তারিখ: মঙ্গলবার, ১৯শে মার্চ, ২০১৯ ইং, ৫ই চৈত্র, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম

Share:

আইয়ুব খান। ৩০ বছর বয়সী গাজীপুরের এই যুবক ২০১৫ সালে মাছের ব্যবসা করতেন। পরে জমি কেনা-বেচার দালালিতে যুক্ত হন। এটা থেকে তার আয় চারগুণ বেড়ে যায়। কিন্তু ধনী হওয়ার ইচ্ছা দমেনি তার। সেই ইচ্ছা থেকেই যোগ দেন সন্ত্রাসী গ্রুপে। এরপর তার নামে অস্ত্র, খুন ও বিস্ফোরকসহ অন্তত সাতটি মামলা হয়। জেলে বন্দী থেকেও চালিয়েছেন মরণ নেশা ইয়াবার ডিলারশিপ।

২০১৭ সালে একটি অস্ত্র মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে জেলে যান আইয়ুব খান। মামলার শাস্তি চলমান অবস্থাতেই ফন্দি আঁটেন নতুন অপরাধের। জেলে জাফর নামের এক ইয়াবা বিক্রেতার সঙ্গে পরিচয়ের সূত্র ধরে কারাগারের মধ্যে মাদক বাণিজ্যের পরিকল্পনা করতে থাকেন আইয়ুব।

প্রায় ২০ মাস হাজতবাসের পর ছাড়া পেয়ে পরিকল্পনা অনুযায়ী আইয়ুব সন্ত্রাসী থেকে হয়ে ওঠেন পুরোদস্তুর ইয়াবার ডিলার। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। নতুন ব্যবসা শুরুর মাত্র দুই সপ্তাহর মাথায় তিনি ধরা পড়েন র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব-১) জালে।

আরো পড়ুন ::  জালে আটকাপড়া সেন্টমার্টিনগামী জাহাজ থেকে ৩শ’ পর্যটক উদ্ধার

আজ বৃহস্পতিবার সকালে গাজীপুর সদর থানার মইশাল বাড়ি এলাকায় অভিযান চালিয়ে আইয়ুবকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব।

২০১৫ সালে মাছের ব্যবসায় আয়ের মুখ দেখতে না পেরে আইয়ুব খান যোগ দেন গাজীপুরেরই কয়েকটি সন্ত্রাসী গ্রুপের সঙ্গে। এরপর আর পেছনে তাকাতে হয়নি। নিজের আঙুল ফুলিয়ে কলা গাছ বানিয়েছেন কয়েক বছরেই। আজ যখন গ্রেপ্তার করা হয়, তখন তার কাছ থেকে ১ হাজার ৮৭ পিস ইয়াবা, তিনটি মুঠোফোন ও মাদক বিক্রির সাড়ে তিন হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।

আইয়ুবকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের বরাত দিয়ে র‌্যাব-১-এর স্কোয়াড কমান্ডার (সিপিসি-২) সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) সালাউদ্দিন জানান, ২০১৭ সালের জুনে এক অস্ত্র মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে জেলে যান আইয়ুব। সেখানে থাকা অবস্থায় ইয়াবা বিক্রেতা জাফরের সঙ্গে পরিচয় হয় তার। সেই সূত্রেই তারা একসঙ্গে ইয়াবা বিক্রির পরিকল্পনা করেন।

২০ মাস পর গত ১ মার্চ জেল থেকে ছাড়া পেয়ে জাফরের পরিচয় করিয়ে দেওয়া রতন নামের এক ব্যক্তির সঙ্গে ইয়াবা বিক্রি শুরু করেন। তিনি রতনের কাছ থেকে ইয়াবা সংগ্রহ করে সাইদুর, জহির, আজিজুরসহ কয়েকজনকে দিয়ে বিক্রি চালিয়ে আসছিলেন। আইয়ুবের অন্যতম সহযোগী মনির খাঁ সম্প্রতি বন্দুকযুদ্ধে মারা গেছেন। আইয়ুবের অন্য সহযোগীদের আটকের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলেও এএসপি সালাউদ্দিন জানান।

আরো পড়ুন ::  নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে লামায় বাগানের গাছ বিক্রি করছে ডেসটিনির শীর্ষ কর্মকর্তারা

Share:

আপনার মতামত প্রদান করুন ::