তারিখ: বৃহস্পতিবার, ১২ই ডিসেম্বর, ২০১৯ ইং, ২৭শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

Share:
বেঁচে গেলেন মোহাম্মদ শহীদ


ঢাকা, ০১ ডিসেম্বর- তার দেখানো পথে হেঁটে সহযোগি ক্রিকেটার আরাফাত সানির গায়ে হাত তুলে তিন বছর মাঠ থেকে আর মোট পাঁচ বছরের জন্য নিষিদ্ধ হয়েছেন শাহাদাত হোসেন রাজিব। এইতো অল্প কিছুদিন আগে এ শাস্তি পেয়েছেন জাতীয় দলের এ সাবেক পেস বোলার।

শাহাদাত রাজিবকে নিষিদ্ধ ঘোষণার দিনই জানা গিয়েছিল, তিনি শুধু একা নন, দোসর আছেন আরেকজন। তিনি জাতীয় দলের আরেক সাবেক পেসার মোহাম্মদ শহীদ।

শোনা গিয়েছিল, শহীদই নাকি ওই ঘটনার ‘নাটের গুরু।’ খুলনায় স্বাগতিকদের বিপক্ষে জাতীয় লিগের যে ম্যাচে রাজিব তার সতীর্থ ও অনুজপ্রতিম আরাফাত সানিকে মারধর করেছেন, সেই ঘটনার খলনায়ক নাকি শহীদই। তিনিই প্রথম আরাফাত সানি জুনিয়রকে গিয়ে ধাক্কা দেন।

দুই সিনিয়র ক্রিকেটার রাজিব আর শহীদ বল ট্রাউজার্সে ঘসে বোলারের হাতে জমা দেয়ার কথা বললেও আরাফাত সানি জুনিয়র তাদের কথা শুনেননি। তাতেই নাকি উত্তেজিত হয়ে শহীদ তার দিকে তেড়ে যান এবং ধাক্কা দেন। আর রাজিব ছুটে গিয়ে প্রথমে থাপ্পড়, পরে লাথিও মারেন।

ওপরের এ কথাগুলো তথ্য আকারে জানিয়েছিলেন জাতীয় লিগের টেকনিক্যাল কমিটি চেয়ারম্যান প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদিন নান্নু। জাগো নিউজসহ মিডিয়ার সাথে আলাপে নান্নু জানিয়েছিলেন, শহীদেরও শাস্তি হবে।

নান্নু জানিয়েছিলেন, ভারতের সাথে টেস্ট সিরিজ শেষে দেশে ফিরে শহীদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। যেহেতু এই পেসারই ঘটনার সূচনা করেন। তাই মনে হচ্ছিলো, অন্তত এক বছরের জন্য নিষিদ্ধ হবেন শহীদ।

কিন্তু আজ জানা গেল ভিন্ন কথা। কোনো রকম শাস্তির খড়গই ঝুলছে না শহীদের কপালে। এই পেসার বেঁচে গেছেন। সব সাক্ষী প্রমাণে তার প্রথম তেড়ে যাওয়া আর ধাক্কা দেয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হলেও কোনো শাস্তি দেয়া হয়নি।

আজ রোববার রাতে নান্নু  এ প্রতিবেদককে জানিয়েছেন, শহীদ এক বছর আমাদের কড়া নজরদারিতে থাকবে। এরপর আর একটু শৃঙ্খলাভঙ্গের ঘটনা ঘটালে আর রক্ষা নেই। নিষিদ্ধ করা হবে।

তবে এমনিতে তার ওপর কোন নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়নি। শুধু মৌখিকভাবে কড়া সতর্ক করে বলে দেয়া হয়েছে, আগামী এক বছর শহীদ বিসিবির কড়া নজরদারিতে থাকবে। কোনোরকম শৃঙ্খলা ভঙ্গ করলেই এক বছরের জন্য নিষিদ্ধ।

সূত্র: জাগোনিউজ

আর/০৮:১৪/০১ ডিসেম্বর




Share:
error: কপি করা নিষেধ !!