শিরোনাম :
পেকুয়ায় গরুর খামার ও মুরগীর ফার্মে বিদ্যুৎ ষ্পৃষ্ঠে দুই যুবকের মৃত্যু মহেশখালীতে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের উপবৃত্তির টাকা আত্মসাৎ, শিক্ষকসহ আটক-২ রামুতে পর্নোগ্রাফি ও ধর্ষণ মামলার আসামী পুলিশের হাতে আটক সিনহা হত্যায় জড়িত নয় ওসি প্রদীপ, দাবি আইনজীবীর চকরিয়ায় মহাসড়কে ইজিবাইক উল্টে গৃহবধুর মৃত্যু নাফ নদের চর হতে আরও এক শিশুর লাশ উদ্ধার উখিয়ায় ইয়াবাসহ রোহিঙ্গা নারী আটক উখিয়ায় ইয়াবা ও নগদ টাকাসহ চার মাদক কারবারি আটক: সিএনজি ও মোটরসাইকেল জব্দ চকরিয়ায় সব পর্যটন স্পট কমিনিউটি সেন্টার ও বিনোদন কেন্দ্র বন্ধ থাকবে দুইদফায় স্থগিত হলো চকরিয়া পৌরসভা নির্বাচন হতাশায় ভোটার, খরচের খাতা দীর্ঘ হচ্ছে প্রার্থীদের!
সোমবার, ১৪ জুন ২০২১, ১২:৪১ পূর্বাহ্ন
ঘোষণা:
কক্সবাজার পোস্টে আপনাকে স্বাগতম, আমাদের সাথে থাকুন,কক্সবাজারকে জানুন......

রাতে উধাও হয় রোহিঙ্গা পরিবারটি

প্রতিবেদকের নাম::

প্রকাশ: এপ্রিল ১৫, ২০১৮ ৩:১৭ পূর্বাহ্ণ | সম্পাদনা: এপ্রিল ১৫, ২০১৮ ৩:১৭ পূর্বাহ্ণ

কক্সবাজার পোস্ট ডটকম::

‘শনিবার দিনেও একতার হোসেনকে ক্যাম্পে দেখা গেছে। কিন্তু রোববার সকাল থেকে তার পরিবারের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। কোথায় গেছে বলতে পারি না।’

এভাবেই বান্দরবানের একটি আশ্রয়কেন্দ্র থেকে এক রোহিঙ্গা পরিবারের মিয়ানমারে ফিরে যাওয়ার কথা জানালেন শরণার্থীদের দলনেতা নূর হোসেন।

এ জেলার নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের তুমব্রু সীমান্তের কোনাপাড়া নোম্যান্সল্যান্ডে অবস্থিত আশ্রয়কেন্দ্রটি।

প্রতিটি শিবিরের নেতাদের রোহিঙ্গা মাঝি সম্বোধন করেন। নূর হোসেনও একজন মাঝি।

তিনি বলেন, গত কয়েক দিন ধরে তার নেতৃত্বাধীন শিবিরের বেশ কয়েকটি রোহিঙ্গা পরিবার আশ্রয়কেন্দ্র ছেড়ে যাওয়ার কথাবার্তা বলাবলি করছিল। এর মধ্যে শনিবার রাতে একতার হোসেনের পরিবারটি চলে যায়।

জানা গেছে, একতার হোসেন মিয়ানমারের তুমব্রু এলাকার বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যান। শনিবার রাতে মিয়ারমার সীমান্তরক্ষীর সহযোগিতায় তার পরিবার স্বদেশে ফেরে।

বান্দরবানের ঘুমধুম ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আজিজ জানান, গত বছরের আগস্টে নির্যাতনের মুখে প্রাণ বাঁচাতে মিয়ানমার থেকে সপরিবারে পালিয়ে এসে নোম্যান্সল্যান্ডে আশ্রয় নেয় প্রায় ছয় হাজার পরিবার। তাদের মধ্যে একটি পরিবার হচ্ছে মিয়ানমারের তুমব্রু ইউপি চেয়ারম্যান একতার হোসেনের।

দীর্ঘদিন নোম্যান্সল্যান্ডের আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করলেও তাদের সঙ্গে মিয়ানমারের ওপারের যোগাযোগ ছিল। পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হওয়ায় শনিবার রাতে মিয়ারমার সীমান্তরক্ষীর সহযোগিতায় তারা ফিরে যায়।

নির্ভরযোগ্য সূত্র জানা গেছে, ফিরে যাওয়ার পর একতার হোসেনের পরিবারের সদস্যদের পরিচয়পত্র সরবরাহ করে মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনী।

তুমব্রুর সাবেক ইউপি সদস্য মোহাম্মদ ফরিদ জানান, কোনাপাড়া নোম্যান্সল্যান্ডের আশ্রয়কেন্দ্র ছেড়ে রোহিঙ্গারা মিয়ানমারে ফিরে যাচ্ছে এ ধরনের খবর শোনা যাচ্ছিল। আশ্রয়কেন্দ্রের রোহিঙ্গাদের সঙ্গে ওপারের যোগাযোগ ও যাওয়া-আসা রয়েছে।

নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সরওয়ার কামাল জানান, নোম্যান্সল্যান্ডের আশ্রয়কেন্দ্রটি মিয়ানমারের সীমানায়। মিয়ানমারের এক জনপ্রতিনিধি পরিবার নিয়ে মিয়ানমারে ফিরে গেছে খবর পেয়েছি। এটি আমাদের জন্য একটি ভালো খবর।

ধারণা করা হচ্ছে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়েছে, তাই রোহিঙ্গারা ফিরছে। এর পরও খোঁজখবর নেয়া হচ্ছে বলে জানান ইউএনও।

কক্সবাজার পোস্ট.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
কক্সবাজার পোস্ট সব ধরনের আলোচনা-সমালোচনা সাদরে গ্রহণ ও উৎসাহিত করে। অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য পরিহার করুন। এটা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ
এই জাতীয় আরো খবর::