শিরোনাম :
নুরুল হক, ইদ্রিস ও বেলায়েতের বিরুদ্ধে মামলা খারিজ, উচ্চ আদালতে যাচ্ছে ভুক্তভোগীরা ৬ ডিসেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে পরিবার কল্যাণ সেবা ও প্রচার সপ্তাহ উখিয়ায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের নিরাপদ ব্যবহারে হেলপ কক্সবাজারের সচেতনতা ক্যাম্পেইন চকরিয়ায় যাত্রীবেশে বাসে ডাকাতির ঘটনায় ৬ জন গ্রেফতার উখিয়ায় অবৈধ করাতকল উচ্ছেদ, বিপুল পরিমাণ কাঠ জব্দ কক্সবাজার কারাগারে কয়েদির আত্মহত্যা মছ্লেহ উদ্দিন চৌধুরীর মৃত্যুতে টিএমসি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শোক পেকুয়ার যুবক আফ্রিকায় ডাকাতের গুলিতে নিহত টেকনাফে ৬টি সোনার বার ও মিয়ানমারের ৯৫০ কিয়াট মুদ্রা উদ্ধার চকরিয়ার ডুলাহাজারায় পাহাড় কেটে মাটি লুট : দুই ডাম্পার জব্দ
শুক্রবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২০, ০২:১৭ পূর্বাহ্ন

রাজনীতিবিদদের পুত্রের দায়

প্রতিবেদকের নাম::

প্রকাশ: অক্টোবর ২৬, ২০২০ ৮:৪৯ অপরাহ্ণ | সম্পাদনা: অক্টোবর ২৬, ২০২০ ৮:৪৯ অপরাহ্ণ

রাজনীতিবিদদের পুত্রের দায়

[ad_1]

একজন রাজনীতিবিদ সবসময় প্রত্যাশা করে তার ছেলে তার উত্তরাধিকার হবে এবং তার মতো করে রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হবে। শুধু রাজনীতিবিদ নয়, সব পিতাই প্রত্যাশা করেন তার ছেলে একজন আদর্শ নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠবেন; তার অপূর্ণতা গুলোকে পূরণ করবেন। যে কোন পিতাই উত্তরাধিকারকে সুস্থ ও সুন্দর হিসেবে দেখতে চান; সে যেন সুন্দর মানুষ হিসেবে গড়ে উঠে- এটিই একজন পিতার সবচেয়ে বড় প্রত্যাশা। রাজনীতিবিদরাও তার ব্যতিক্রম নয়।

কিন্তু আমরা অনেক সময় লক্ষ্য করি যে, রাজনীতিতে পুত্রের কারণে বিপর্যয়ের মধ্যে পরেন অনেক রাজনীতিবিদ। আর এর ফলে তাকে চরম মূল্যও দিতে হয়। বাংলাদেশের রাজনীতিতে পুত্রের কারণে বিপর্যস্ত রাজনীতিবিদের নাম অবশ্যই খালেদা জিয়া। বেগম খালেদা জিয়ার পরিণতি এই রকম হতো না যদি না তার ছেলে তারেক রহমান দুর্নীতি, দুর্বৃত্তায়ন এবং অপকর্মের সাথে যুক্ত না হতেন।

অনেকেই মনে করেন, বিএনপি’র আজকের এমন পরিনতির জন্য দায়ী খালেদা জিয়া এবং জিয়াউর রহমানের পুত্র তারেক জিয়া। পুত্রের দায় রাজনীতিবিদদের উপর কতটা ভয়ংকর রকমের প্রভাব ফেলে তার সবচেয়ে বড় প্রমাণ হল তারেক জিয়া। শুধু তারেক জিয়া নয়, বিএনপির অনেক নেতাই তাদের পুত্রের দায়ভার বহন করছেন; তাদের পুত্রের অপকর্ম, দুর্নীতি ও দুর্বৃত্তায়নের কারণে রাজনীতিতে চরম নিন্দিত হয়েছে।

