শিরোনাম :
বিভিন্নস্থানে সড়ক দুর্ঘটনায় ঝরলো ২০ প্রাণ মৃত্যু নিশ্চিত করতে পর পর দুটি গুলি করেন ওসি প্রদীপ দীর্ঘদিন পর অনুশীলনটাকে চ্যালেঞ্জিং মনে হচ্ছে মুমিনুলের বৈরুতে নেতাদের ওপর ক্ষোভ বাড়লেও উদ্ধার কাজে এসেছে গতি দক্ষ ও প্রশিক্ষিত কৃষি-গ্রাজুয়েট তৈরি করতে হবে: কৃষিমন্ত্রী লাইসেন্সবিহীন হাসপাতাল-ক্লিনিকের তথ্য চেয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর অবশেষে করোনামুক্ত অভিষেক, এক মাস পর হাসপাতাল ছাড়লেন বঙ্গবন্ধুর খুনিদের অনুসন্ধানে প্রবাসীদের সহযোগীতা চাইলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী সিনহা হত্যা মামলার ৪ আসামীকে জিজ্ঞাসাবাদ, ৩ আসামীকে এখনো রিমান্ডে নেয়নি কেরালার বিমান দুর্ঘটনায় অলৌকিক ভাবে বেঁচে গেল এক পরিবার
রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২০, ০৫:৫০ পূর্বাহ্ন

পেকুয়ায় সেবিকার হামলায় ওয়ার্ডবয় আহত, জিম্মিদশা থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ

প্রতিবেদকের নাম::

প্রকাশ: June 22, 2020 10:12 am | সম্পাদনা: June 22, 2020 10:12 am

পেকুয়া অফিস::

কক্সবাজারের পেকুয়ায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সেবিকা ও তার স্বামী পিটিয়ে আহত করেছে ছোট ভাইকে। আহত ব্যক্তি চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ওয়ার্ডবয়।

এ সময় তাকে বাড়িতে জিম্মি করে ব্যাপক ভাংচুর ও তান্ডব চালিয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ জিম্মিদশা থেকে উদ্ধার করেছে। আহত ব্যক্তি পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

সোমবার (২২জুন) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের সিকদার পাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আহত নেজাম উর রহমান (৩৩) ওই এলাকার মৃত,এছহারুল হকের ছেলে।

এ ব্যাপারে নেজাম উর রহমানের স্ত্রী রুজিনা আক্তার বাদি হয়ে পেকুয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে,নেজাম উর রহমান ও তার বোন মনছফা বেগম স্বামী সন্তান নিয়ে একই ঘরে বসবাস করে আসছিলেন। ভাসর ইসহাক ও ভগ্নি ছরওয়ার উদ্দিন মানিক একজন নেশাখোর। বোন মনছফা ও ভগ্নিপতি মাদক ব্যাবসার সাথে জড়িত। প্রায় সময় ছরওয়ার ও ভাসর ইসহাক নেশাজাত দ্রব্য সেবন করে বাড়িতে এসে মাতলামি করে। তারা ঝগড়াটে প্রকৃতির লোক। মাদক সেবন ও ব্যবসার প্রতিবাদ করলে নানা ধরনের শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করে।

বাদি রুজিনা আক্তার জানায়, ঘটনার দিন সকালে আমার স্বামী নেজাম উর রহমান এসবের প্রতিবাদ করে। এতে তারা ক্ষিপ্ত হয়। মনছফার সাথে সামান্য বাকবিতন্ডা হয়। এ সময় মনছফা, তার স্বামী ছরওয়ার, ছেলে হিরন, ভাসর ইসহাক, ভাবি হামিদা মিলে আমার স্বামীকে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে আহত করে। তারা প্রতিনিয়ত ইয়াবা সেবন করে এলাকা অতিষ্ট করে তুলেছে। আমি এহেন কর্মকান্ডে ভাসর ইসহাকের বিরুদ্ধে চকরিয়া সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে জিডি(১৩/১৯) করি। এছাড়া পেকুয়া এক্সিকিউটিভ ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে এম.আর মামলা(৯৭) দায়ের করি।

আহত নেজাম উর রহমান জানায়, বড় বোন মনছফা ও ভগ্নিপতি ছরওয়ার ইয়াবা ব্যবসায়ী। বড় ভাই মাদকসেবি। আমরা এক সাথে পৈত্রিক ভিটায় বসবাস করি। চাকুরীর সুবাধে আমি চকরিয়ায় থাকি। স্ত্রী ও সন্তান বাড়িতে থাকে। তারা প্রতিনিয়ত মাদক সেবন করে বাড়িতে এসে মাতলামি করে। আমরা প্রতিবাদ করলে হামলা ও মারপিট করে। সকালে এসবের প্রতিবাদ করছিলাম। আমাকে পিটিয়ে আহত করে। বাড়ি ভাংচুর ও তান্ডব চালায়। আমাকে বাড়িতে জিম্মি করে রাখে। পুলিশের ৯৯৯নং ফোন করি। পুলিশ জিম্মিদশা থেকে উদ্ধার করেছে। তারা ভয়ংকর লোক। আমাকে এখন প্রকাশ্যে হত্যার হুমকি দিচ্ছে। আমি ও আমার পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছি। আমি এ ব্যাপারে প্রশাসনের উর্ধ্বতন মহলের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

পেকুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ কামরুল আজম জানায়, পুলিশ পাঠিয়েছি। লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

কক্সবাজার পোস্ট.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
কক্সবাজার পোস্ট সব ধরনের আলোচনা-সমালোচনা সাদরে গ্রহণ ও উৎসাহিত করে। অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য পরিহার করুন। এটা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ
এই জাতীয় আরো খবর::