শিরোনাম :
উখিয়া প্রেসক্লাবের নির্বাচন কমিশনের জরুরী সভা অনুষ্ঠিত চকরিয়ায় বন বিভাগের অভিযানে ৪০ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ, ২ একর জমি উদ্ধার ইয়াবা উদ্ধার: কক্সবাজারের ২জনসহ ৪ কারবারির ১০ বছরের কারাদণ্ড জাহাঙ্গীর মেচসহ দুই রেস্টুরেন্টকে গুনতে হলো জরিমানা কোটি টাকার ইয়াবা নিয়ে চকরিয়ার ১ নারীসহ বাঁশখালীতে ৫ জন গ্রেপ্তার টেকনাফে ৬০ হাজার ইয়াবা সহ রোহিঙ্গা আটক আকাশ সম স্বপ্ন নিয়ে কক্সবাজার শিশু হাসপাতালের উদ্যোগ নিয়েছি : জেলা প্রশাসক করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবেলায় কঠোর জেলা প্রশাসন রাজধানীর পাইকারি বাজারে কমেনি সবজির দাম উখিয়া-টেকনাফের সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যাপক মোহাম্মদ আলী আর নেই
সোমবার, ২৩ নভেম্বর ২০২০, ১০:৩৩ অপরাহ্ন

মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় রোটারি বাংলাদেশ

প্রতিবেদকের নাম::

প্রকাশ: অক্টোবর ১১, ২০২০ ৩:৫১ পূর্বাহ্ণ | সম্পাদনা: অক্টোবর ১১, ২০২০ ৩:৫১ পূর্বাহ্ণ

[ad_1]

রোটারি ইন্টারন্যাশানাল একটি অরাজনৈতিক, অসাম্প্রদায়িক এবং সেবাধর্মী সংগঠন। সারা বিশ্ব জুড়ে বর্তমানে রোটারি ক্লাবের সংখ্যা ৩২ হাজারেরও বেশি এবং এর সদস্য সংখ্যা প্রায় ২০ লক্ষ। রোটারি ক্লাবের সদস্যরা রোটারিয়ান হিসেবে পরিচিত। সমাজের প্রতিষ্ঠিত বিভিন্ন স্তরের পেশাজীবি ও ব্যবসায়ি নেতৃবৃন্দ যারা মানবতার সেবা করতে চান এবং বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠায় নিজেকে উৎসর্গ করতে দ্বিধান্বিত হন না তারাই এ ক্লাবের সাথে জড়িত।

১৯০৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো শহরে প্রথম রোটারি ক্লাব গঠন করা হয়। এর প্রতিষ্ঠাতা হচ্ছেন এটর্নি পল হারিস। ঐ বছরের ২৩শে ফেব্রুয়ারি তিনি তাঁর বন্ধু সিলভেষ্টার সিয়েলি, গুয়েষ্টেভ লোহের এবং হিরাম শোরেকে নিয়ে প্রথম সভা করেন। যেহেতু তারা প্রত্যেক সপ্তাহে ঘুরে ঘুরে একেকজনের অফিসে সভা করতেন সেজন্যে এ ক্লাবের নামকরণ করেন রোটারি।

১৯১২ সালের এপ্রিল মাসে কানাডার মেনিটোবা শহরে প্রথম রোটারি ক্লাবের শাখা গঠন করা হয়। একই বছরের আগষ্ট মাসে ল-নে তৃতীয় রোটারি ক্লাব গঠন করা হয়। এরপর থেকে বিভিন্ন দেশে এর শাখা গঠন হতে থাকে। অভিভক্ত ভারতে রোটারি ক্লাব গঠন করা হয় ১৯২০ সালে।

বাংলাদেশে রোটারীর ইতিহাস বেশ প্রাচীন। ১৯৩৭ সালে ঢাকার উচ্চ শ্রেণীর কয়েকজন নাগরিকের উদ্যোগে প্রথম রোটারী ক্লাবের যাত্রা শুরু হয়। এর ১৪ বছর পর ১৯৫২ সালে চট্টগ্রামে দ্বিতীয় ক্লাবের সূচনা ঘটে। জানা যায়, স্বাধীনতার পূর্ব পর্যন্ত রোটারীর কার্যক্রম একেবারেই সীমাবদ্ধ ছিল। ১৯৭১ সালে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর স্বাধীন বাংলাদেশে মাত্র ৭টি ক্লাব নিয়ে রোটারি যাত্রা শুরু করে। বর্তমানে ক্লাবের সংখ্যা ১৬০ এবং এর সদস্য সংখ্যা প্রায় সাড়ে চার হাজার।

