বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৩:৩২ অপরাহ্ন

পেকুয়ায় অপহৃত স্কুল ছাত্র উদ্ধার

প্রতিবেদকের নাম::

প্রকাশ: জুন ৩, ২০১৮ ১২:০৬ অপরাহ্ণ | সম্পাদনা: জুন ৩, ২০১৮ ১২:০৬ অপরাহ্ণ

নাজিম উদ্দিন, পেকুয়া ::
পেকুয়ায় অপহৃত স্কুল ছাত্রকে উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় তাকে উদ্ধার করে পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। অপহৃত ছাত্রের পিতা ইউএনও পেকুয়া বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। ২ জুন শনিবার বিকেল সাড়ে ৫ টার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের বারবাকিয়া ও সদর সীমান্ত ব্রীজ এলাকা থেকে ওই ছাত্রকে উদ্ধার করে। অপহৃত ছাত্রের নাম ফয়সাল হোসেন(১৪)। তিনি উপজেলার টইটং ইউনিয়নের ধনিয়াকাটা আবদুল্লাহপাড়ার জামাল হোসেনের ছেলে। পেকুয়া জিএমসি ইনষ্টিটিউশনের ৯ম শ্রেনীর বিজ্ঞান বিভাগের মেধাবী ছাত্র বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। ইউএনও পেকুয়া বরাবর লিখিত অভিযোগ এর আর্জি সুত্র জানায়, ওই দিন ফয়সাল হোসেন বিশেষ ক্লাস শেষে বাড়ি ফিরছিলেন। চৌমুহনী ফুলকলি দোকানের সামনে তাকে অপহরন চেষ্টা চালায়। এ সময় ওই ছাত্র অবস্থার বেগতিক দেখতে পান। দ্রুত সিএনজি যোগে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেয়। এ সময় ১ টি মোটর সাইকেল ও সিএনজি যোগে তাকে ধাওয়া দেয়। চৌমুহনীর উত্তরদিকে এবিসি সড়কের ব্রীজ পয়েন্টে তাকে বহনকারী সিএনজি ঘিরে ফেলে। এ সময় কিল, ঘুষিসহ টানা হেচড়া করে সিএনজিতে তুলে ফেলে। ছাত্র ফায়সাল চিৎকার করছিলেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা তাকে উদ্ধার করতে ছুটে যান। এ সময় ওই সিএনজিকে ধাওয়া দেয়। এ সময় কিছুদুর গিয়ে এবিসি সড়কের রাস্তার ধারে ফেলে অপহরনকারী চক্র পালিয়ে যায়। ছাত্র ফয়সালের পিতা জামাল হোসেন জানায়, আমি একজন মুদির দোকানদার। অজ্ঞাত ব্যক্তি আমার কাছ থেকে ১ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবী করে। ওই দিন স্কুল থেকে বাড়ি ফিরছিলেন ফয়সাল। তাকে ওই চক্র অপহরন করছিল। ৩ থেকে ৪ জন হবে। আমি স্যারদের জানিয়েছি। তারা ইউএনও বরাবর অভিযোগ দিতে বলেছে। আমার ছেলেকে আঘাত করা হয়েছে। প্রানে হত্যা করা হত। লোকজন গিয়ে প্রান বাঁচায়।

কক্সবাজার পোস্ট.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
কক্সবাজার পোস্ট সব ধরনের আলোচনা-সমালোচনা সাদরে গ্রহণ ও উৎসাহিত করে। অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য পরিহার করুন। এটা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ
এই জাতীয় আরো খবর::