শিরোনাম :
সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০২:৫৪ পূর্বাহ্ন

মহেশখালীতে পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে জামায়াত নেতার ইন্ধনে মিথ্যে মামলার শিকার নিরীহ লোকজন

প্রতিবেদকের নাম::

প্রকাশ: মে ১৪, ২০১৮ ৯:৫০ পূর্বাহ্ণ | সম্পাদনা: মে ১৪, ২০১৮ ৯:৫৪ পূর্বাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক, মহেশখালী ::

পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে মহেশখালী পৌরসভার একটি পরিবার মিথ্যে মামলার শিকার হওয়ার খবর পাওয়া গেছে ৷
স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীর ভাষ্যমতে ,এ মিথ্যে মামলায় হয়রানির শিকার হচ্ছে উপজেলার আদালত সড়কের প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী তাজ প্রিন্টার্সের সত্বাধিকারি আহসান উল্লাহ সহ তার পরিবারের নারী সদস্যরা ৷
সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, জনৈক মীর আহম্মদের পুত্র রিদওয়ান বিগত দুইহাজার আট সালে সৌদি আরব থাকাকালীন সময়ে তার আপন ভাগ্নে আনছাররের নিকট হতে আকামার মেয়াদ বৃদ্ধির কথা বলে বাংলাদেশী টাকায় প্রায় এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা ধার নেই ৷
শর্ত ছিলো একমাসের মধ্যে টাকা পরিশোধ করে দিবে ৷
তার ভাগ্নে সরল বিশ্বাসে আপন মামাকে টাকা ধার দেয় ৷
টাকা পাওয়ার পর জনৈক রিদওয়ান বিভিন্নভাবে টালবাহানা করতে থাকে ৷ একপর্যায়ে কোন টাকা পয়সা ধার নে নাই বলে অস্বিকার করে ৷ এরপর থেকে দীর্ঘসময় জামায়াত নেতা মৌলভী নেজামের পরিকল্পনায় মহেশখালীর বাইরে আত্মগোপনে থাকে ৷
এদিকে উক্ত পাওনা আদায়ের জন্য রিদওয়ানকে নানাভাবে খোঁজতে থাকে আহসান ও তার পরিবারের লোকজন ৷
সমপ্রতি গত ১১মে টাকা আত্মসাৎকারী রিদওয়ান তার শ্যালিকার বিয়ে উপলক্ষ্যে মহেশখালীতে আসে ৷
টাকা দাতা আনছার ও মামলার বাদী মিজানের বাড়ী একই সীমানায় অবস্থিত ৷ সে সুবাধে রিদওয়ান তার ভাইরা ভাই মিজানের বাসায় আসলে আনছারের মা মমতাজ বেগম, ছোটভাই আহসান ও আতা উল্লাহর সাথে দেনা পাওনার ব্যাপারে বাকবিতন্ডা হয় ৷
ঘটনার সত্যতাই আরো জানা যায়, রিদওয়ান ও জামায়াত নেতা মৌলভী নেজাম টাকার পাওনাদার আনছার আপন মামা ভাগ্নে হয় ৷
জনমত সুত্রে প্রকাশ পায়, সৌদি প্রবাসী নারী লোভী মিজান দ্বিতীয় বিবাহ করে ৷এবং বিদেশেও একাধিক নারী গঠিত ঘটনায় পরিচিত ৷ মামলার বাদী মাস ছয়েক আগে বাংলাদেশে আসার পর হোয়ানক এলাকার এক দরীদ্র পরিবারের মেয়েকে লোভ দেখিয়ে বিয়ে করে ৷ পরে ঐ পরিবারের কাছ থেকে মোটা অংকের যৌতুক দাবী করলে ঐ মেয়েটি নারী লোভী মিজানকে তালাক দিয়ে চলে যায় ৷ গত ১১মে নারী লোভী মিজানের দ্বিতীয় বিয়ে ছিল কুতুবজোমের দৈলার পাড়া সরকারী উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা ভাইঝির সাথে ৷
আপন মামা ভাগিনার টাকা লেনদেনের ঘটনাকে জীবন্ত খবর দিয়ে বহু নারীতে আসক্ত মিজান শশুরবাড়ির প্রভাব দেখিয়ে বিয়ের একদিনের মাথায় ঘটনাকে ভিন্নখাতে প্রভাবিত করে মহেশখালী পৌরসভার আদালত সড়কের ব্যবসায়ী তাজ প্রিন্টার্সের মালিক আহসান উল্লাহ, আতাউল্লাহ, তাদের মা পঞ্চাশোর্ধ মমতাজ বেগম, বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া ছাত্র ও চট্টগ্রাম শহরে অবস্থানকারী সাদ্দাম হোসেন ও মোহাম্মদ রফিককে আসামী করে মামলা দায়ের করে ৷
মামা ভাগিনার ব্যাক্তিগত ধন্ধকে মায়ের চাইতে মাসির দরদ দিয়ে শুধুমাত্র টাকা পাওনাদার আনছারের ভাই মাকে আসামী করে ক্ষান্ত হইনি, নির্লজ্জভাবে একি উঠোনের মানুষ হিসেবে চোখে আঙ্গুল দিয়ে নারী লোভী মিজান ও দূর্নীনিতবাজ মাদ্রাসা সুপার জামায়াত নেতা যিনি ইতোপূর্বে পাব্লিক পরিক্ষার খাতা কেলেঙ্কারিতে সাজা প্রাপ্ত মৌলভী নেজাম ও কিছু চিহ্নিত দালালের যোগসাজশে সম্মানিত একজন কর্মকর্তাকে মিথ্যে ও বানোয়াট তথ্য উপস্থাপন করে আনছারের স্ত্রী দুগ্ধ সন্তানের মা সুমী আক্তার, আহসান উল্লাহর স্ত্রী তারিনা আক্তারকেও আসামী করে ৷
গোরকঘাটা এলাকার মৌলভী আতিকের পুত্র মিজান বাদী হয়ে ১০/১০৮ মামলাটি রুজু করে ৷
অথচ উক্ত ঘটনার সাথে বাদী মিজানের কোন সম্পৃক্ততা নেই বলে এলাকাবাসী জানান ৷
একপ্রকার উড়ে এসে ঝুড়ে বসার মতো করে জামায়াত নেতা মৌলভী নেজামের ইন্ধনে নারী লোভী নিজাম বাদী হয়ে মিথ্যা মামলাটি দায়ের করেছে ৷
স্থানীয় সচেতন মহলের দাবী,পরিকল্পিত মিথ্যা সাজানো ও কাল্পনিক ঘটনাটি সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ তদন্ত পূর্বক সৃষ্ট ঘটনার রহস্য উদঘাটন করে নিরীহ ও প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী ও তার পরিবারের সদস্যদের মিথ্যে মামলা হতে রেহাই দেওয়ার জন্য প্রশাসনের প্রতি জোর দাবী জানান ৷

কক্সবাজার পোস্ট.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
কক্সবাজার পোস্ট সব ধরনের আলোচনা-সমালোচনা সাদরে গ্রহণ ও উৎসাহিত করে। অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য পরিহার করুন। এটা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ
এই জাতীয় আরো খবর::