মূলতঃ সমাজের নেতৃস্থানীয়, উদার মনোভাবাপন্ন এবং প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তিবর্গ রোটারি ক্লাবের সদস্য। এ সংগঠনের মাধ্যমে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা, গরীব শিশুদের শিক্ষালাভে আর্থিক সহায়তা, দুঃস্থদের মধ্যে বস্ত্র বিতরণ, শারিরীক প্রতিবন্ধীদের হুইল চেয়ার প্রদানসহ অসহায় মানুষকে বিভিন্নভাবে সাহায্য করা হয়ে থাকে। পোলিও দূরীকরণে বাংলাদেশ রোটারি বিরাট ভূমিকা রেখেছে। এছাড়া বাসষ্ট্যান্ডের যাত্রী ছাউনি স্থাপন, চক্ষু ক্যাম্প, ডায়াবেটিস সচেতনতাসহ জাতীয় দুর্যোগে রোটারিয়ানরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকেন।

রোটারি ইন্টারন্যাশানালের বিধি অনুযায়ী বাংলাদেশকে একটি ডিষ্ট্রিক্ট এর মর্যাদা দেয়া হয়। ডিষ্ট্রিক্ট নম্বর ৩২৮০। বাংলাদেশের সবগুলো ক্লাব এই ডিষ্ট্রিক্ট দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। ডিষ্ট্রিক্ট-এ রয়েছেন একজন গভর্ণর। বর্তমান গভর্ণর বিশিষ্ট শিল্পপতি শামসুল হুদা। প্রতি সপ্তাহে রোটারি ক্লাবগুলোর সদস্যরা যার যার ক্লাবের ব্যানারে নির্ধারিত স্থানে সাপ্তাহিক সভায় মিলিত হন এবং মতবিনিময় করেন। মাঝে মধ্যে কয়েকটি ক্লাবের যৌথ উদ্যোগেও সভা অনুষ্ঠিত হয়। যে কোন সদস্য যে কোন ক্লাবের সাপ্তাহিক সভায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকতে পারেন।

রোটারি ক্লাবের সাংগঠনিক কাঠামো এবং নিয়ম-নীতি অন্যান্য সংগঠনের চাইতে ভিন্ন। যে কেউ চাইলেই এর সদস্য হতে পারেন না। আমন্ত্রনের মাধ্যমে এর সদস্য সংগ্রহ করা হয়। একজন স্পন্সর আমন্ত্রিত অতিথিকে ক্লাবের সাপ্তাহিক সভায় পরিচয় করিয়ে দিয়ে তার জীবনবৃত্তান্ত তুলে ধরেন। (উল্লেখ্য, রোটারি ক্লাবের সদস্যদের শ্রেণীবিভাগ রয়েছে। যাকে আমন্ত্রণ জানানো হয় তিনি উল্লেখিত শ্রেণীর নেতৃস্থানীয় হতে হবে।) পরবর্তীতে কার্যকরি কমিটির অনুমোদন সাপেক্ষে আমন্ত্রিত ব্যক্তি সদস্যপদ লাভ করেন। ক্লাবের কর্মকা-কে সচল রাখতে একেকজন রোটারিয়ান মোটা অংকের অর্থ খরচ করে থাকেন।

রোটারিয়ানরা চারটি পয়েন্ট-এর উপর বিশ্বাস করেন। (১) এটা কি সত্যি? (২) এটা কি সংশ্লিষ্ট সকলের জন্য ন্যায়সঙ্গত? (৩) এটা কি সুনাম এবং বন্ধুত্ব সুদৃঢ় করবে? (৪) এটা কি সংশ্লিষ্ট সকলের জন্য মঙ্গলকর? এ ছাড়া রোটারি ইন্টারন্যাশানাল প্রতি বছর নতুন নতুন শ্লোগান দিয়ে সদস্যদের উজ্জীবিত করে রাখে। এ বছরের শ্লোগান হচ্ছে- রোটারির ভবিষ্যত আপনার হাতের মধ্যে (দ্য ফিউচার অব রোটারি ইজ ইন ইওর হ্যান্ডস)।

