বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২০, ০১:৪৭ অপরাহ্ন

মহেশখালী-চালিয়াতলী মাতারবাড়ী সংযোগ সড়ক বিধ্বস্ত: ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন

প্রতিবেদকের নাম::

প্রকাশ: জুন ৩০, ২০১৮ ১০:৪৮ পূর্বাহ্ণ | সম্পাদনা: জুন ৩০, ২০১৮ ১০:৪৯ পূর্বাহ্ণ

মহেশখালী উপজেলার চালিয়াতলী মাতারবাড়ী সংযোগ সড়কটি বেহাল দশা হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যেন চোখেই পড়ছেনা। একের পর এক ভয়াবহ বন্যার কবলে পড়ে ক্ষত-বিক্ষত হয়ে যাওয়ায় চালিয়াতলী মাতারবাড়ী সড়কের একাধিক পয়েন্টে সড়কটি বিশাল অংশ কূহলিয়া নদীতে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। এরপরেও সংশ্লিষ্ট দপ্তর সাগরের ভাংগন থেকে সড়কটির রক্ষার কোন উদ্যোগ না নেয়ায় মারাত্মক ঝুঁকি নিয়ে প্রতিদিন চলাচল করছে শতশত যানবাহন। মাতারবাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান মোহাম্মদ উল্লাহ জানিয়েছেন, বিধ্বস্ত সড়ক ও চুর্ন্যবিচুর্ন্য হয়ে যাওয়া কালভার্টটি নির্মাণের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে অবহিত করা হয়েছে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার কালারমারছড়া চালিয়াতলী সংযোগ সড়কের চিতাখোলার রাস্তার মাথা থেকে মাতারবাড়ী ব্রিজ পর্যন্ত সড়কের বিভিন্ন স্থানে ইট, কংক্রিট উঠে গিয়ে ছোট-বড় অসংখ্য গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। কয়েকদিনের বৃষ্টিতে সড়কটির এখন কাহিল অবস্থা। অপর দিকে চালিয়াতলী মাতারবাড়ী সংযোগ সড়কের কিশোলয় (ঢাকাইয়া) ঘোনা লাঘোয়া কালভার্টটির মাঝখানে দেখা দিয়েছে ফাটল। এতে যে কোন মুহুর্তে কালভার্টটি ধ্বসে পড়ে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার আশংকা করেছেন পথচারী লোকজন। তবে এ ভাঙ্গন ঠেকাতে লোক দেখানো নামে মাত্র মহেশখালী উপজেলা প্রকৌশলী দায় এড়াতে ৪টি পাটাতন ধারা জোড়া তালি দিয়ে যানবাহন যাতায়তের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। কিন্তু ভারী যানবাহন যাতায়তের কারণে পাটাতনের আশে-পাশে কালভার্টের বিভিন্ন অংশ ভেঙ্গে চুর্ন্যবিচ্যুর্ন হয়ে যাচ্ছে। পাশা-পাশি দায়সারা ভাবে বসানো পাটাতন ও গাড়ী চলাচল করতে গিয়ে সরে যাচ্ছে। এতে যে কোন মুহুর্তে কালভার্টটি ধ্বসে প্রাণহানি সহ যানবাহন ক্ষতি হওয়ার আশংকা দেখা দিয়েছে। পথচারী লোকজন জানান, এ সড়কটি কয়েকদিন আগেও ভাল ছিল। গত কয়েকদিনের বৃষ্টিতে সড়কটি নিঁচু হওয়ায় জোয়ারের পানিতে তলিয়ে গিয়ে বিধ্বস্ত হয়। এতে মারাত্মক ঝুঁকি নিয়ে যানবাহন চলাচল করছে এই সড়কে। মাতারবাড়ীর আওয়ামীলীগ নেতা মাষ্টার মনজুরুল আলম জানান, বিকল্প সড়ক না থাকায় দেশের সর্ববৃহৎ কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্পে ভারী যানবাহনে মালামাল নিয়ে যাওয়া হয় এই সড়ক দিয়ে। মাতারবাড়ী বাসিন্দা ডাঃ ইয়াকুব আক্ষেপ করে বলেন, প্রতি বছর সামুদ্রিক অস্বাভাবিক জোয়ারের পানির তোড়ে সকড়টি বার বার ক্ষত-বিক্ষত হয়ে আস্ছে। তিনি আরো বলেন কোন প্রকল্প শুরু করার পূর্বে যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়ন করা দরকার। কিন্তু এখন দেখলাম রাস%

কক্সবাজার পোস্ট.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
কক্সবাজার পোস্ট সব ধরনের আলোচনা-সমালোচনা সাদরে গ্রহণ ও উৎসাহিত করে। অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য পরিহার করুন। এটা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ
এই জাতীয় আরো খবর::