আমরা যদি বিএনপির অনেক রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের রাজনৈতিক পরিণতি বিশ্লেষণ করি তাহলে আমরা দেখব যে, ২০০১-০৬ সালে বিএনপির পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোরশেদ খানের পুত্রের দুর্নীতি এবং স্বেচ্ছাচারিতার কারণে মোরশেদ খানের রাজনৈতিক জীবন সংকটে পড়েছে। সাইফুর রহমানের পুত্রের অপকর্মের কারণে সাইফুর রহমানের পুত্রকেও বিতর্কিত হতে হয়েছে।

আর আওয়ামী লীগের রাজনীতিতেও পুত্রের কারণে বিপদে পরা রাজনীতিবিদের সংখ্যা কম নন। ২০০১ সালে আওয়ামী লীগ নেতা মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া পুত্রের দায় শুধু তাকেই বহন করতে হয়নি। এই দায় পুরো আওয়ামী লীগের উপরও বর্তে ছিল। ২০০৮ সালে ক্ষমতায় আসার পর আওয়ামী লীগ তার মন্ত্রীসভায় চমক এনেছিল। আনকোরা নতুনদের দিয়ে মন্ত্রিসভা গঠন করেছিলেন। সেই মন্ত্রিসভায় আওয়ামী লীগের তৃণমূলের একজন নেতাকে গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। সেই মন্ত্রী পুত্র কিছুদিন এপিএস এর দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তারপর তিনি একটি হোটেল দখল করতে গিয়ে বিতর্কিত হয়েছিলেন।

আরও পড়ুন: হাজী সেলিমের ছেলে ইরফান সেলিমের এক বছরের কারাদণ্ড

২০১৮ সালের নির্বাচনে ওই মন্ত্রী মনোনয়ন পাননি। ওই মন্ত্রী এমপি হিসেবেই মনোনয়ন পাননি। অনেকেই মনে করেন, শুধু ছেলের কারণেই রাজনৈতিকভাবে বিতর্কিত হয়েছিলেন ওই মন্ত্রী। সাম্প্রতিক সময়ে আওয়ামী লীগের একজন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রীর পুত্রের বিরুদ্ধেও বিভিন্ন অভিযোগ আলোচিত হয়। দুর্নীতি দমন কমিশন ওই মন্ত্রীর সাবেক সহকারি একান্ত সচিব ও সাবেক একান্ত সচিবকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে। এর প্রধান কারণ হল তার পুত্রের অপকর্ম।

আর এই তালিকায় সর্বশেষ যুক্ত হল হাজী সেলিমের পুত্রের অপকর্ম। গত রবিবার রাতে হাজী সেলিমের পুত্র একজন নৌ-কর্মকর্তাকে সামান্য ঘটনায় যেভাবে পিটিয়েছে, তা রাজনীতিবিদদের ক্ষমতার দাপটের একটি নজির মাত্র। একটি মোটর সাইকেল গাড়ির সাথে ধাক্কা লাগায় তাতে এমপি পুত্র যে রকম আচরণ করেছেন- তাতে মনে হয় নিজেকে তিনি সবকিছুর উর্দ্ধে মনে করেছিলেন। আর এই রকম উর্দ্ধে মনে করা ব্যক্তিদেরই পরিণাম হয় ভয়াবহ।

বাংলাদেশের রাজনীতিতে পুত্রদের কারণে রাজনীতিবিদদের যে বিপর্যয়, সেই বিপর্যয়ের সর্বশেষ উদাহরণ হিসেবে যুক্ত হবে এই ঘটনাটি।

সূত্র : বাংলা ইনসাইডার
এম এন / ২৭ অক্টোবর



[ad_2]

কক্সবাজার পোস্ট.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
কক্সবাজার পোস্ট সব ধরনের আলোচনা-সমালোচনা সাদরে গ্রহণ ও উৎসাহিত করে। অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য পরিহার করুন। এটা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ
এই জাতীয় আরো খবর::