সব ক্লাবেরই কিছু না কিছু কর্মকান্ড আছে। সকলেই খুশি মনে যার যার মতো করে কাজ করে আসছিলেন। অকস্মাাৎ গত ২০শে ফেব্রুয়ারি ২০১০ ঢাকা ক্লাবে রোটারি ঢাকা সেন্ট্রাল এর সাপ্তাহিক সভায় উপস্থিত সকলের চেতনায় নাড়া দিল একটি প্রস্তাব। প্রস্তাবকারী আমি নিজে। আমার প্রস্তাব ছিল: আমাদের জাতীয় দিবসগুলোতে রোটারি ক্লাবগুলোর কার্যক্রম থাকা উচিত। সারা দেশের সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো যেদিনগুলোতে নানান কার্যক্রম নিয়ে দেশের মানুষের সাথে সম্পৃক্ত হয় সেদিনগুলোতে আমরা কিছুই করি না। আমি সবাইকে আগামী ২৬শে মার্চ থেকে জাতীয় দিবসগুলো যথাযোগ্য মর্যাদার সাথে পালন করার আহবান জানাই। আমার এ প্রস্তাবটি তাৎক্ষণিকভাবে সমর্থন করেন সাবেক সেনা প্রধান বীর মুক্তিযোদ্ধা লেফটেন্যান্ট জেনারেল হারুন উর রশীদ এবং কমোডোর (অবঃ) আতাউর রহমান, তারপর উপস্থিত সকলে। সবাই আমার এ প্রস্তাবের প্রশংসা করে অভিনন্দন জানান। অনেকে প্রস্তাবের সমর্থন করে তাদের নিজস্ব মতামত ব্যক্ত করেন। অবশেষে প্রস্তাবটি গর্ভনরের কাছে লিখিত আকারে নিয়ে যাওয়ার জন্যে সভায় সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়।

ঘরে ফিরে এসে গভর্নরের কাছে লিখলাম একটা চিঠি।

মাননীয় গভর্ণর
রোটারী ডিষ্ট্রিক্ট ৩২৮০ বাংলাদেশ

জনাব,
আমি একজন রোটারিয়ান এবং ঢাকা সেন্ট্রাল ক্লাবের সদস্য। রোটারিয়ানদের বিভিন্ন কার্যক্রম এবং রোটারি ক্লাবের নেটওয়ার্ক আমাকে আকৃষ্ট করেছে বিধায় আমি এর সাথে সম্পৃক্ত হই। আমার বিশ্বাস এ নেটওয়ার্কের মাধ্যমে দেশ ও সমাজের কল্যানার্থে অনেক কাজ করা আমাদের পক্ষে সম্ভব।

শুরু থেকেই আমি লক্ষ্য করেছি, রোটারিয়ানরা দেশব্যাপী সাধারণ মানুষের সেবায় ব্যাপক কাজ করে যাচ্ছেন। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সমাজ কল্যানমূলক বহু কর্মকা-ের সাথে আমাদের সদস্যরা তথা ক্লাবগুলো সম্পর্কিত। বলতে দ্বিধা নেই তারপরও সমাজ থেকে আমরা বিচ্ছিন্ন বলে প্রতীয়মান। সাধারণদের সাথে রোটারিয়ানদের একটি দূরত্ব বা গ্যাপ তৈরি হয়ে আছে। আমি মনে করি যে লক্ষ্য নিয়ে আমরা কাজ করছি তা ফলপ্রসু করতে হলে দেশের জনগনের আবেগ ও ভালবাসার মর্যাদা দিয়ে করলে তা সহজতর হবে। এ লক্ষ্যে গত ২০শে ফেব্রুয়ারি ক্লাবের সাপ্তাহিক সভায় আমি বিষয়টি প্রস্তাবাকারে পেশ করি এবং উপস্থিত সম্মানিত সদস্যরা আমার প্রস্তাবকে সমর্থন প্রদান করেন।

আমার প্রস্তাব হচ্ছে: আমাদের জাতীয় দিবসগুলোতে (শহীদ দিবস,স্বাধীনতা দিবস, নববর্ষ এবং বিজয় দিবস) রোটারি ক্লাবগুলোর কার্যক্রম থাকা উচিত। সারা দেশের সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো যেদিনগুলোতে নানান কার্যক্রম নিয়ে দেশের মানুষের সাথে সম্পৃক্ত হয় সেদিনগুলোতে আমরা কিছুই করি না। আমরা নিজেরা সাধারণ মানুষ থেকে নিজেদের বিচ্ছিন্ন করে রেখেছি। এটা খুবই দুঃখজনক। আমি আশা করবো, আপনি এ প্রস্তাবটি গ্রহণ করে শীঘ্রই সকল ক্লাবকে আগামী ২৬শে মার্চ ২০১০ থেকে জাতীয় দিবসগুলো যথাযোগ্য মর্যাদার সাথে পালন করার আহবান জানাবেন। সেই সাথে নিম্নোক্ত দিক নির্দেশনা প্রদান করা যেতে পারে।

জাতীয় দিবসগুলোতে আমরা যা যা করতে পারিঃ
২১শে ফেব্রয়ারি: শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। এ উপলক্ষে ১লা ফেব্রুয়ারি থেকে আমরা মাসব্যাপী বই বিতরণ কার্যক্রম হাতে নিতে পারি। দেশের স্কুল-কলেজের লাইব্রেরীগুলোতে দেয়া এসব বই শিক্ষার্থীদের পাঠাভ্যাস গড়ে তোলার জন্য উৎসাহ জোগাবে। দেশব্যাপী ছাত্র/ছাত্রীদের মধ্যে রচনা প্রতিযোগিতার আহবান জানানো যেতে পারে। ২১শে ফেব্রুয়ারি ভোরে প্রতিটি রোটারি ক্লাব শহীদ মিনারের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পন করবে।

