শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৮:৫০ অপরাহ্ন

নুসরাত হত্যা: ১০ ঘণ্টার জিজ্ঞাসাবাদে দায় স্বীকার করেন নুর-শামীম

প্রতিবেদকের নাম::

প্রকাশ: এপ্রিল ১৪, ২০১৯ ১১:০৫ অপরাহ্ণ | সম্পাদনা: এপ্রিল ১৪, ২০১৯ ১১:০৫ অপরাহ্ণ

নুসরাত হত্যায় সরাসরি জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে মামলার অন্যতম দুই আসামি নুর উদ্দিন ও শাহাদাত হোসেন শামীম। রোববার (১৪ এপ্রিল) ফেনী জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বেলা ৩টা থেকে টানা ১০ ঘণ্টার জবানবন্দিতে নুসরাত হত্যার দায় স্বীকার করেন তারা। এতে উঠে এসেছে জড়িত আরও বেশ কয়েকজনের নাম।

রোববার বেলা ৩টায় নুসরাত হত্যা মামলার অন্যতম দুই আসামি নুর উদ্দিন ও শাহাদাত হোসেন শামীমকে ফেনী জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়। এ সময় তারা একে একে নৃশংস হত্যাকাণ্ডের বর্ণনা দেয়। রাত ১টা পর্যন্ত তাদের জবানবন্দি নেয়া হয়।

পরে পিবিআই জানায়, কারাগারে বন্দি মাদরাসা অধ্যক্ষ সিরাজ উদ্দৌলার নির্দেশেই এ হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয় বলে তারা স্বীকার করেছে।

পিবিআই স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন অ্যান্ড অপারেশন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তাহেরুল হক চৌহান বলেন, ‘তারা এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন এবং আদালতে স্বীকার করেছেন। তারা জেলখানা থেকে নির্দেশ পেয়েছে, এরকম অনেক বর্ণনা আসছে। তদন্তের স্বার্থে আর কিছু বলতে চাই না। আরও অনেক সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি আছে যাদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে। এরপর বিষয়টি আরও স্পষ্ট করা হবে।’

এছাড়া হত্যাকাণ্ডে সরাসরি অংশ নেয়া চারজনের দু’জনকে গ্রেফতার করতে পারলেও বাকিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে বলে জানানো হয়।

তাহেরুল হক চৌহান বলেন, ‘চারজনের সবাইকে গ্রেফতার করতে পারিনি। দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকিদের গ্রেফতার করতে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’

জাবানবন্দি গ্রহণ শেষে রাত ১টার পর ওই দুই আসামিকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কড়া নিরাপত্তায় জেলা কারাগারে পাঠানো হয়। গত ৬ এপ্রিল আলিম পরীক্ষার্থী নুসরাত জাহান রাফিকে সোনাগাজী ইসলামিয়া মাদ্রাসার ছাদে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়া হয়। পরে ১০ এপ্রিল ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় তার।

কক্সবাজার পোস্ট.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
কক্সবাজার পোস্ট সব ধরনের আলোচনা-সমালোচনা সাদরে গ্রহণ ও উৎসাহিত করে। অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য পরিহার করুন। এটা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ
এই জাতীয় আরো খবর::