শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৪:০৩ পূর্বাহ্ন

নাফনদীতে অপহৃত জেলেরা ফিরেছে মুক্তিপণে ; আটক আতংকে আত্নগোপনে!

প্রতিবেদকের নাম::

প্রকাশ: এপ্রিল ১৮, ২০১৯ ১:৩৯ পূর্বাহ্ণ | সম্পাদনা: এপ্রিল ১৮, ২০১৯ ১:৩৯ পূর্বাহ্ণ

হুমায়ুন রশিদ,টেকনাফ:

টেকনাফে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে নাফনদীতে মাছ শিকারে গিয়ে বিজিপির হাতে আটক জেলেরা মুক্তিপণ দিয়ে দেশে ফিরে আটক আতংকে আত্নগোপনে রয়েছে।

জানা যায়, গত ১৭ এপ্রিল সকালে বিজিপির হাতে আটক শাহপরীর দ্বীপ বাজার পাড়ার আলী উল্লাহর পুত্র আজিম উল্লাহ (মাঝি), কলিম উল্লাহর পুত্র মোহাম্মদ আবদুল্লাহ, ছৈয়দ আহমদের পুত্র আবুল কালাম ও পুরান বার্মাইয়া রশিদ উল্লাহর পুত্র মোহাম্মদ হাসান দালালের মাধ্যমে এক লক্ষ ২৫ হাজার টাকা মুক্তিপণ দিয়ে ফিরে আসে। গোপনে টাকা লেন-দেনের বিষয়টি কেউ স্বীকার করছেনা। মুক্তিপনের বিষয়টি অস্বীকার করেছেন নৌকা মালিক আমিন উল্লাহ এবং স্থানীয় ইউপি মেম্বার ফজলুল হক অপহৃত জেলেরা ফিরেছে বলে শুনলেও এখনো দেখেনি বলে জানান।

ফিরে আসা জেলেরা গত ১৬ এপ্রিল সকালে ইঞ্জিন নৌকা নিয়ে ইলিশ শিকাররত অবস্থায় মিয়ানমার থেকে স্পীডবোটে করে বিজিপির একটি দল এসে অস্ত্রের মুখে জেলেদের জিম্মি করে ইঞ্জিন নৌকাসহ ধরে নিয়ে যায়।

এই ব্যাপারে টেকনাফ ২বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেঃ কর্নেল ফয়সাল হাসান খান বলেন, জেলে অপহরণের বিষয়টি জানার পর ওপারে যোগাযোগ করেছি। তারা স্বীকার করেনি। মুক্তিপণের বিনিময়ে গোপনে জেলো ফিরে আসার বিষয় জানতে চাইলে এই ব্যাপারে তিনি অবগত নন বলে জানান।

এদিকে নাফনদীতে মাছ শিকারে নিষেধাজ্ঞা সত্বেও চুরি করে নদীতে মাছ শিকারে নামার কারণে সীমান্ত রক্ষী বিজিবি কঠোর অবস্থানে থাকায় ফিরে আসা জেলেরা আটক আতংকে আত্নগোপনে চলে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সম্প্রতি নদীতে ইলিশের আনা-গোনা জেলেদের নজরে পড়ায় লোভ সামলাতে না পেরে অভাব-যন্ত্রনায় থাকা বিভিন্ন এলাকার জেলেরা চুরি করে নদীতে মাছ শিকারে নামছে। এই সুযোগে মিয়ানমার সীমান্ত রক্ষী বাহিনী জেলেদের আটক ও মুক্তিপণ বাণিজ্য করে সীমান্তের স্বাভাবিক পরিবেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে।

কক্সবাজার পোস্ট.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
কক্সবাজার পোস্ট সব ধরনের আলোচনা-সমালোচনা সাদরে গ্রহণ ও উৎসাহিত করে। অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য পরিহার করুন। এটা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ
এই জাতীয় আরো খবর::