২৬শে মার্চ: মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে রোটারি ক্লাবের পক্ষ থেকে রক্তদান কর্মসূচি ও স্বাস্থ্য সম্পর্কিত ক্যাম্প স্থাপন করা যেতে পারে। রোটারিয়ানদের মধ্যে যারা মুক্তিযোদ্ধা তাদের সংবর্ধনা জানাতে পারি। দুঃস্থ মুক্তিযোদ্ধাদের সহায়তা করতে পারি। রোটারিয়ানদের মধ্যে যারা লেখালেখি করেন তাদের লেখা নিয়ে একটি ম্যাগাজিন প্রকাশ করা যেতে পারে।

১৪ই এপ্রিল: বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে রোটারি ক্লাবগুলো ফ্যামিলি ডে হিসেবে উদযাপন করতে পারে। আমরা সকলে একত্রিত হয়ে দিনটাকে উপভোগ করতে পারি। এছাড়া যৌথভাবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন অথবা বিভিন্ন অনুষ্ঠান স্পন্সর করা যেতে পারে। এ ছাড়া মেলা প্রাঙ্গনে স্বাস্থ্য সম্পর্কিত ক্যাম্পও স্থাপন করা যেতে পারে।

১৬ই ডিসেম্বর: মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে রক্তদান কর্মসূচি, স্বাস্থ্য বিষয়ক ক্যাম্প ও বস্ত্র বিতরণ কর্মসূচি হাতে নেয়া যেতে পারে। মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান, গুণিজন সংবর্ধনা ছাড়াও এ উপলক্ষে একটি বার্ষিক ম্যাগাজিন প্রকাশ করে বছরের কার্যক্রম তুলে ধরা যেতে পারে।

আমি মনে করি উপরোক্ত কার্যক্রম দেশ ও সমাজের কাছে রোটারিয়ানদের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করবে। পাশাপাশি আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ক্লাবে যোগ দিতে উৎসাহিত হবে এবং আমাদের কার্যক্রমকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।

দেশকে দারিদ্রমুক্ত করতে, ঘরে ঘরে শিক্ষার আলো জ্বালাতে, দেশের মানুষকে স্বাস্থ্য সচেতন করে তুলতে রোটারিয়নরা কাজ করেন এ সত্য প্রতিষ্ঠিত হোক।

রোটারিয়ান নজরুল মিন্টো

২৫শে ফেব্রুয়ারি গভর্ণরের সাথে অ্যাপোয়েন্টমেন্ট করলেন ক্লাবের প্রেসিডেন্ট আবরার হোসেন। যদিও শারিরীক অসুস্থতায় তিনি আমাদের সাথে যেতে পারেননি। লেফটেন্যান্ট জেনারেল হারুন, কমোডোর রহমান এবং আমি আমরা তিনজন লিখিত প্রস্তাবটি নিয়ে গেলাম গভর্ণরের অফিসে। তিনি আমাদের অভিনন্দন জানিয়ে বললেন যেভাবেই হোক আসছে ২৬শে মার্চ থেকে এ ঐতিহাসিক যাত্রা শুরু করা যেতে পারে। তিনি ঢাকা সেন্ট্রাল ক্লাবকে এবারের এ গুরুদায়িত্ব পালন করার আহবান জানালেন সেই সাথে জেনারেল হারুনকে এর নেতৃত্ব নেয়ার অনুরোধ করলেন। বৈঠকে তিনি সকল ক্লাবকে চিঠি লিখে এ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে দেবেন বলেও জানালেন। ঐ বৈঠকেই সিদ্ধান্ত হলো ২৬শে মার্চ সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে রোটারী বাংলাদেশের পক্ষ থেকে পুষ্পস্তবক অর্পনের মাধ্যমে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করা হবে। গভর্ণর নিজে এর নেতৃত্ব দেবেন। থীম লিখে দিলাম ”মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় রোটারি বাংলাদেশ”।

সর্বশেষ: ২৬শে মার্চ, ২০১০। স্বাধীনতার ৩৯ বছর পর রোটারি বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে বীর শহীদদের শ্রদ্ধা জানালো।



[ad_2]

কক্সবাজার পোস্ট.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
কক্সবাজার পোস্ট সব ধরনের আলোচনা-সমালোচনা সাদরে গ্রহণ ও উৎসাহিত করে। অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য পরিহার করুন। এটা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ
এই জাতীয় আরো খবর::