শিরোনাম :
আলীকদমে শর্টবড়ি (চাঁদেরগাড়ী) মাইক্রো বাস মালিক সমবায় সমিতির নির্বাচন সম্পন্ন ঝিলংজা ইউনিয়ন যুবলীগের ২১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠিত উখিয়ার আবদুর রহিম ইয়াবা নিয়ে র‍্যাবের হাতে আটক নাইট কোচে ডাকাতি: গ্রেপ্তারকৃত বাস চালক সহ তিনজনকে ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন মহেশখালী থেকে ছিনতাই হওয়া মটরসাইকেল উদ্ধার : গ্রেফতার-১ টেকনাফে ১০হাজার ইয়াবা বড়িসহ আটক-১ কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে পরিবেশ, পর্যটন ও উন্নয়ন বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত সেন্টমার্টিনে কোস্টগার্ডের অভিযানে ইয়াবা ও গাজাসহ আটক ২ উৎসবমুখর পরিবেশে উখিয়া প্রেসক্লাবের নির্বাচনের মনোনয়ন পত্র জমা স্বাস্থ্যবিধি না মানলে প্রয়োজনে কারাদন্ড দেয়া হবে-জেলা প্রশাসক
সোমবার, ৩০ নভেম্বর ২০২০, ০৭:২৮ পূর্বাহ্ন

বৈশাখের প্রভাবে ইলিশের বাজারে অস্থিরতা

প্রতিবেদকের নাম::

প্রকাশ: এপ্রিল ৯, ২০১৮ ৮:৩৭ অপরাহ্ণ | সম্পাদনা: এপ্রিল ৯, ২০১৮ ৮:৩৭ অপরাহ্ণ

ডেস্ক রিপোর্ট ::

সপ্তাহখানেক আগে বরিশালের বাজারে কেজি আকারের ইলিশের মণ বিক্রি হয়েছে ৭০ হাজার টাকা। কিন্তু চলতি সপ্তাহে মণ এক লাখ ২০ হাজার টাকা।

এই চড়া দামে পাইকাররা ইলিশ কিনতে আগ্রহ প্রকাশ করলে তাও আবার সংকট দেখা দিয়েছে। এখন হঠাৎ করে মোকাম থেকে রুপালি ইলিশ উধাও হয়ে গেছে। ইলিশের বাজারে এমন অস্থিরতার জন্য বৈশাখের প্রভাবকে দায়ী করেছে পাইকার ও আড়তদাররা।
ব্যবসায়ীরা জানান, এরই মধ্যে পাইকারদের মাধ্যমে ধনাঢ্যরা বড় আকারের ইলিশ রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করেছে। তাই স্থানীয় বাজারে সংকট দেখা দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দাম বেড়েছে কয়েকগুণ।

নগরীর পোর্ট রোড ইলিশ মোকামে দেখা গেছে, মোকাম ভরে আছে তরমুজে।

পোর্ট রোডের মত্স্য ব্যবসায়ী শাহজাদা সিকদার জানান, পহেলা বৈশাখের কারণে ইলিশের বড় অংশ ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। যা আছে তার দামও চড়া। ইলিশ কম তাই মোকামে তরমুজ তোলা হয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মত্স্য ব্যবসায়ীদের একটি চক্র প্রতি বছর নববর্ষ এলে ইলিশ মজুদ করে। এর বড় অংশ যায় রাজধানীসহ বিভিন্ন স্থানে। এবারও পোর্ট রোডের বেশ কয়েকজন ব্যবসায়ী ইলিশ মজুদ করে এর দাম বাড়িয়ে দিয়েছে।
জানতে চাইলে বরিশাল মত্স্য আড়তদার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি অজিত দাস জানান, মোকামে ইলিশ নাই।

রবিবার ৩০ মণ ইলিশ উঠেছে। দামও বেড়েছে বেশ কয়েকগুণ। ৮০০ থেকে ৯০০ গ্রাম আকারের প্রতি মণ ইলিশ বিক্রি হয়েছে ৯০ হাজার টাকায়। ৬০০ থেকে ৭০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ প্রতি মণ বিক্রি হয়েছে ৭০ হাজার টাকায়। ৫০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ মণপ্রতি ৫০ হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছে। এর নিচের সাইজের ইলিশ প্রতি মণ ৩০ হাজার টাকা বিক্রি হয়েছে। তবে এক কেজি বা এর ওপরের আকারের ইলিশ এক লাখ ২০ হাজার টাকা মণ বিক্রি হয়েছে।

বরিশাল মত্স্য কর্মকর্তা (ইলিশ) বিমল চন্দ্র দাস বলেন, ‘হঠাৎ করে ইলিশের সরবরাহ কমে গেছে। এখন নগরীতে এক কেজির ওপরের ইলিশ প্রতি মণ এক লাখ টাকা থেকে এক লাখ ২০ হাজার টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ’ এর কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন, ‘ইলিশের অভয়াশ্রমগুলোতে মাছ ধরা বন্ধ। বড় ইলিশের চাহিদা বেশি থাকায় পাইকারদের মাধ্যমে তা ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। পাইকারদের চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ দিতে হিমশিম খাচ্ছে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। ’

কক্সবাজার পোস্ট.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
কক্সবাজার পোস্ট সব ধরনের আলোচনা-সমালোচনা সাদরে গ্রহণ ও উৎসাহিত করে। অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য পরিহার করুন। এটা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ
এই জাতীয় আরো খবর::