তারিখ: বুধবার, ২৩শে জানুয়ারি, ২০১৯ ইং, ১০ই মাঘ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

Share:

পেকুয়া প্রতিনিধি:
পেকুয়ায় বারবাকিয়া সওদাগর হাট পরিচালনায় উপ-কমিটি গঠিত হয়েছে। পূর্বের কমিটি মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ায় সেটি বিলুপ্তি করা হয়েছে। পূর্নাঙ্গ কমিটি গঠিত না হওয়া পর্যন্ত সীমিত সময়ে গঠিত এ উপকমিটি বাজার পরিচালনা কার্যক্রম ত্বরান্বিত করবেন। এ সংক্রান্ত এক জরুরী সভা বারবাকিয়া বাজারে অনুষ্টিত হয়। এ সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এ উপকমিটি গঠন ও অনুমোদন দেয়া হয়। বাজার ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত এ জরুরী বৈঠক অনুষ্টিত হয়েছে। ১০ জানুয়ারী বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টার দিকে এ সংক্রান্ত বৈঠক বারবাকিয়া ওয়ারেচী বাসভবনে অনুষ্টিত হয়। এ সময় রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ী ও বাজারের স্বত্তাধিকারীসহ প্রায় ২শতাধিক লোকজন উপস্থিত ছিলেন। ওই বৈঠকে এ কমিটি গঠিত হয়েছে। এ বাজারটি প্রবর্তন করছিলেন প্রখ্যাত ওয়ারেচী পরিবার। ওই কমিটিতে এ পরিবারের সন্তান শিলখালী ইউনিয়ন আ’লীগ এর সভাপতি ও দক্ষিন চট্রলার অন্যতম জনপ্রিয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব মরহুম ছাদেকুর রহমান ওয়ারেচীর সন্তান ওয়াহিদুর রহমান ওয়ারেচীকে প্রধান করা হয়েছে। ১৬ সদস্য কমিটির অপর সদস্য বারবাকিয়া ইউনিয়ন আ’লীগ সভাপতি আবুল হোসেন শামা, আ’লীগ নেতা ২ নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, যুবলীগ নেতা এড. ওসমান গণি, ইউপি সদস্য বিএনপি নেতা মাষ্টার মো: ইউনুছ, সাবেক মেম্বার ছৈয়দুল আলম, বিশিস্ট ব্যক্তিত্ব মঈন উদ্দিন লিটন, হারুনুর রশিদ, আবুল ফজল বাটু, ওসমান হায়দার মানিক, নুরুল হোসেন, নাজেম উদ্দিন, মোজাফ্ফর আহমদ, মো: জসিম উদ্দিন, জাকের হোসেন, ডা: শামীম রেজা চৌধুরী। এ সময় ব্যবসায়ীদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জোবাইর, আবুল কালাম, ডা: মোজাম্মেল হক, দিপংকর দেবনাথ, মো: ওসমান, কাজল শীল, শাহ আলম, নুরুল আমিন, টিটু কুমার শীল, ফিরোজ, হারুন, বোরহান উদ্দিন, কাজল নাথ, বাদশা, এহেছান, আবু তৈয়ব, নেজাম উদ্দিন, আবু বক্কর, ইব্রাহীম, আরাফাত, আনোয়ার, মহিউদ্দিন, মনজুর আলম, দেলোয়ার, বাদল শীল, শহিদুল ইসলাম, মঈদুর রহমান, হেলাল, ফরিদুল আলম, নেজাম উদ্দিন, মোক্তার, রাসেল মিয়া, নাজিম, জয়নাল, মানিক প্রমুখ। এ সময় ব্যবসায়ীরা স্মারকলিপিসহ একটি সুপারিশনামা প্রস্তুত করে। ব্যবসায়ীরা জানায়, কিছু দুস্কৃতিকারী ও দুষ্ট চরিত্রের লোকজন বাজারে প্রায় সময় বিশৃংখল পরিবেশ সৃষ্টি করে। এরা বহিরাগত। বাজারে এসে প্রায় সময় চাঁদা দাবী করে। ব্যবসায়ীরা ওই চাঁদাবাজদের কাছে জিম্মী ছিল। তারা বাজারের ব্যবসা বাণিজ্যে অন্তরায়। আমরা এ সব দমনে ও শান্তিপূর্ন সহাবস্থান তৈরী করতে ঐক্যবদ্ধ হয়েছি। ওয়াহিদুর রহমান ওয়ারেচী জানায়, অযথা কোন ব্যবসায়ী ও ক্রেতা যাতে হয়রানি শিকার না হয় সে ব্যবস্থা জোরদার করা হবে। চাঁদা কাউকে দিতে হবে না। যারা এ পরিবেশ তৈরী করবে এদেরকে কঠোর হস্তে দমন করা হবে। ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তায় আমরা কাজ করছি।

Share:

আপনার মতামত প্রদান করুন ::