তারিখ: বৃহস্পতিবার, ২২শে আগস্ট, ২০১৯ ইং, ৭ই ভাদ্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম

Share:

পেকুয়া অফিস:

পেকুয়ায় হামলায় ২ নারীসহ ৪ জন আহত হয়েছে। এ সময় প্রবাসীর বসতবাড়ি ভাংচুরসহ ব্যাপক তান্ডব চালায়। পেকুয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে বলে স্থানীয় সুত্র নিশ্চিত করে।

১২ জুন (বুধবার) সকাল সাড়ে ৭ টার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের উত্তর মেহেরনামা চৈরভাঙ্গা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের স্থানীয়রা উদ্ধার করে পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।

আহতরা হলেন চৈরভাঙ্গা গ্রামের সৌদি প্রবাসী আলমগীরের স্ত্রী আরজু বেগম (৩৫), শাশুড় মৃত আবদুল জলিলের পুত্র শামশুল আলম (৭০), শাশুড়ী শামশুল আলমের স্ত্রী নুরুন্নাহার (৬০) ও প্রবাসীর ছেলে তৌহিদুল ইসলাম (২৩)।

প্রত্যক্ষদর্শী সুত্র জানায়, চৈরভাঙ্গা গ্রামে দু’প্রতিবেশী শামশুল আলমের ছেলে প্রবাসী আলমগীর ও মৃত সাহাব মিয়ার ছেলে মহিউদ্দিন পাকা ভবন নির্মাণকাজ বাস্তবায়ন করছে। মহিউদ্দিন গত ১ বছর আগে প্রতিবেশী আলমগীরের স্ত্রী নুরুন্নাহারের কাছ থেকে বালি, রড ও সিমেন্ট ধার নিয়েছিলেন। শর্ত ছিল কিছুদিনের মধ্যে এ সব নির্মাণ সামগ্রী নুরুন্নাহারকে তিনি বুঝিয়ে দিবেন। তবে ১ বছরের মধ্যে এ সব ফেরত পাননি প্রবাসীর স্ত্রী।

ঘটনার দিনে সকালে এ নিয়ে মহি উদ্দিন ও নুরুন্নাহারের মধ্যে নির্মাণ সামগ্রী নিয়ে তর্কাতর্কি হয়েছে। এর সুত্র ধরে মহিউদ্দিন তার ভাই মনির উদ্দিন, ছেলে মিজবাহ উদ্দিন, ভাই মো: এনামসহ ৭/৮ জনের দুবৃর্ত্তরা ধারালো দা, কিরিচ নিয়ে প্রবাসীর বাড়িতে হানা দেয়। এ সময় এলোপাতাড়ি হামলা চালিয়ে ২ নারীসহ তাদেরকে জখম করে। প্রত্যক্ষদর্শী রোজিনা বেগম, হাছিনা বেগম, আরজু বেগম জানায়, তারা দা, কিরিচ নিয়ে আলমগীরের বাড়ি আক্রমন করে। প্রচন্ড ইট, পাটকেল নিক্ষেপ করে। বাড়ির প্রধান ফটকে স্টিলের দরজা আছে। ধারালো কিরিচ দিয়ে দরজায় আঘাত করে। বিল্ডিংয়ের উত্তর পার্শ্বে বারান্দায় টিনের বেড়া কেটে ফেলে।

প্রবাসীর স্ত্রী নুরুন্নাহার জানায়, আমরা পিটুনি খেয়ে বাড়িতে ঢুকে পড়ি। দরজা বন্ধ না করলে তারা ধারালো অস্ত্র দিয়ে সবাইকে কুপিয়ে নিশ্চিত হত্যা করত। আমার ছেলে তৌহিদকে গত কয়েক দিন ধরে হাকাবকা করছে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে আসছিল। নাছিমা বেগম ও রোকেয়া বেগম নামক ২ নারী জানায়, তারা যে ভাবে ইট ছুড়েছে মনে হয়েছে বড় ধরনের যুদ্ধ হচ্ছে কোথাও।

Share:

আপনার মতামত প্রদান করুন ::