুলোও সাজানো হয়েছে নিত্য নতুন ডিজাইনের থ্রীপিচ, শাড়ি, শার্ট, প্যান্ট, পাঞ্জাবি, হরেক রকম জুতোসহ দেশী বিদেশি বাহারি রকমের পোষাক। মসজিদ মার্কেট সহ বাজারের বিভিন্ন বিপণি বিতান ঘুরে দেখা যায়, সবচেয়ে বেশি ভিড় লক্ষ্য করা গেছে থান কাপড়ের দোকানগুলোতে। এছাড়া দোকানগুলোতে ভারতীয় সিরিয়ালের পোষাক ডরিমন, কটকটি, মিস মোদি, লেহেঙ্গা, লাভ স্টোরি, জলনূপুর, টাপুর-টুপুর, ঝিলিক, আশিকি টু, বোঝেনা সে বোঝেনাসহ পাকিস্তানি জর্জেট কাপড়ের পোশাক এসেছে। গতকাল রোজার ৭ম দিন ঈদের কেনাকাটা সম্পর্কে জানতে চাইলে যুব দল নেতা সামশুল আলম শাহিন পরিচালিত মসজিদ মার্কেটের উর্মি ফ্যাশনে ভাইকে নিয়ে কেনাকাটা করতে আসা কচ্ছপিয়ার তিতার পাড়ার বাসিন্দা নাজমা নাঈম বলেন, রোজার সময় মার্কেটগুলোতে অনেক ভিড় হয়। তাই আগেভাগেই কেনাকাটা সেরে নিচ্ছি। এছাড়া একটু আগে কেনাকাটা শুরু করলে বিভিন্ন মার্কেট ঘুরে দেখা যায়, হাতে অনেক সময় পাওয়া যায়। তবে কাপড়ের দাম গতবারের চেয়ে একটু বেশি বলে জানালেন তিনি। নিউ মার্কেটে কেনাকাটা করতে আসা গৃহিনী আসমা সুলতানা বলেন, রোজা রেখে শপিং করা অনেক ঝামেলার। বাসায় গিয়ে আবার ইফতার তৈরি করতে হয়। তাই আগেভাগেই কেনাকাটা সেরে নিচ্ছি। বিক্রেতারা জানান, ঈদকে ঘিরে ইতিমধ্যেই নতুন ডিজাইনের সব পোশাক তারা নিয়ে এসেছেন। কেনাকাটা ইতিমধ্যেই জমে উঠেছে। তবে ১০ রোজার পরে পুরোদমে জমে উঠবে বলে তারা আশা প্রকাশ করছেন।
হকার মার্কেটের বিক্রেতা বেলাল উদ্দীন বলেন, ইতিমধ্যেই নতুন সব কালেকশন দোকানে উঠে গেছে। ক্রেতারাও আসছেন। তবে বিক্রি এখনো সেভাবে জমে উঠেনি। বেশির ভাগই দাম দর করছেন। তবে ১৫ রোজার পরে বেচাকেনা পুরোদমে জমে উঠবে।

কক্সবাজার পোস্ট.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
কক্সবাজার পোস্ট সব ধরনের আলোচনা-সমালোচনা সাদরে গ্রহণ ও উৎসাহিত করে। অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য পরিহার করুন। এটা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ
এই জাতীয় আরো খবর::