শিরোনাম :
কৃষিবিল নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বিরোধীদের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানালেন এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে ধর্ষণকাণ্ডে এবার ছাত্রলীগ নেতা মাহফুজ গ্রেফতার আজও রাস্তায় সৌদি প্রবাসীরা কৃষি জমিতে নয়, অর্থনৈতিক অঞ্চলে শিল্পকারখানা করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী করোনায় আক্রান্ত ভারতের উপরাষ্ট্রপতি বেঙ্কাইয়া নাইডু নাটক দিয়ে ফিরছেনমৌসুমী বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও স্বপ্ন বাস্তবায়নে নিরলস কাজ করছেন প্রধানমন্ত্রী: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিল্লির সামনে লড়াই করার পুঁজি হায়দরাবাদয়ের মাস্ক কেলেঙ্কারির ঘটনায় জেএমআই চেয়ারম্যান রাজ্জাক গ্রেপ্তার দেশে করোনায় একদিনে প্রাণ গেলো আরও ২৬ জনের, শনাক্ত ১৪৮৮
বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৫:২৩ পূর্বাহ্ন

পেকুয়ায় নেই পানি চলাচল, মাছ চাষে বিপর্যয়

প্রতিবেদকের নাম::

প্রকাশ: জুলাই ১, ২০১৮ ৯:৫২ পূর্বাহ্ণ | সম্পাদনা: জুলাই ১, ২০১৮ ৯:৫২ পূর্বাহ্ণ

নাজিম উদ্দিন, পেকুয়া ::
পেকুয়ায় নেই পানি চলাচল। এতে করে উপজেলার টইটং ইউনিয়নের হাজিবাড়ির মৎস্য ঘেরে মাছ চাষে বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। মৎস্য প্রকল্পে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা ছিল। তবে চলতি বর্ষা মৌসুমে পানি চলাচল পথ আটকিয়ে দেয়া হয়েছে। এতে করে হাজী বাজারের পূর্ব পার্শ্বের ওই মৎস্য প্রকল্পে মাছ উৎপাদন থেমে গেছে। গত ১ মাস ধরে হাজি বাড়ির মৎস্য ঘেরে মাছ উৎপাদনে চরমভাবে অনিশ্চয়তা দেখা দেয়। খামারী ও প্রকল্পে বিপুল পরিমান মৎস্য পোনা অবমুক্ত করে। মিষ্টি পানির উৎসতে ওই ঘেরে মাছ চাষ হচ্ছিল। তবে পানি নিষ্কাশন একদম থেমে গেছে। বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলের পানিতে প্রায় ৩ একরের অধিক মৎস্য ঘেরটি পানিতে তলিয়ে যায়। বর্ষা মৌসুমে পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পেয়েছে। বৃষ্টির পানিতে ঘেরটি অন্তত ৩ দফা প্লাবিত হয়। এ সময় ঘেরের প্রতিরক্ষা বাঁধ উপচিয়ে ঘেরটি সয়লাব হয়। এ সময় প্রায় ৩ লক্ষ টাকার অধিক মাছ পানিতে ভেসে যায়। সুত্র জানায়, টইটং ইউনিয়নের হাজি বাড়ি ও হাজি বাজারের মধ্যবর্তী স্থানে ফসলী জমিতে গত ৩ বছর ধরে মাছ চাষ হচ্ছিল। জমির মালিক ওই স্থানে মৎস্য ঘের তৈরী করে। ২০১৫ সাল থেকে বানিজ্যিকভাবে মৎস্য চাষ হচ্ছিল ঘেরটিতে। সুত্র জানায়, হাজির বাড়ি আহমদ কবিরের ছেলে মো: ইউনুছ ওই ঘেরটি ৩ বছরের জন্য আগাম নেয়। ১ লক্ষ ৭০ হাজার টাকায় ঘেরটি নেয় ইউনুছ। চলতি বর্ষা মৌসুমে ওই ঘেরে মাছের পোনা অবমুক্ত করন ও পরিচর্যাসহ প্রায় ৩লক্ষ টাকা মুলধন ব্যয় করে। গত বছর ইউনুছ ওই ঘেরে মাছ চাষ করে মৎস্য আহরন করছিল। সুত্র জানায়, ঘেরের মালিক হাজি মোক্তার আহমদ ও মৌলভী আহমদ ছফা গং। তারা ঘেরটি ১০ জন শেয়ারদারকে লাগিয়ত করে। জকরিয়া, মাষ্টার জমির উদ্দিন, জামাল উদ্দিন, দুদু মিয়াসহ ওই ১০ জন অংশীদার ঘেরটি ৩ বছরের জন্য ইউনুছকে লাগিয়ত করে। ইউনুছ ১ জন পরিশ্রমী মৎস্য চাষী। তিনি জানায়, ঘেরের পানি চলাচল থেমে গেছে। রহিম নামের এক ব্যক্তি সরকারী পানি চলাচল পথ আটকিয়ে দিয়েছে। এতে করে ঘেরের মাছ চাষ বিপর্যয় দেখা দেয়। আমি এখন নি:স্ব হয়ে গেছি। জমি বিক্রি করে ঘের ৩ বছরের জন্য আগাম নিয়েছি। এখন মালিক পক্ষ পানি চলাচলের ব্যবস্থা করতে সম্পূর্ন অক্ষম হয়েছে। আমি চেয়ারম্যান ও মেম্বারকে বিচার দিয়েছি। রহিম জানায়, এ জায়গা আমার দালিলিক। সরকারী জায়গায় পানি চলাচল হচ্ছে না। পূর্ব দিকে জায়গা আছে। সেটি খনন করতে হবে। ইউপি সদস্য হাজী শাহাব উদ্দিন জানায়, ঘেরের পানি চলাচল থেমে গেছে। বাড়িঘরে পানি প্রবেশ করছে। একাধিক পুকুর পানিতে তলিয়ে যায়। মালিক পক্ষ পানি চলাচল নিশ্চিত না করলে চাষীর দোষ কিসের। চেয়ারম্যান জাহেদুল ইসলাম চৌধুরী জানায়, মাছ চাষ থেমে গেছে। আমি বিষয়টি ইউপি সদস্যকে গুরুত্বের সাথে ফায়সালা করতে নির্দেশনা দিয়েছি।

কক্সবাজার পোস্ট.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
কক্সবাজার পোস্ট সব ধরনের আলোচনা-সমালোচনা সাদরে গ্রহণ ও উৎসাহিত করে। অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য পরিহার করুন। এটা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ
এই জাতীয় আরো খবর::