সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৮:৫৬ অপরাহ্ন

পেকুয়ায় জখমী ঘটনা নিস্পত্তি সালিশি বৈঠকে

প্রতিবেদকের নাম::

প্রকাশ: এপ্রিল ১৬, ২০১৯ ৯:৫৯ পূর্বাহ্ণ | সম্পাদনা: এপ্রিল ১৬, ২০১৯ ৯:৫৯ পূর্বাহ্ণ

নাজিম উদ্দিন,পেকুয়া ::

পেকুয়ায় সালিশি বৈঠকে নিস্পত্তি হয়েছে জখমী ঘটনা। পাওনা টাকা সংক্রান্ত বিষয়ে ক্রেতা ও দোকানীর মধ্যে বাকবিতন্ডা হয়। এর সুত্র ধরে দু’পক্ষের মধ্যে মারপিট হয়েছে।

আহত ব্যক্তি পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হন। তাকে চমেক হাসপাতালে রেফার করে। ঘটনার জের ধরে উপজেলার সদর ইউনিয়নের গোঁয়াখালী মিঠাবেপারীপাড়ায় দু’পক্ষের মধ্যে বিরোধ চরম আকার ধারন করছিল। ৮ এপ্রিল বিকেলে এ ঘটনা ঘটে।

পেকুয়া থানায় ঘটনার ২ দিন পর লিখিত অভিযোগ পৌছায়। মিঠাবেপারীপাড়ার মৃত গোলাম রহমানের ছেলে আজিজুর রহমান বাদী হন। একই এলাকার আবু তালেব প্রকাশ আবু সওদাগরের ছেলে মোক্তার গংদেরকে আসামী করে।

এ দিকে বিরোধীয় বিষয়টি নিস্পত্তি করতে সালিশি বৈঠক অনুষ্টিত হয়। বিষয়টি নিস্পত্তি করতে উভয়পক্ষ সম্মত হয়েছে। তারা আপোষ মীমাংসার জন্য সালিশি প্রতিনিধিদের লিখিত অঙ্গীকার দেন।

এর ভিত্তিতে ১৫ এপ্রিল দু’পক্ষকে নিয়ে গ্রামে সালিশি বৈঠকে মিলিত হয়েছে। পেকুয়া সদর ইউপির ১ নং ওয়ার্ড সদস্য নুরুল হক সাদ্দাম দু’পক্ষকে নিয়ে সমঝোতা বৈঠক করেন।

এ সময় উভয়পক্ষের প্রতিনিধি মহল্লা প্রতিনিধি, ও গন্যমান্য ব্যক্তিরা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। তারা দু’পক্ষের বক্তব্য ও যুক্তিতর্ক শেষে সিদ্ধান্তে উপনীত হন। যৌক্তিক সমাধান নিশ্চিত হওয়ায় ওই দিন সালিশি বৈঠকটি অত্যন্ত ন্যায়সংগতভাবে শেষ হয়েছে।

পেকুয়া সদর ইউপির প্যানেল চেয়ারম্যান মাহাবুল আলম, অপর ইউপি সদস্য সাজ্জাদ হোসেন গন্যমান্য ব্যক্তি মহিউদ্দিন ও মো: কাইয়ুম বিষয়টি নিস্পত্তি করেন। পরে আপোষনামা ও লিখিত চুক্তিনামাটি পেকুয়া থানার ওসি তদন্ত বরাবর প্রেরন করে। এ দিকে সৃষ্ট বিরোধ নিস্পত্তি হয়েছে। বাদী বিবাদীগন আপোষ করেছেন।

অভিযোগ উঠেছে, আপোষ মীমাংসা হওয়ার পরও পেকুয়া থানার পুলিশ কর্মকর্তা মকবুল সেটি আমলে নিচ্ছেন না। দু’পক্ষের বৈঠকের বিষয়টি পুলিশ জেনেছেন। এর কয়েক ঘন্টা পর ওই পুলিশ কর্মকর্তা মিঠাবেপারীপাড়ায় যান। এ সময় তিনি মীমাংসার বিষয়টি এড়িয়ে গিয়ে বাদী- বিবাদীকে হয়রানি করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

সালিশি প্রতিনিধিরা জানায়, আমরা উভয়পক্ষকে নিয়ে বিরোধ নিস্পত্তি করেছি। থানায় এজাহার দেয়নি। দিয়েছে অভিযোগ। কিন্তু এস,আই মকবুল বিষয়টি এড়িয়ে চলছেন। তিনি এলাকায় এসে ধমকি ও হাকা বকা করে। কোন আপোষ নেই। এ উক্তি তিনি প্রকাশ্য করেছেন।

আমরা যেটি লক্ষ্য করছি এ দেশের সব বিচার সালিশ পুলিশ করবে। আর কেউ করলে পুলিশ এ সব মানবে না। এ সবের অবসান হওয়া দরকার। পুলিশের এমন আচরনে আমরা হতভম্ব হয়েছি।

কক্সবাজার পোস্ট.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
কক্সবাজার পোস্ট সব ধরনের আলোচনা-সমালোচনা সাদরে গ্রহণ ও উৎসাহিত করে। অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য পরিহার করুন। এটা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ
এই জাতীয় আরো খবর::