শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১০:০১ অপরাহ্ন

পেকুয়ায় আসামীরা ঘিরা বেড়া দিল নিহত মহিলার বসতবাড়িতে

প্রতিবেদকের নাম::

প্রকাশ: জুলাই ১, ২০১৮ ১০:০৮ পূর্বাহ্ণ | সম্পাদনা: জুলাই ১, ২০১৮ ১০:০৮ পূর্বাহ্ণ

নাজিম উদ্দিন, পেকুয়া ::
পেকুয়ায় নিহত সাজেদা বেগমের বসতবাড়িতে জবর দখল তৎপরতার অভিযোগ পাওয়া গেছে। প্রতিপক্ষের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে দিনমজুরের স্ত্রী সাজেদা বেগম(৪২) খুন হন। বসতবাড়ির আধিপত্য নিতে স্বামীর বড় ও ছোট ভাই মিলে ২০১৬ সালের ১৯ জুলাই সাজেদাকে জখম করে। এ সময় চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে। হত্যাকান্ডের ঘটনায় পেকুয়া থানায় সে সময় হত্যা মামলা রেকর্ড হয়। যার নং ৯৫/১৬। মামলায় নিহত সাজেদা বেগমের ভাগিনী জামাতা নুরুন্নবীকে প্রধান আসামীসহ মামলায় ১১ জনকে আসামী করা হয়। বসতভিটার বিরোধ নিয়ে সাজেদার স্বামী নুরুল আবছার ও নুরুন্নবী, ছাবের আহমদ গংদের বিরোধ দেখা দেয়। ৩০ শতক বসতবাড়ি নিয়ে টইটং ইউনিয়নের ভেলুয়ারপাড়া গ্রামে দু’পক্ষের বিরোধ চলছিল। মুলত এ বসতভিটায় ৩ টি পরিবার রায়তী স্বত্তে বসবাস করছিলেন। সুত্র জানায়, নুরুল আবছার ওই জায়গা খরিদ করেন। বারবাকিয়া ইউনিয়নের বারাইয়াকাটা গ্রামের করিমদাদ নামক ব্যক্তি ওই জায়গার মালিক। সাজেদার স্বামী করিমদাদের বিশ্বস্ত লোক ছিলেন। তিনি শ্রম ও অর্থ দিয়ে এ জায়গা দলিল সম্পাদন করছিলেন। করিমদাদ তাকে এ জায়গা বিক্রি করেন। অপরদিকে ছাবের আহমদ গং ওই জায়গা জবর দখল চেষ্টা চালায়। ২০১৬ সালের ১৯ জুলাই সকালে ধারালো অস্ত্র শস্ত্র নিয়ে ছাবের আহমদ গং নুরুল আবছারের বসতবাড়িতে হানা দেয়। এ সময় বসতবাড়ি দখল নিয়ে তুমুল সংঘর্ষ হয়। এ সময় সাজেদা মারাত্মক জখম হয়। হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়েছে। হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। সাজেদার বসতবাড়ি পরিত্যক্ত থেকে যায়। মাটির দেয়াল ও টিনের বাড়ি ছিল। স্ত্রী ও মা নিহত হওয়ার পর স্বামী ও সন্তানরা অভিমানে এ বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র সাময়িক চলে যায়। এ দিকে আসামীরা সবাই এলাকাছাড়া হয়। বর্তমানে তারা সবাই জামিনে মুক্ত। এ সুবাধে তারা ফের সংঘবদ্ধ। এর সুত্র ধরে ২৯ জুন বেলা ১১ টার দিকে আসামীরা ফের নুরুল আবছারের বসতভিটায় হানা দেয়। এ সময় তারা ভীতি ও আতংক ছড়িয়ে নিহত গৃহবধূ সাজেদা বেগমের বসতবাড়িতে জবর দখল কু মানসে ওই স্থানে বাঁশের ঘিরা বেড়া দিয়ে দেয়। নিহত সাজেদা বেগমের ছেলে বারবাকিয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেনীর ছাত্র আলী হোসেন বাদী হয়ে চকরিয়া সিনিয়র জুড়িশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত ও পেকুয়া থানায় নালিশি অভিযোগ দিয়েছেন। এ সময় হত্যা মামলার আসামী নুরুন্নবী, ছাবের আহমদসহ ৭ জনকে অভিযুক্ত করা হয়।

কক্সবাজার পোস্ট.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
কক্সবাজার পোস্ট সব ধরনের আলোচনা-সমালোচনা সাদরে গ্রহণ ও উৎসাহিত করে। অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য পরিহার করুন। এটা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ
এই জাতীয় আরো খবর::