তারিখ: মঙ্গলবার, ১৮ই জুন, ২০১৯ ইং, ৪ঠা আষাঢ়, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

Share:

পেকুয়া অফিস:

পেকুয়ায় প্রতিষ্টান নেই থেমে গেছে পড়ালেখা। এরপরও থেমে নেই চাঁদা আদায়। বন্ধ হয়ে যাওয়া প্রতিষ্টানের নামে আদায় চলছে চাঁদা।

শিক্ষা বিস্তার ও এর বিকাশ সাধনের নামে চলছে ভূঁয়া চাঁদাবাজি। এক শ্রেনীর ধান্ধাবাজ ও প্রতারক চক্র ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্টানের নাম ভাঙ্গিয়ে হরহামেশা আদায় করছে হাজার হাজার টাকা।

তারা প্রতিষ্টানের উন্নয়ন ও শিক্ষাবিস্তারের কথা বলে এ সব টাকা দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আদায় করছে। সুহৃদ ও ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা এ সব প্রতিষ্টানের স্বপক্ষে প্রতিনিয়ত দান খয়রাত দিচ্ছেন। তবে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে আদৌ ওই প্রতিষ্টানের অস্তিত্ব আছে কিনা। পেকুয়া উপজেলার বারবাকিয়া ইউনিয়নের ভারুয়াখালী গ্রামে একটি প্রতিস্টানের নাম ভাঙ্গিয়ে এ চাঁদাবাজি চলছে বলে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয় সুত্র জানায়, রশিদিয়া শামশুল উলুম নুরানী মাদ্রাসা প্রতিষ্টিত হয়েছে। হয়েছিল ভারুয়াখালীতে। প্রায় দেড় বছর আগে এ প্রতিস্টান আত্মপ্রকাশ করে। আরবী শিক্ষার প্রসারের জন্য মুলত এ প্রতিষ্টানের আত্মপ্রকাশ। এ দিকে একই স্থানে দুটি প্রতিষ্টান আত্মপ্রকাশ পায়। একটি সদ্য প্রতিষ্টিত প্রতিষ্টানের নাম ফজলুল কাদের প্রাথমিক বিদ্যালয় ও অন্যটি হেফজখানা। এ দুটি প্রতিস্টানে শিক্ষা কার্যক্রম বেগবান হচ্ছে। এতে করে পূর্বের প্রতিষ্টিত নুরানী মাদ্রাসাটি বিকল হয়ে যায়। কর্তৃপক্ষ এর পতন দেখতে পেয়ে শিক্ষা কার্যক্রম গুটিয়ে ফেলে। এমনকি প্রতিস্টানটি কার্যক্রম বন্ধ ঘোষনা করে। প্রায় দেড় বছর ধরে ওই প্রতিস্টানটির শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ আছে।

অভিযোগ উঠে, বন্ধ প্রতিষ্টানটির নামে এখনো থেমে যায়নি চাঁদা আদায়। মাও: আমির হোছন ও আহমদ হোসন নামের দুই ব্যক্তি এ প্রতিষ্টানের নাম ভাঙ্গিয়ে বিভিন্নভাবে টাকা আদায় করছে। প্রতিষ্টানের কোন তহবিল নেই। তবে আদায়কৃত টাকা তারা ভাগ বাটোয়ারা করে পকেট ভরে থাকেন।

স্থানীয় ইউপি সদস্য মাষ্টার ইউনুছ জানায়, প্রতিস্টানটি দীর্ঘ দেড় বছর আগে বন্ধ হয়ে যায়। এরপরও ওই প্রতিস্টানের নামে চাঁদা আদায় করছে কিনা তা আমার জানা নেই।

Share:

আপনার মতামত প্রদান করুন ::