শিরোনাম :
উখিয়া প্রেসক্লাবের নির্বাচন কমিশনের জরুরী সভা অনুষ্ঠিত চকরিয়ায় বন বিভাগের অভিযানে ৪০ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ, ২ একর জমি উদ্ধার ইয়াবা উদ্ধার: কক্সবাজারের ২জনসহ ৪ কারবারির ১০ বছরের কারাদণ্ড জাহাঙ্গীর মেচসহ দুই রেস্টুরেন্টকে গুনতে হলো জরিমানা কোটি টাকার ইয়াবা নিয়ে চকরিয়ার ১ নারীসহ বাঁশখালীতে ৫ জন গ্রেপ্তার টেকনাফে ৬০ হাজার ইয়াবা সহ রোহিঙ্গা আটক আকাশ সম স্বপ্ন নিয়ে কক্সবাজার শিশু হাসপাতালের উদ্যোগ নিয়েছি : জেলা প্রশাসক করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবেলায় কঠোর জেলা প্রশাসন রাজধানীর পাইকারি বাজারে কমেনি সবজির দাম উখিয়া-টেকনাফের সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যাপক মোহাম্মদ আলী আর নেই
মঙ্গলবার, ২৪ নভেম্বর ২০২০, ০৬:১৫ পূর্বাহ্ন

মুক্তিযোদ্ধা না হয়েও নিচ্ছেন ভাতাসহ সরকারি সকল সুবিধা

প্রতিবেদকের নাম::

প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২০ ৬:৫২ পূর্বাহ্ণ | সম্পাদনা: সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২০ ৬:৫২ পূর্বাহ্ণ

[ad_1]

টাঙ্গাইল, ২৮ সেপ্টেম্বর- টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলায় যুদ্ধ না করেও মুক্তিযোদ্ধা সেজে ভাতাসহ সব ধরনের সরকারি সুযোগ সুবিধা ভোগ করার অভিযোগ উঠেছে আলমগীর হোসেন হিরু নামে এক ব্যক্তি। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর তার বিরুদ্ধে তদন্ত নেমেছে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা)। তার পরিপ্রেক্ষিতে আজ সোমবার সকাল ১০টায় জামুকার কার্যালয়ে অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য হিরুকে ডাকা হয়। এজন্য জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের সহকারী পরিচালক প্রশাসন-২ স্বাক্ষরিত একটি পত্র দেওয়া হয়েছিল। হিরুর বিরুদ্ধে তার আপন সহোদরদের করা অভিযোগের ভিত্তিতে এই যাচাই-বাছাই করা হয়।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে নিজেকে মুক্তিযোদ্ধা দাবি করা আলমগীর হোসেন হিরু জানান, মির্জাপুর পৌর মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের সাবেক কমান্ডার মোহাম্মদ আলীর সঙ্গে একই কোম্পানিতে যুদ্ধ করেছেন তিনি। অথচ কমান্ডার মোহাম্মদ আলী জানান, ওই নামের কেউ তার সঙ্গে বা তার কোম্পানিতে যুদ্ধ করেননি।

এত কিছুর পরও আলমগীর হোসেন হিরু নিজেকে মুক্তিযোদ্ধা পরিচয় দিয়ে গোপনে তালিকাভুক্ত করেছেন নিজের নাম। গত কয়েক বছর ধরে ভাতাও উত্তোলন করছেন। মুক্তিযোদ্ধা কোঠায় ইতিমধ্যে এক ছেলে পুলিশে এবং এক মেয়ে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চাকুরিও দিয়েছেন। অপর ছেলেরও পুলিশে চাকুরি হওয়ার পথে বলে জানা গেছে।

আরও পড়ুন: ভোটের দিন সাধারণ ছুটি নিয়ে যা বললেন ইসি সচিব

এদিকে যুদ্ধ না করে নিজেকে মুক্তিযোদ্ধা পরিচয় দিয়ে প্রতারণার মাধ্যমে গোপনে তালিকায় নাম অন্তর্ভূক্ত করে দিনের পর দিন সরকারি সুবিধা নিচ্ছেন হিরু। এমন অভিযোগ তুলে গত বছর ডিসেম্বরে তার আপন বড় দুই ভাই আবদুল বাছেদ মুন্সী ও বাবুল হোসেন বাবু মিয়া মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল বরাবর লিখিত অভিযোগ দেন।

পরে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল অভিযোগটি আমলে নিয়ে যাচাই-বাছাইয়ের জন্য আজ সোমবার সকাল ১০টায় অভিযোগকারী ও অভিযুক্ত পক্ষকে উপযুক্ত সাক্ষি এবং দালিলিক প্রমাণাদিসহ জামুকার কার্যালয়ে হাজির হতে বলা হয়েছে।

হিরুর বড় দুই ভাইয়ের মধ্যে আবদুল বাছেদ মুন্সী গত কয়েক মাস আগে মৃত্যু বরণ করেছেন। অপর ভাই বাবুল হোসেন বলেন, ‘ছোট ভাই যুদ্ধ না করেও প্রতারণার মাধ্যমে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে নাম লেখানোর কারণে সমাজে প্রতিনিয়ত নানা ধরনের কথা শুনতে হয়। এছাড়া মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে কেউ প্রতারণা করুক তা আমরাও চাই না। তাই বড় ভাইয়ের ইচ্ছে ছিল এই অপবাদ থেকে মুক্তির। আমিও তাই চাই।’

গ্রামের বাসিন্দা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের তিনবারের নির্বাচিত কমান্ডার অধ্যাপক দুর্লভ বিশ্বাস বলেন, ‘আলমগীর হোসেন হিরু যে মুক্তিযোদ্ধা ২০১০ সালে মুক্তিযোদ্ধা ভোটার তালিকায় তার নাম দেখে আমি জানতে পেরেছি।’ একই কথা বলেন, গ্রামের বাসিন্দা যুদ্ধকালীন সময়ের স্বেচ্ছাসেবক জোয়াহের আলী।

সূত্র : আমাদের সময়
এন এইচ, ২৮ সেপ্টেম্বর



[ad_2]

কক্সবাজার পোস্ট.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
কক্সবাজার পোস্ট সব ধরনের আলোচনা-সমালোচনা সাদরে গ্রহণ ও উৎসাহিত করে। অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য পরিহার করুন। এটা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ
এই জাতীয় আরো খবর::